ঢাকা ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাঁথিয়ায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ফ্রান্সে কারফিউয়ে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি, নতুন বিক্ষোভের শঙ্কা শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টোরে ধোঁয়া তুরস্কের সঙ্গে বিতর্কিত সামুদ্রিক চুক্তিতে অনুমোদন লিবিয়ার পার্লামেন্টের মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পরিত্যক্ত শুটারগান ও কার্তুজ উদ্ধার কলকারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের ভাড়া বাসায় ডিজে পার্টি ও অসামাজিক রাজাপুরে ইজিবাইক উল্টে ১০ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রভাবে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত ১২ উড়োজাহাজ নিয়ে উভয় সংকট

বিচারব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে ইতালিতে গণভোট শুরু

  • আপডেট সময় : ১০:০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • / 53
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইতালিতে বিচারব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে দুই দিনব্যাপী গণভোট আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি দাবি করেন, এই সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা আরও স্বাধীন ও কার্যকর হবে। তবে সমালোচকদের মতে, এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হ্রাস পেতে পারে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এই গণভোট শুধু সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি আগামী নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী মেলোনির জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

মেলোনির সরকার বিচারক ও প্রসিকিউটরের কার্যক্রম আলাদা করার পাশাপাশি তাদের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সংবিধান সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেন, এই পরিকল্পনা বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এবং ইতালির দীর্ঘদিনের জীর্ণ ও অকার্যকর বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘এই সংস্কারের ফলে বিচারব্যবস্থা হবে আরও আধুনিক, মেধাভিত্তিক, স্বায়ত্তশাসিত, জবাবদিহিমূলক এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

তবে সমালোচকরা বলছেন, এটি মূলত রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের একটি উদ্যোগ। তাদের মতে, এই সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলার জট ও কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপের মতো বাস্তব সমস্যার সমাধান করছে না।

মধ্য-বামপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টির নেত্রী এলি শ্লাইন বলেন, প্রস্তাবটি দুর্বলভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

ইতালিতে জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’- দুই পক্ষই প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছে।

গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে তা মেলোনির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হবে। তিনি ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে একটি স্থিতিশীল জোট সরকার পরিচালনা করে আসছেন।

মেলোনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ভোটে পরাজিত হলেও তিনি পদত্যাগের কথা ভাবছেন না।

আগামীকাল সোমবার (গ্রিনিচ মান সময় ১৪০০টায়) ভোটগ্রহণ শেষ হবে এবং একই দিন প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিচারব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে ইতালিতে গণভোট শুরু

আপডেট সময় : ১০:০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইতালিতে বিচারব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে দুই দিনব্যাপী গণভোট আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি দাবি করেন, এই সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা আরও স্বাধীন ও কার্যকর হবে। তবে সমালোচকদের মতে, এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হ্রাস পেতে পারে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এই গণভোট শুধু সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি আগামী নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী মেলোনির জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

মেলোনির সরকার বিচারক ও প্রসিকিউটরের কার্যক্রম আলাদা করার পাশাপাশি তাদের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সংবিধান সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেন, এই পরিকল্পনা বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এবং ইতালির দীর্ঘদিনের জীর্ণ ও অকার্যকর বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘এই সংস্কারের ফলে বিচারব্যবস্থা হবে আরও আধুনিক, মেধাভিত্তিক, স্বায়ত্তশাসিত, জবাবদিহিমূলক এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

তবে সমালোচকরা বলছেন, এটি মূলত রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের একটি উদ্যোগ। তাদের মতে, এই সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলার জট ও কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপের মতো বাস্তব সমস্যার সমাধান করছে না।

মধ্য-বামপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টির নেত্রী এলি শ্লাইন বলেন, প্রস্তাবটি দুর্বলভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

ইতালিতে জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’- দুই পক্ষই প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছে।

গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে তা মেলোনির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হবে। তিনি ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে একটি স্থিতিশীল জোট সরকার পরিচালনা করে আসছেন।

মেলোনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ভোটে পরাজিত হলেও তিনি পদত্যাগের কথা ভাবছেন না।

আগামীকাল সোমবার (গ্রিনিচ মান সময় ১৪০০টায়) ভোটগ্রহণ শেষ হবে এবং একই দিন প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস