ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন পে স্কেলে বেতন পাবেন না যারা, প্রজ্ঞাপন জারি দীর্ঘ এক যুগ পর ঢাকায় ফিরছে বাটেক্সপো ২০২৬ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ঝরল চার প্রাণ আইআইটি মুম্বাইয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মানিকগঞ্জে প্রবাসীসহ তিনজনের মৃত্যু: তদন্তে পুলিশ নিখোঁজ কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ মিছিলের প্রস্তুতির সময় কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা ১৭ বছরে প্রভাব খাটিয়ে অযোগ্যদের পাস করানো হয়েছে: রিজভী জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো তিতাস-২৮ নম্বর কূপের গ্যাস জ্বালানি সংকটে ইউরোপ: বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও সরবরাহের উদ্বেগ

জ্বালানি সংকটে ইউরোপ: বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও সরবরাহের উদ্বেগ

  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মুখে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে লোহিত সাগর, হরমুজ প্রণালি, কৃষ্ণসাগর এবং কাস্পিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই সংকটাপন্ন যে, শুক্রবার সৌদি আরব ইউরোপের শোধনাগারগুলোকে আগামী মাসে তাদের কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল পাওয়ার আশা না করতে সতর্ক করেছে। এই আকস্মিক পদক্ষেপে ইউরোপজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে।

লোহিত সাগরে হুথি বাহিনীর কার্যক্রম পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর মোখা বন্দর এবং ১১ সেপ্টেম্বর বাব আল-মান্দেব প্রণালির মায়ুন বা পেরিম দ্বীপ দখলের পর ১৪ সেপ্টেম্বর তারা গ্রেটার ও লেসার হানিশ দ্বীপপুঞ্জও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এসব অঞ্চল জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট। যদিও বাব আল-মান্দেব এখনো চালু আছে, তবে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি ও বর্ধিত বিমা খরচের কারণে অনেক জাহাজ এখন আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ দিয়ে ঘুরে যাচ্ছে। এর ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে ১০ থেকে ১৪ দিন বাড়তি সময় ব্যয় হচ্ছে এবং পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এর আগে বছরের শুরুতে হরমুজ প্রণালি কয়েক মাস বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক বাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হ্রাস পায়। সেই সময় সৌদি আরব পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিয়েছিল। তখন এই পথে সরবরাহ দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল থেকে বেড়ে প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত হয়েছিল। কিন্তু গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি পাম্পিং স্টেশনে ড্রোন হামলার পর পাইপলাইনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই বিকল্প পথটিও বর্তমানে অচল হয়ে পড়েছে।

ইউরোপের অর্থনীতিতে এর প্রভাব স্পষ্ট। ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে জ্বালানি খাতের মূল্যস্ফীতি রেকর্ড ১৪ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের জ্বালানি ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কনস্টানতিনোস স্টামবোলিস সতর্ক করে বলেছেন, জ্বালানি সংকট এখন বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের রূপ নিচ্ছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাতও এই পরিস্থিতিকে জটিল করছে; ইউক্রেনীয় হামলায় রাশিয়ার শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে বিকল্প উৎস খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

কাজাখস্তানের দিকে তাকিয়ে থাকলেও সেখানে ঝুঁকি কম নয়। দেশটির সিংহভাগ তেল সিপিসি পাইপলাইনের মাধ্যমে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরে যায়। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এটি আক্রান্ত হলে সরবরাহ বড় ধরনের হোঁচট খাবে। বিকল্প হিসেবে কাস্পিয়ান সাগর হয়ে আজারবাইজান ও তুরস্কের পথ ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলেও, বাকু-সুপসা পাইপলাইনের সক্ষমতা দৈনিক মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল, যা চাহিদার তুলনায় নগণ্য। তাছাড়া কাস্পিয়ান অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে ২৫ জুলাই ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে একটি ইরানি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনায়। কাজাখস্তান পশ্চিমে তেল পাঠাতে ব্যর্থ হলে দেশটি চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা ইউরোপের জন্য সংকট আরও বাড়াবে।

আগামী শীত মৌসুম নিয়ে পূর্বাভাসগুলোও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রিস্ট্যাড এনার্জি ও আইসিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনো আবহাওয়ার প্রভাবে ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিলে গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা আকাশচুম্বী হতে পারে। এছাড়া শক্তিশালী এল নিনোর সময় ইউরোপে বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন ৯ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাওয়ার ইতিহাস রয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ওপর নির্ভরতা বাড়াবে। সবশেষে, ২০২৭ সালে কার্যকর হতে যাওয়া ইইউর নতুন মিথেন নীতিমালাও আমদানিতে বাধার সৃষ্টি করতে পারে, কারণ অনেক উৎপাদকের পক্ষে নির্ধারিত পরিবেশগত মানদণ্ড পূরণ করা কঠিন হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে মূল্যস্ফীতিতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে যাত্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন সময় বাড়ছে এবং সরবরাহ খরচও বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউরোপ তখন আটলান্টিক অববাহিকা ও কাস্পিয়ান অঞ্চলের সরবরাহের ওপর বেশি নির্ভর করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সময়ে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞায় বিকল্প সরবরাহ সীমিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউরোপের জন্য সম্ভাব্য বিকল্প উৎস কাজাখস্তানও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশটির ৮০ শতাংশের বেশি তেল রপ্তানি হয় সিপিসি পাইপলাইনের মাধ্যমে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অতিরিক্ত তেল বাকু-তিবিলিসি-জেয়হান পাইপলাইন দিয়েও পাঠানো সম্ভব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শীতের শুরু উষ্ণ হলেও ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলে গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটে ইউরোপ: বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও সরবরাহের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মুখে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে লোহিত সাগর, হরমুজ প্রণালি, কৃষ্ণসাগর এবং কাস্পিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই সংকটাপন্ন যে, শুক্রবার সৌদি আরব ইউরোপের শোধনাগারগুলোকে আগামী মাসে তাদের কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল পাওয়ার আশা না করতে সতর্ক করেছে। এই আকস্মিক পদক্ষেপে ইউরোপজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে।

লোহিত সাগরে হুথি বাহিনীর কার্যক্রম পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর মোখা বন্দর এবং ১১ সেপ্টেম্বর বাব আল-মান্দেব প্রণালির মায়ুন বা পেরিম দ্বীপ দখলের পর ১৪ সেপ্টেম্বর তারা গ্রেটার ও লেসার হানিশ দ্বীপপুঞ্জও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এসব অঞ্চল জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট। যদিও বাব আল-মান্দেব এখনো চালু আছে, তবে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি ও বর্ধিত বিমা খরচের কারণে অনেক জাহাজ এখন আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ দিয়ে ঘুরে যাচ্ছে। এর ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে ১০ থেকে ১৪ দিন বাড়তি সময় ব্যয় হচ্ছে এবং পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এর আগে বছরের শুরুতে হরমুজ প্রণালি কয়েক মাস বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক বাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হ্রাস পায়। সেই সময় সৌদি আরব পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিয়েছিল। তখন এই পথে সরবরাহ দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল থেকে বেড়ে প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত হয়েছিল। কিন্তু গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি পাম্পিং স্টেশনে ড্রোন হামলার পর পাইপলাইনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই বিকল্প পথটিও বর্তমানে অচল হয়ে পড়েছে।

ইউরোপের অর্থনীতিতে এর প্রভাব স্পষ্ট। ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে জ্বালানি খাতের মূল্যস্ফীতি রেকর্ড ১৪ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের জ্বালানি ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কনস্টানতিনোস স্টামবোলিস সতর্ক করে বলেছেন, জ্বালানি সংকট এখন বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের রূপ নিচ্ছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাতও এই পরিস্থিতিকে জটিল করছে; ইউক্রেনীয় হামলায় রাশিয়ার শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে বিকল্প উৎস খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

কাজাখস্তানের দিকে তাকিয়ে থাকলেও সেখানে ঝুঁকি কম নয়। দেশটির সিংহভাগ তেল সিপিসি পাইপলাইনের মাধ্যমে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরে যায়। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এটি আক্রান্ত হলে সরবরাহ বড় ধরনের হোঁচট খাবে। বিকল্প হিসেবে কাস্পিয়ান সাগর হয়ে আজারবাইজান ও তুরস্কের পথ ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলেও, বাকু-সুপসা পাইপলাইনের সক্ষমতা দৈনিক মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল, যা চাহিদার তুলনায় নগণ্য। তাছাড়া কাস্পিয়ান অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে ২৫ জুলাই ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে একটি ইরানি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনায়। কাজাখস্তান পশ্চিমে তেল পাঠাতে ব্যর্থ হলে দেশটি চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা ইউরোপের জন্য সংকট আরও বাড়াবে।

আগামী শীত মৌসুম নিয়ে পূর্বাভাসগুলোও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রিস্ট্যাড এনার্জি ও আইসিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনো আবহাওয়ার প্রভাবে ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিলে গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা আকাশচুম্বী হতে পারে। এছাড়া শক্তিশালী এল নিনোর সময় ইউরোপে বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন ৯ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাওয়ার ইতিহাস রয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ওপর নির্ভরতা বাড়াবে। সবশেষে, ২০২৭ সালে কার্যকর হতে যাওয়া ইইউর নতুন মিথেন নীতিমালাও আমদানিতে বাধার সৃষ্টি করতে পারে, কারণ অনেক উৎপাদকের পক্ষে নির্ধারিত পরিবেশগত মানদণ্ড পূরণ করা কঠিন হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে মূল্যস্ফীতিতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে যাত্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন সময় বাড়ছে এবং সরবরাহ খরচও বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউরোপ তখন আটলান্টিক অববাহিকা ও কাস্পিয়ান অঞ্চলের সরবরাহের ওপর বেশি নির্ভর করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সময়ে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞায় বিকল্প সরবরাহ সীমিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউরোপের জন্য সম্ভাব্য বিকল্প উৎস কাজাখস্তানও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশটির ৮০ শতাংশের বেশি তেল রপ্তানি হয় সিপিসি পাইপলাইনের মাধ্যমে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অতিরিক্ত তেল বাকু-তিবিলিসি-জেয়হান পাইপলাইন দিয়েও পাঠানো সম্ভব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শীতের শুরু উষ্ণ হলেও ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এ তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলে গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়তে পারে।