ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে বিমানের অস্বাভাবিক ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকারকে এক মাস সময় তিন বছর পূর্তিতে ঢাকাইয়াদের মিলনমেলায় মুখর ডিপিসি ঝিনাইদহে পারিবারিক বিবাদে পৃথক ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই ভাই প্রধানমন্ত্রী -: প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার শামা ওবায়েদ: মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড ‘আমাদের জন্য শিক্ষা’ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিস্তারিত তথ্যের জন্য চিঠি কনস্যুলেটের ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৩ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ মুচলেকা দিয়ে দিল্লির আদালত থেকে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ঢাবিতে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর

  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 28
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বর্তমানের সুপারকম্পিউটারগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস জানান, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে এগিয়ে থাকা মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইবিএম, মাইক্রোসফট ও গুগল রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম বড় আকারের বাণিজ্যিক কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। সোমবারের আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো বেসরকারি খাতের সঙ্গে কাজ করে ২০২৮ সালের মধ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেবে।

সাধারণ কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণে ‘বিট’ ব্যবহার করে। এসব বিট ক্ষুদ্র সুইচের মতো কাজ করে, যা হয় বন্ধ (০) অথবা চালু (১) থাকে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে ‘কিউবিট’, যা একই সময়ে ০ ও ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে।

এর ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার একই সময়ে বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই এটি বর্তমানের যেকোনো প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

তবে বর্তমানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ত্রুটির পরিমাণ বেশি থাকায় গবেষণার বাইরে নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

পরে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মডেলের সক্ষমতা বেসরকারি খাতের প্রতিশ্রুত প্রযুক্তির তুলনায় কম হবে।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির এই উদ্যোগকে ভবিষ্যতের আরও বড় ও সক্ষম প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা দ্বিতীয় নির্বাহী আদেশে সাইবার নিরাপত্তা ও পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি বা এমন এক ধরণের এনক্রিপশন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়েছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য উন্মোচনের চেষ্টা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

ক্রাটসিওস বলেন, এই আদেশের মাধ্যমে কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী ক্রিপ্টোগ্রাফিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ ত্বরান্বিত হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বর্তমানের সুপারকম্পিউটারগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস জানান, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে এগিয়ে থাকা মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইবিএম, মাইক্রোসফট ও গুগল রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম বড় আকারের বাণিজ্যিক কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। সোমবারের আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো বেসরকারি খাতের সঙ্গে কাজ করে ২০২৮ সালের মধ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেবে।

সাধারণ কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণে ‘বিট’ ব্যবহার করে। এসব বিট ক্ষুদ্র সুইচের মতো কাজ করে, যা হয় বন্ধ (০) অথবা চালু (১) থাকে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে ‘কিউবিট’, যা একই সময়ে ০ ও ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে।

এর ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার একই সময়ে বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই এটি বর্তমানের যেকোনো প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

তবে বর্তমানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ত্রুটির পরিমাণ বেশি থাকায় গবেষণার বাইরে নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

পরে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মডেলের সক্ষমতা বেসরকারি খাতের প্রতিশ্রুত প্রযুক্তির তুলনায় কম হবে।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির এই উদ্যোগকে ভবিষ্যতের আরও বড় ও সক্ষম প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা দ্বিতীয় নির্বাহী আদেশে সাইবার নিরাপত্তা ও পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি বা এমন এক ধরণের এনক্রিপশন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়েছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য উন্মোচনের চেষ্টা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

ক্রাটসিওস বলেন, এই আদেশের মাধ্যমে কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী ক্রিপ্টোগ্রাফিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ ত্বরান্বিত হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস