ফেনীর ফাজিলপুরবাসীর দাবী আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আমিনকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হোক
- আপডেট সময় : ০৩:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
ফেনী প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আমিন। স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিত এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলীয় কর্মকাণ্ডে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতির কারণে তাকে ঘিরে ইউনিয়নের ভোটারদের মাঝে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা নিশ্চিত করেছেন।
মাওলানা নুরুল আমিনের জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৬০ সালে। তিনি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। তার রাজনৈতিক পরিচিতির মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব পালনের তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
তিনি ফেনী জেলা ও ফাজিলপুর ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি এবং ওলামা দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততা চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার পরিচিতির অন্যতম ভিত্তি।
ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে সব দিক বিবেচনায় যোগ্যতার দিক থেকে এগিয়ে আছেন মাওলানা নুরুল আমিন। তিনি সাবেক ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।
সাবেক ফেনী জেলা ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে ফেনী জেলা ওলামা দলের সদস্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় আংশিক-ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ওলামা দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন তিনি।
এছাড়াও আলহাজ্ব মাওঃ নুরুল আমিন ফাজিলপুর ছিদ্দিক আকবর (রাঃ) ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল, শিবপুর আল-আমিন মার্কেট হিফজুল কোরআন, এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা, ফাজিলপুর ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিন এর উপদেষ্টা ছিলেন। মরহুম চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের ভাই পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের-সাবেক অতিরিক্ত সচিব-ছাইদুজ্জমানেরও আস্থাভাজন তিনি।
তিনি বিভিন্ন-সামাজিক সংগঠন, মসজিদ, মক্তব, স্কুল-কলেজের উন্নয়নের সাথে জড়িত আছেন। সর্বোপরি তিনি একজন সুশিক্ষিত আলেম। তিনি কওমী শিক্ষায় দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সম্পন্ন করেছেন। মেধা, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, ন্যায়- পরায়ণতা, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে ইউনিয়নের বেশিরভাগ লোকের সাথে তার সুসম্পর্ক আছে। এলাকার বেশিরভাগ ভোটার ও সুশীল সমাজ মনে করেন তার মাধ্যমেই ফাজিলপুরকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তাই সর্বস্তরের জনগণের প্রত্যাশা দলীয় মনোয়ন যেন তাকেই দেয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, জন্মনিবন্ধন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নাগরিক সেবা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রার্থীর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সততা, জনসম্পৃক্ততা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনাও বিবেচনায় আসবে।
ফাজিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাওলানা নুরুল আমিনের নাম আলোচনায় থাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তার জনপ্রিয়তা, সমর্থনের ব্যাপ্তি এবং নির্বাচনী অবস্থান মূল্যায়নের জন্য স্থানীয় ভোটাররা তার পক্ষে মতামত ও ব্যাপক সমর্থন ব্যক্ত করেন।
জনপ্রত্যাশা উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিতে মাওঃ নুরুল আমিনকেই এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান করা হোক এমন দাবী ভোটার ও সচেতন মানুষের।
একজন জনপ্রতিনিধির কাছে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা থাকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, ন্যায়বিচার এবং দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য সমান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা। চেয়ারম্যান পদে যিনিই প্রার্থী হোন, ফাজিলপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আমিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তার ভবিষ্যৎ নির্বাচনী পরিকল্পনা, এলাকার উন্নয়ন ভাবনা এবং জনসেবার অঙ্গীকার ভোটারদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।
তবে তিনি চূড়ান্তভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবেন কি না, দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন পাবেন কি না এবং দলের সমর্থন না পেলে তিনি নির্বাচন করবেন কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়।aa























