ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে এয়ারবাসের সমান সুযোগ চাইলেন ফরাসি

  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় ফরাসি প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসকে সমান সুযোগ দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত জানান, বিমানের সঙ্গে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনা সংক্রান্ত আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে এবং এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া।

জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে উল্লেখ করেন, কয়েক বছর আগে কারিগরি দিক ও বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। বিশ্বের বড় বড় অনেক বিমান সংস্থা এয়ারবাস ও বোয়িং—উভয় নির্মাতার উড়োজাহাজ ব্যবহার করে থাকে। এতে কোনো নির্দিষ্ট নির্মাতার ওপর নির্ভরশীলতা কমে এবং কারিগরি সক্ষমতা ও সুবিধার তুলনামূলক বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি হয়। রাষ্ট্রদূতের মতে, এয়ারবাসের এমন মডেল রয়েছে যা কোনো বিরতি ছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, বিমানের এই আগ্রহ কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সম্পূর্ণ কারিগরি ও ব্যবসায়িক বিষয়। বর্তমানে বিশ্বের শত শত এয়ারলাইন এয়ারবাসের উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইতোমধ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে কিছু উড়োজাহাজ সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যেগুলো ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের মধ্যে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বোয়িংয়ের সঙ্গে কাজের পাশাপাশি এয়ারবাসের প্রতিও বিমানের আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বিমান ও এয়ারবাসের মধ্যে এই সম্ভাব্য চুক্তিটি যথাসময়ে সম্পন্ন হবে। বিমানের বহর আধুনিকায়নের এই পরিকল্পনায় এয়ারবাস ও বোয়িং উভয় নির্মাতার কারিগরি ও বাণিজ্যিক দিকগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজের সক্ষমতা, মূল্য এবং সময়সূচিসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক শর্তগুলোই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার মতে, বিমানের বহরে এয়ারবাস যুক্ত হওয়া সংস্থাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও সুবিধাজনক হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষ্য, এ ধরনের কারিগরি সক্ষমতার কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ারবাসের প্রতি আগ্রহের যৌক্তিকতা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে বিমানের এয়ারবাস কেনার আগ্রহকে তিনি স্বাভাবিক ও কারিগরিভিত্তিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে এয়ারবাসের সমান সুযোগ চাইলেন ফরাসি

আপডেট সময় : ০৮:০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় ফরাসি প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসকে সমান সুযোগ দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত জানান, বিমানের সঙ্গে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনা সংক্রান্ত আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে এবং এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া।

জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে উল্লেখ করেন, কয়েক বছর আগে কারিগরি দিক ও বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। বিশ্বের বড় বড় অনেক বিমান সংস্থা এয়ারবাস ও বোয়িং—উভয় নির্মাতার উড়োজাহাজ ব্যবহার করে থাকে। এতে কোনো নির্দিষ্ট নির্মাতার ওপর নির্ভরশীলতা কমে এবং কারিগরি সক্ষমতা ও সুবিধার তুলনামূলক বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি হয়। রাষ্ট্রদূতের মতে, এয়ারবাসের এমন মডেল রয়েছে যা কোনো বিরতি ছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, বিমানের এই আগ্রহ কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সম্পূর্ণ কারিগরি ও ব্যবসায়িক বিষয়। বর্তমানে বিশ্বের শত শত এয়ারলাইন এয়ারবাসের উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইতোমধ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে কিছু উড়োজাহাজ সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যেগুলো ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের মধ্যে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বোয়িংয়ের সঙ্গে কাজের পাশাপাশি এয়ারবাসের প্রতিও বিমানের আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বিমান ও এয়ারবাসের মধ্যে এই সম্ভাব্য চুক্তিটি যথাসময়ে সম্পন্ন হবে। বিমানের বহর আধুনিকায়নের এই পরিকল্পনায় এয়ারবাস ও বোয়িং উভয় নির্মাতার কারিগরি ও বাণিজ্যিক দিকগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজের সক্ষমতা, মূল্য এবং সময়সূচিসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক শর্তগুলোই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার মতে, বিমানের বহরে এয়ারবাস যুক্ত হওয়া সংস্থাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও সুবিধাজনক হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষ্য, এ ধরনের কারিগরি সক্ষমতার কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ারবাসের প্রতি আগ্রহের যৌক্তিকতা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে বিমানের এয়ারবাস কেনার আগ্রহকে তিনি স্বাভাবিক ও কারিগরিভিত্তিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।