ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা পুলিশ বল প্রয়োগে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল: আইজিপি ফেনীর ফাজিলপুরবাসীর দাবী আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আমিনকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হোক সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: প্রাধান্য পাচ্ছে জুলাই সনদ একাত্তরের ভূমিকার কারণেই আ. লীগের সমর্থন চায় জামায়াত: রিজভী ইতালির আট শহরে বিক্ষোভ: কঠোর নিরাপত্তা ও ড্রোন নজরদারি কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতি: ৫ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট লন্ডনে দেড় কোটি পাউন্ডের ফ্ল্যাটে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ফেসবুক মন্তব্য, যুবক কারাগারে

ইতালির আট শহরে বিক্ষোভ: কঠোর নিরাপত্তা ও ড্রোন নজরদারি

  • আপডেট সময় : ০২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 5
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইতালিতে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি ও বাসাভাড়ার আকাশচুম্বী দাম এবং বাজেট বরাদ্দ কমানোর প্রতিবাদে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ‘অক্টোবর ১৭ আন্দোলন’ নামের একটি সংগঠনের ডাকে শনিবার গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টায় দেশটির আটটি শহরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানী রোম ও মিলানসহ সংশ্লিষ্ট শহরগুলোতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।

রোম পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিক্ষোভের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে আকাশপথে ড্রোন ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লক্ষ্য হলো, ভিন্নমত বা প্রতিবাদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। মিলানেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। গত সপ্তাহান্তের অস্থিরতার পর শহরটির কেন্দ্রস্থলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, যারা টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

তবে মিলানের মেয়র জুসেপ্পে সালা শহর পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা নাকচ করে দিয়েছেন। রেডিও লোমবার্দিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, গত সপ্তাহের বিক্ষোভের সময় পর্যাপ্ত জনবল ছিল না, তাই এবার নিরাপত্তাকর্মীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সালা জানান, ‘আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ে’, তাই দোকানপাট খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মিলানের কিছু অভিজাত ফ্যাশন শোরুমে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক ব্যবসায়ী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দোকান বন্ধ রেখেছিলেন বা শোকেস থেকে পণ্য সরিয়ে ফেলেছিলেন।

শিক্ষার্থী, ট্রাকচালক ও কৃষকদের এই ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলে জনজীবনে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তারা জননিরাপত্তা রক্ষা এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বদ্ধপরিকর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতালির আট শহরে বিক্ষোভ: কঠোর নিরাপত্তা ও ড্রোন নজরদারি

আপডেট সময় : ০২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ইতালিতে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি ও বাসাভাড়ার আকাশচুম্বী দাম এবং বাজেট বরাদ্দ কমানোর প্রতিবাদে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ‘অক্টোবর ১৭ আন্দোলন’ নামের একটি সংগঠনের ডাকে শনিবার গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টায় দেশটির আটটি শহরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানী রোম ও মিলানসহ সংশ্লিষ্ট শহরগুলোতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।

রোম পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিক্ষোভের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে আকাশপথে ড্রোন ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লক্ষ্য হলো, ভিন্নমত বা প্রতিবাদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। মিলানেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। গত সপ্তাহান্তের অস্থিরতার পর শহরটির কেন্দ্রস্থলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, যারা টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

তবে মিলানের মেয়র জুসেপ্পে সালা শহর পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা নাকচ করে দিয়েছেন। রেডিও লোমবার্দিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, গত সপ্তাহের বিক্ষোভের সময় পর্যাপ্ত জনবল ছিল না, তাই এবার নিরাপত্তাকর্মীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সালা জানান, ‘আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ে’, তাই দোকানপাট খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মিলানের কিছু অভিজাত ফ্যাশন শোরুমে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক ব্যবসায়ী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দোকান বন্ধ রেখেছিলেন বা শোকেস থেকে পণ্য সরিয়ে ফেলেছিলেন।

শিক্ষার্থী, ট্রাকচালক ও কৃষকদের এই ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলে জনজীবনে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তারা জননিরাপত্তা রক্ষা এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বদ্ধপরিকর।