বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন চাইলেন জ্বালানিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিদ্যমান অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায়না এক্সিম ব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওয়াং চুনইংয়ের নেতৃত্বে আসা একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের কৌশলগত উন্নয়ন ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ভূমিভিত্তিক ও ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে অর্থায়ন ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময়ে সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন ওয়াং চুনইং। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতকে আরো শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও সম্মতি জানায় দুই পক্ষ।
বৈঠকে মন্ত্রী পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের পরবর্তী ধাপের সম্প্রসারণ, স্মার্ট গ্রিড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির (ডিপিডিসি) বিতরণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দ্রুত অর্থায়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জাতীয় উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৬ অনুসরণ করে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় জাতীয় গ্রিডের আধুনিকায়ন ও স্মার্ট গ্রিড তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বাংলাদেশে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে অতীতে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য ব্যাংকটির প্রেসিডেন্টকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া সবুজ জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক শুল্ক ও কর ছাড়ের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন মন্ত্রী।
বৈঠকটিতে অন্যান্যদের মধ্যে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ বিদ্যুৎ বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।
























