আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ
- আপডেট সময় : ১০:৩৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 1
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কথিত লকডাউন কর্মসূচির প্রতিবাদ এবং দেশজুড়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাংশের নেতাকর্মীরা। শনিবার রাতে জবি ছাত্রদলের ২ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমির নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলটি বিজ্ঞান অনুষদ থেকে শুরু হয়ে প্রধান ফটক, জজকোর্ট ও ভিক্টোরিয়া পার্ক ঘুরে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচিতে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
সমাবেশে মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, গত ১৭ বছরের সংগ্রাম এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গণহত্যার সাথে সংশ্লিষ্টরা এখন নতুন করে অপতৎপরতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। জবি ক্যাম্পাসের এক ইঞ্চি মাটিতেও এই অপশক্তিদের ঠাঁই হবে না উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ৫৬ হাজার বর্গমাইলজুড়ে এই ধরনের অস্থিরতা প্রতিহত করতে ছাত্রদল সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রুমি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন গণতান্ত্রিক ধারার সূচনা হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রধান সাম্য ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন, তা বাধাগ্রস্ত করতে কাউকে দেওয়া হবে না। তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশ্নে ছাত্রদল সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো রাজনৈতিক চক্রান্ত মোকাবিলায় অঙ্গীকারবদ্ধ।
সারা দেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও বোমাবাজির ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রশাসনের প্রতি বলেন, একাত্তর ও ২৪ সালের পরাজিত শক্তির মধ্যে কোনো গোপন আঁতাত রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করা জরুরি। রক্তের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশকে স্থিতিশীল রাখতে যা কিছু করা প্রয়োজন, তা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জবি ছাত্রদলের এই নেতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, “বিগত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৭১-এর পরাজিত শক্তি এবং ২৪-এর পরাজিত শক্তির মধ্যে কোনো ধরনের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত।”। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, গণহত্যার জন্য দায়ীদের দোসররা ন্যূনতম অনুশোচনা না করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের এই অর্জনকে ম্লান করার জন্য বিভিন্নভাবে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা গোপনে বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছে।”। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই প্রচেষ্টাকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আমরা রাজনৈতিকভাবে তার মোকাবিলা করব।

























