ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব নিয়ে বিধিনিষেধ: বাড়ছে ক্ষোভ ও বিতর্ক নির্ধারিত দামেও মিলছে না এলপিজি, বাজারে চরম অস্থিরতা নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি এলপিজি বিক্রি, বিপাকে সাধারণ গ্রাহক শাহজালালে কোটি টাকার হীরা ও স্বর্ণালংকারসহ যাত্রী আটক চকবাজারে মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০ ইউনিট সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠালেন আদালত ঈশ্বরদীতে বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব তুঙ্গে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নভেম্বরেই চালু হতে পারে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ঢাকা থেকে ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তি

নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি এলপিজি বিক্রি, বিপাকে সাধারণ গ্রাহক

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজার দীর্ঘ সময় ধরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতিটি ১২ কেজি সিলিন্ডারের জন্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও, দেশের বিভিন্ন স্থানে তা অধিক মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। গ্রাহকদের কোথাও কোথাও ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে, যা নির্ধারিত দামের চেয়ে ২৬০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিভিন্ন জেলা থেকে সংগৃহীত এবং গত ৮ অক্টোবর জমা দেওয়া প্রতিবেদনগুলোতে এই বাড়তি দামের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। মানিকগঞ্জে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, বগুড়ায় ১ হাজার ৮২০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা, কুমিল্লায় ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা এবং খুলনায় ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৮৪০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, ফেনীতে ১ হাজার ৮৪০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকা, মাদারীপুরে ১ হাজার ৮৪০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা, রাঙামাটিতে ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮৪০ টাকা, রাজশাহীতে ১ হাজার ৮৪০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, বরিশালে ১ হাজার ৮২০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, নরসিংদীতে ১ হাজার ৮৪০ টাকা এবং ঝিনাইদহে ১ হাজার ৮৫০ টাকায় সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ার তথ্য মিলেছে। গত ৮ অক্টোবর এসব প্রতিবেদনের তথ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এসব তথ্য থেকে দেখা যায়, একই পণ্যের দাম একেক জেলায় যেমন আলাদা, তেমনি একই জেলার মধ্যেও বিক্রেতাভেদে দামের বড় পার্থক্য রয়েছে। নিয়মিত নজরদারি, সরবরাহ ও মজুদের তথ্য যাচাই এবং একই অপরাধ বারবার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

অতিরিক্ত মুনাফা রোধ ও বাজার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে জরিমানা করা হলেও অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। খুলনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআই ও পুলিশের যৌথ অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় তিনটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা, রংপুরে এক ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মাদারীপুর ও সাতক্ষীরার মতো জেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার তথ্য থাকলেও অনিয়ম থামছে না। প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের দপ্তরও অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে নয়টি প্রতিষ্ঠানকে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। রংপুরে এক ব্যবসায়ীকে একই আইনের ৪০ ধারায় জরিমানা করা হয় ৩ হাজার টাকা। সাতক্ষীরায় সেপ্টেম্বর মাসে দুটি অভিযানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। রাজশাহী, কুমিল্লা, ফেনী ও নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলাতেও বাজার তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. জালাল আহমদ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়। তবে বিশাল এই বাজারের তদারকি করার মতো পর্যাপ্ত জনবল কমিশনের নেই। তিনি বলেন, নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের। বিইআরসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৩ অক্টোবর থেকে বাজার তদারকিতে নামবে এবং ধীরে ধীরে দাম কমে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। শিল্পকারখানায় এলপিজির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় সরবরাহ চেইনে চাপের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, এলপিজি বাজার মূলত কয়েকটি বেসরকারি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাতেগোনা ছয়-সাতটি কোম্পানি সিংহভাগ এলপিজি আমদানি করায় বাজারে তাদের সিদ্ধান্তের বড় প্রভাব পড়ে। এছাড়া ডিলারশিপগুলোও বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় মাঠপর্যায়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত। জ্বালানি বিভাগ এখন এলপিজি খাতে সরকারের অংশীদারত্ব বাড়ানোর এবং ডিলারদের ওপর তদারকি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

এই মূল্য অস্থিরতার কারণে রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। সীমিত আয়ের মানুষের পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাসিক পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, কেবল জরিমানা করে এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থা স্বচ্ছ করা, মজুদ পর্যবেক্ষণ এবং সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ভূমিকা, সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুদ না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি এলপিজি বিক্রি, বিপাকে সাধারণ গ্রাহক

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজার দীর্ঘ সময় ধরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতিটি ১২ কেজি সিলিন্ডারের জন্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও, দেশের বিভিন্ন স্থানে তা অধিক মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। গ্রাহকদের কোথাও কোথাও ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে, যা নির্ধারিত দামের চেয়ে ২৬০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিভিন্ন জেলা থেকে সংগৃহীত এবং গত ৮ অক্টোবর জমা দেওয়া প্রতিবেদনগুলোতে এই বাড়তি দামের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। মানিকগঞ্জে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, বগুড়ায় ১ হাজার ৮২০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা, কুমিল্লায় ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা এবং খুলনায় ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৮৪০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, ফেনীতে ১ হাজার ৮৪০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকা, মাদারীপুরে ১ হাজার ৮৪০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা, রাঙামাটিতে ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮৪০ টাকা, রাজশাহীতে ১ হাজার ৮৪০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, বরিশালে ১ হাজার ৮২০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা, নরসিংদীতে ১ হাজার ৮৪০ টাকা এবং ঝিনাইদহে ১ হাজার ৮৫০ টাকায় সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ার তথ্য মিলেছে। গত ৮ অক্টোবর এসব প্রতিবেদনের তথ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এসব তথ্য থেকে দেখা যায়, একই পণ্যের দাম একেক জেলায় যেমন আলাদা, তেমনি একই জেলার মধ্যেও বিক্রেতাভেদে দামের বড় পার্থক্য রয়েছে। নিয়মিত নজরদারি, সরবরাহ ও মজুদের তথ্য যাচাই এবং একই অপরাধ বারবার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

অতিরিক্ত মুনাফা রোধ ও বাজার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে জরিমানা করা হলেও অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। খুলনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআই ও পুলিশের যৌথ অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় তিনটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা, রংপুরে এক ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মাদারীপুর ও সাতক্ষীরার মতো জেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার তথ্য থাকলেও অনিয়ম থামছে না। প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের দপ্তরও অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে নয়টি প্রতিষ্ঠানকে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। রংপুরে এক ব্যবসায়ীকে একই আইনের ৪০ ধারায় জরিমানা করা হয় ৩ হাজার টাকা। সাতক্ষীরায় সেপ্টেম্বর মাসে দুটি অভিযানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। রাজশাহী, কুমিল্লা, ফেনী ও নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলাতেও বাজার তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. জালাল আহমদ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়। তবে বিশাল এই বাজারের তদারকি করার মতো পর্যাপ্ত জনবল কমিশনের নেই। তিনি বলেন, নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের। বিইআরসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৩ অক্টোবর থেকে বাজার তদারকিতে নামবে এবং ধীরে ধীরে দাম কমে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। শিল্পকারখানায় এলপিজির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় সরবরাহ চেইনে চাপের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, এলপিজি বাজার মূলত কয়েকটি বেসরকারি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাতেগোনা ছয়-সাতটি কোম্পানি সিংহভাগ এলপিজি আমদানি করায় বাজারে তাদের সিদ্ধান্তের বড় প্রভাব পড়ে। এছাড়া ডিলারশিপগুলোও বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় মাঠপর্যায়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত। জ্বালানি বিভাগ এখন এলপিজি খাতে সরকারের অংশীদারত্ব বাড়ানোর এবং ডিলারদের ওপর তদারকি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

এই মূল্য অস্থিরতার কারণে রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। সীমিত আয়ের মানুষের পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাসিক পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, কেবল জরিমানা করে এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থা স্বচ্ছ করা, মজুদ পর্যবেক্ষণ এবং সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ভূমিকা, সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুদ না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।