রাজধানীর বাজারে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট অব্যাহত
- আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 3
রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট যেন কাটছেই না। গত ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ালেও বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক মুদি দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব দোকানে কিছুটা তেল মিলছে, সেখানে মূলত ২ ও ৫ লিটারের বোতলই বেশি দেখা যাচ্ছে। আধা লিটার ও এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে নেই বললেই চলে।
খুচরা বিক্রেতা ও পাইকারি সরবরাহকারীদের ভাষ্যমতে, ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বাজারে পর্যাপ্ত তেল ছাড়ছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই অপ্রতুল হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তেল কিনতে অনেক ক্রেতাকে চার-পাঁচটি দোকান ঘুরতে হচ্ছে, তবুও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণের তেল মিলছে না। বাধ্য হয়ে অনেক বিক্রেতা এখন খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছেন। এদিকে পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিলেও বর্তমানে মাত্র দু-তিনটি কোম্পানি বাজারে বোতলজাত তেল ছাড়ছে বলে জানিয়েছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বেড়ে ২০৪ টাকা হয়েছে। এতে ২ লিটার তেলের জন্য ক্রেতাকে ৪০৮ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতল কিনতে ১ হাজার ২০ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। তবে এই দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিক্রেতাদের বিক্রয় কমিশন কমিয়ে প্রতি লিটারে মাত্র ১ টাকা করা হয়েছে। রামপুরার ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, বর্তমানে ৫ লিটার তেলের বোতলে লাভ হয় মাত্র ৫ টাকা, অথচ কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহে গড়িমসি করছে। তিনি আরও বলেন, হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৫ টাকা মুনাফা এবং তার ওপর তেলের সংকট ব্যবসায়ীদের একপ্রকার জিম্মি করে রেখেছে।
বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকটের পাশাপাশি বাজারে খোলা তেলের দামও চড়া। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ২০৫ থেকে ২০৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া পাম তেল লিটারপ্রতি ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত তেলের উচ্চমূল্য এবং দুষ্প্রাপ্যতার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রামপুরা এলাকার ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, ‘৫ লিটার তেল কিনলে এমনিতেই মানুষ ৫-১০ টাকা কম দিতে চায়।

























