ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা মানুষের বর্জ্য থেকে তৈরি কংক্রিট: প্রচলিত সিমেন্টের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ও টেকসই ৯/১১ হামলা ও ইসলামভীতি: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিতর্কিত কিছু তথ্য রাজধানীর বাজারে তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দা ও নিত্যপণ্যের দাম

মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজনে ‘ভীষণভাবে প্রতারণা’ করার আহ্বান জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডালাসে অনুষ্ঠিত রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে (আরএনসি) হাজারো সমর্থকের সামনে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার আয়োজিত এই সম্মেলনে ট্রাম্প উপস্থিত সমর্থকদের ডান হাত তুলে তার সঙ্গে শপথ নিতে বলেন।

ট্রাম্পের দাবি, ডেমোক্র্যাটরা যেভাবে নির্বাচনে কারচুপি করে, রিপাবলিকানদেরও ঠিক সেভাবেই লড়াই করতে হবে। যদিও তিনি পুরো বিষয়টি হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন। শপথের শুরুতে নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সেরা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাবি করে তিনি সমর্থকদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “৩ নভেম্বর আমরা ভোট দিতে যাব, অথবা তার আগেই ভোট দেব।”

সম্মেলনে এক পর্যায়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, কেউ চাইলে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে পারে, তবে এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সমর্থকদের কাছ থেকে তীব্র দুয়োধ্বনি শোনা যায়। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, ভোট না দিলে নরকে যেতে হবে। সবশেষে ‘সো হেল্প মি গড’ বলে তিনি শপথ পর্ব শেষ করেন। ট্রাম্পের এই শপথ করানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ট্রাম্পের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনসহ বিভিন্ন সময়ে তিনি ডেমোক্র্যাট ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তবে বিভিন্ন অডিট, পুনর্গণনা এবং আদালতের রায়ে তার এই অভিযোগের সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডালাসের আমেরিকান এয়ারলাইনস সেন্টারে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনটি ছিল রিপাবলিকান পার্টির প্রথম মধ্যবর্তী নির্বাচনকেন্দ্রিক জাতীয় ইভেন্ট। নভেম্বরের নির্বাচনের আগে দলের সমর্থকদের চাঙা করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের অবস্থান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

সম্মেলনে ট্রাম্পের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। এ সময় সমর্থকদের ‘জেডি ৪৮’ স্লোগান দিতে দেখা যায়, যা ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্যান্সের সম্ভাব্য প্রার্থিতার ইঙ্গিত হিসেবে বিশ্লেষকরা দেখছেন। এছাড়া রক্ষণশীল কর্মী চার্লি কার্ক, সাবেক হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রও সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত না থাকলেও ভোট দেওয়ার চেষ্টা করার কথা বলেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর তিনি নিজের ভাষায় একটি শপথ পাঠ করান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিভিন্ন পোস্টে ভিডিওটি লাখের বেশি ভিউ পায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ নিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও ট্রাম্পের বক্তব্যের ধরন নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উভয় কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখাই দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজনে ‘ভীষণভাবে প্রতারণা’ করার আহ্বান জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডালাসে অনুষ্ঠিত রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে (আরএনসি) হাজারো সমর্থকের সামনে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার আয়োজিত এই সম্মেলনে ট্রাম্প উপস্থিত সমর্থকদের ডান হাত তুলে তার সঙ্গে শপথ নিতে বলেন।

ট্রাম্পের দাবি, ডেমোক্র্যাটরা যেভাবে নির্বাচনে কারচুপি করে, রিপাবলিকানদেরও ঠিক সেভাবেই লড়াই করতে হবে। যদিও তিনি পুরো বিষয়টি হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন। শপথের শুরুতে নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সেরা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাবি করে তিনি সমর্থকদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “৩ নভেম্বর আমরা ভোট দিতে যাব, অথবা তার আগেই ভোট দেব।”

সম্মেলনে এক পর্যায়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, কেউ চাইলে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে পারে, তবে এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সমর্থকদের কাছ থেকে তীব্র দুয়োধ্বনি শোনা যায়। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, ভোট না দিলে নরকে যেতে হবে। সবশেষে ‘সো হেল্প মি গড’ বলে তিনি শপথ পর্ব শেষ করেন। ট্রাম্পের এই শপথ করানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ট্রাম্পের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনসহ বিভিন্ন সময়ে তিনি ডেমোক্র্যাট ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তবে বিভিন্ন অডিট, পুনর্গণনা এবং আদালতের রায়ে তার এই অভিযোগের সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডালাসের আমেরিকান এয়ারলাইনস সেন্টারে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনটি ছিল রিপাবলিকান পার্টির প্রথম মধ্যবর্তী নির্বাচনকেন্দ্রিক জাতীয় ইভেন্ট। নভেম্বরের নির্বাচনের আগে দলের সমর্থকদের চাঙা করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের অবস্থান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

সম্মেলনে ট্রাম্পের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। এ সময় সমর্থকদের ‘জেডি ৪৮’ স্লোগান দিতে দেখা যায়, যা ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্যান্সের সম্ভাব্য প্রার্থিতার ইঙ্গিত হিসেবে বিশ্লেষকরা দেখছেন। এছাড়া রক্ষণশীল কর্মী চার্লি কার্ক, সাবেক হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রও সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত না থাকলেও ভোট দেওয়ার চেষ্টা করার কথা বলেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর তিনি নিজের ভাষায় একটি শপথ পাঠ করান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিভিন্ন পোস্টে ভিডিওটি লাখের বেশি ভিউ পায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ নিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও ট্রাম্পের বক্তব্যের ধরন নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উভয় কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখাই দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।