শাহজালাল বিমানবন্দরে কোটি টাকার স্বর্ণের পেস্ট উদ্ধার
- আপডেট সময় : ১১:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 1
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস হলের ১ নম্বর বেল্ট সংলগ্ন একটি ওয়াশরুমে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের পেস্ট জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিমানবন্দর সার্কেল। গত শনিবার সন্ধ্যায় চালানো এই অভিযানে ওয়াশরুমের হাই কমোডের ট্যাংকের ভেতর থেকে পলিথিনে মোড়ানো আটটি ডিমের মতো প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এগুলোর ভেতর থেকে প্রায় ৪ দশমিক ২০৪ কেজি ওজনের স্বর্ণের পেস্ট পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত এই স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি এবং স্বর্ণের মালিক শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে পেস্ট থেকে স্বর্ণ আলাদা করে এর বিশুদ্ধতা ও প্রকৃত ওজন নির্ধারণের কাজ চলছে।
একই দিনে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ৮২ গ্রাম স্বর্ণসহ এক যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বেনাপোল সার্কেল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৯ সেপ্টেম্বর বেনাপোল ইমিগ্রেশন এলাকার জিরো পয়েন্টে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক যাত্রীর নাম আল মামুন। শুরুতে তল্লাশিতে কোনো কিছু পাওয়া না গেলেও, তার কথাবার্তায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে তার শরীরের এক্স-রে করা হলে মলাশয়ে সন্দেহজনক বস্তুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এরপরই তিনি শরীরের ভেতরে স্বর্ণ লুকানোর কথা স্বীকার করেন। উদ্ধার করা এই স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে এনবিআর। জব্দকৃত স্বর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেনাপোল কাস্টম হাউসে জমা দেওয়া হয়েছে। এই চোরাচালানের সঙ্গে অন্য কোনো বড় চক্র বা ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিয়ে জোর তদন্ত চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে এনবিআর। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ সময় ভারতগামী এক যাত্রী আল মামুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি স্বর্ণ বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে তার বক্তব্যে সন্দেহ থাকায় আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার শরীরের এক্স-রে করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনায় ওই ব্যক্তির সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি কিংবা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।























