ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন পে স্কেলে বেতন পাবেন না যারা, প্রজ্ঞাপন জারি দীর্ঘ এক যুগ পর ঢাকায় ফিরছে বাটেক্সপো ২০২৬ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ঝরল চার প্রাণ আইআইটি মুম্বাইয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মানিকগঞ্জে প্রবাসীসহ তিনজনের মৃত্যু: তদন্তে পুলিশ নিখোঁজ কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ মিছিলের প্রস্তুতির সময় কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা ১৭ বছরে প্রভাব খাটিয়ে অযোগ্যদের পাস করানো হয়েছে: রিজভী জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো তিতাস-২৮ নম্বর কূপের গ্যাস জ্বালানি সংকটে ইউরোপ: বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও সরবরাহের উদ্বেগ

একাত্তরের অবস্থান পরোক্ষভাবে মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 9
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাইলেও, পরোক্ষভাবে তারা একাত্তরের বিতর্কিত অবস্থান মেনে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্রয়াত ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বইটির প্রেক্ষাপট ও জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রয়াত ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন এবং তিনি দলটিকে ১৯৭১ সালে সংঘটিত অপরাধের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে ব্যারিস্টার রাজ্জাক যে রাজনৈতিক দর্শন অনুসরণ করে একটি বিবৃতি বা স্টেটমেন্ট ড্রাফট করেছিলেন, তা যদি সে সময় জামায়াত গ্রহণ করত, তবে দলটির অনেক প্রশ্নের সমাধান হয়ে যেত। বর্তমান সময়ে জামায়াত পরোক্ষভাবে সেই অবস্থানকেই স্বীকার করে নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০২২-এ মুক্তিযোদ্ধাদের যে সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন আইনমন্ত্রী। তিনি জানান, আইনটির খসড়া ও ২০২৫ সালের সংশোধনী প্রক্রিয়ায় ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামী পার্টি, রাজাকার ও আল-বদর বাহিনীর ভূমিকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল। তিনি বলেন, পার্লামেন্টের বিশেষ কমিটিতে যখন এই আইনটি নিয়ে কাজ হচ্ছিল, তখন জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। তবে ঐতিহাসিক সত্য গোপন না করে সেখানে ‘তৎকালীন’ শব্দটি যুক্ত করা হয়। এরপর পার্লামেন্টে আইনটি পাসের সময় জামায়াতের কোনো সদস্য এর বিপক্ষে ‘না’ ভোট দেননি, যা তাদের একাত্তরের ভূমিকা মেনে নেওয়ার একটি পরোক্ষ ইঙ্গিত বলে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আব্দুর রাজ্জাকের রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তার প্রশংসা করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া শাসনব্যবস্থা প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ নয়। বরং সমাজের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের মাধ্যমে ইসলামিক মূল্যবোধের চর্চাই আসল পথ। তিনি ব্যারিস্টার রাজ্জাকের বইটি পড়ে একে কোনো সাধারণ সাহিত্য বা গবেষণা নয়, বরং একজন মানুষের জীবনদর্শন ও এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্বের এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার কঠোর সমালোচনা করে তিনি এটিকে তাদের সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্বিমত থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু কোনো সমালোচনা গ্রহণ করতে না পারা রাজনৈতিক সংকীর্ণতার লক্ষণ। বিএনপি সম্পর্কে বইটিতে থাকা সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সমাজ ব্যবস্থা নিয়ে এগিয়ে যেতে হলে বিভিন্ন মত ও সমালোচনা ধারণ করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তিনি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রজন্মের পরিবর্তনের আকাক্সক্ষার কথা তুলে ধরে বলেন, সমাজকে পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। অনুষ্ঠানের প্যানেলিস্ট হিসেবে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আলী রীয়াজ, সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিচ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আসাদুজ্জামান বলেন, ইসলামিক শাসন কায়েম করে চাপিয়ে দেবো, সেটা একটা ভ্রান্ত নীতি, ফ্যালাসি; বরং সমাজ থেকে ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে একটি রাষ্ট্র গঠিত হোক, রাষ্ট্র পরিচালিত হোক— সেটাই হবে প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের সঠিক পথ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের বইয়ে ঠিক এইভাবে বিষয়টা এসেছে, আমি দেখলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি রাজ্জাক সাহেবের ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের চিন্তার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু একটা মূল্যবোধের জায়গা থেকে, একটা রাষ্ট্রব্যবস্থার জায়গা থেকে আমার ধারণা, দিস ইজ দ্য প্রোস ফর জুরিস্ট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাজ্জাক সাহেব একটা সমাজকে তার জীবন দিয়ে যেভাবে দেখেছেন, তার জীবন দর্শন যেভাবে ছিল— এই বইটা তার একটা রিফ্লেকশন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আজকে জামায়াতের যারা মেইনস্ট্রিমের আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বা আমাদের এই অঙ্গনে পরিচিত, জামাতের যারা লিডারশিপে আছেন— আমার প্রত্যাশা ছিল আজকের আলোচনায় তারা থাকবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটা তাদের দীনতা, এটা তাদের ব্যর্থতা, এটা তাদের সংকীর্ণতা ও সীমাবদ্ধতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আপনি রাজ্জাক সাহেবের সব কথার সঙ্গে একমত হবেন— এটা যেমন সত্যি না, আবার তার সমালোচনা গ্রহণ করতে পারবেন না— এটাও সঠিক না।

নিউজটি শেয়ার করুন

একাত্তরের অবস্থান পরোক্ষভাবে মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাইলেও, পরোক্ষভাবে তারা একাত্তরের বিতর্কিত অবস্থান মেনে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্রয়াত ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বইটির প্রেক্ষাপট ও জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রয়াত ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন এবং তিনি দলটিকে ১৯৭১ সালে সংঘটিত অপরাধের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে ব্যারিস্টার রাজ্জাক যে রাজনৈতিক দর্শন অনুসরণ করে একটি বিবৃতি বা স্টেটমেন্ট ড্রাফট করেছিলেন, তা যদি সে সময় জামায়াত গ্রহণ করত, তবে দলটির অনেক প্রশ্নের সমাধান হয়ে যেত। বর্তমান সময়ে জামায়াত পরোক্ষভাবে সেই অবস্থানকেই স্বীকার করে নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০২২-এ মুক্তিযোদ্ধাদের যে সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন আইনমন্ত্রী। তিনি জানান, আইনটির খসড়া ও ২০২৫ সালের সংশোধনী প্রক্রিয়ায় ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামী পার্টি, রাজাকার ও আল-বদর বাহিনীর ভূমিকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল। তিনি বলেন, পার্লামেন্টের বিশেষ কমিটিতে যখন এই আইনটি নিয়ে কাজ হচ্ছিল, তখন জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। তবে ঐতিহাসিক সত্য গোপন না করে সেখানে ‘তৎকালীন’ শব্দটি যুক্ত করা হয়। এরপর পার্লামেন্টে আইনটি পাসের সময় জামায়াতের কোনো সদস্য এর বিপক্ষে ‘না’ ভোট দেননি, যা তাদের একাত্তরের ভূমিকা মেনে নেওয়ার একটি পরোক্ষ ইঙ্গিত বলে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আব্দুর রাজ্জাকের রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তার প্রশংসা করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া শাসনব্যবস্থা প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ নয়। বরং সমাজের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের মাধ্যমে ইসলামিক মূল্যবোধের চর্চাই আসল পথ। তিনি ব্যারিস্টার রাজ্জাকের বইটি পড়ে একে কোনো সাধারণ সাহিত্য বা গবেষণা নয়, বরং একজন মানুষের জীবনদর্শন ও এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্বের এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার কঠোর সমালোচনা করে তিনি এটিকে তাদের সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্বিমত থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু কোনো সমালোচনা গ্রহণ করতে না পারা রাজনৈতিক সংকীর্ণতার লক্ষণ। বিএনপি সম্পর্কে বইটিতে থাকা সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সমাজ ব্যবস্থা নিয়ে এগিয়ে যেতে হলে বিভিন্ন মত ও সমালোচনা ধারণ করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তিনি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রজন্মের পরিবর্তনের আকাক্সক্ষার কথা তুলে ধরে বলেন, সমাজকে পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। অনুষ্ঠানের প্যানেলিস্ট হিসেবে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আলী রীয়াজ, সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিচ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আসাদুজ্জামান বলেন, ইসলামিক শাসন কায়েম করে চাপিয়ে দেবো, সেটা একটা ভ্রান্ত নীতি, ফ্যালাসি; বরং সমাজ থেকে ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে একটি রাষ্ট্র গঠিত হোক, রাষ্ট্র পরিচালিত হোক— সেটাই হবে প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের সঠিক পথ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের বইয়ে ঠিক এইভাবে বিষয়টা এসেছে, আমি দেখলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি রাজ্জাক সাহেবের ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের চিন্তার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু একটা মূল্যবোধের জায়গা থেকে, একটা রাষ্ট্রব্যবস্থার জায়গা থেকে আমার ধারণা, দিস ইজ দ্য প্রোস ফর জুরিস্ট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাজ্জাক সাহেব একটা সমাজকে তার জীবন দিয়ে যেভাবে দেখেছেন, তার জীবন দর্শন যেভাবে ছিল— এই বইটা তার একটা রিফ্লেকশন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আজকে জামায়াতের যারা মেইনস্ট্রিমের আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বা আমাদের এই অঙ্গনে পরিচিত, জামাতের যারা লিডারশিপে আছেন— আমার প্রত্যাশা ছিল আজকের আলোচনায় তারা থাকবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটা তাদের দীনতা, এটা তাদের ব্যর্থতা, এটা তাদের সংকীর্ণতা ও সীমাবদ্ধতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আপনি রাজ্জাক সাহেবের সব কথার সঙ্গে একমত হবেন— এটা যেমন সত্যি না, আবার তার সমালোচনা গ্রহণ করতে পারবেন না— এটাও সঠিক না।