চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১০:২০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে চার দিনের সরকারি সফরে আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জাপানের টোকিও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রাত ১২টা ১০ মিনিটে তাঁর ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জাপানি প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তিনি। এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য প্রদান এবং দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সময় কাটবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান বহিঃবাণিজ্য সংস্থা (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নই এই আলোচনার মূল কেন্দ্রে থাকবে। এছাড়া চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টিও এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
ঢাকার বড় অবকাঠামো প্রকল্পের অর্থায়ন ও কৌশলগত অংশীদারত্বের বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য এই সফর গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫ প্রকল্পের ব্যয় যথাক্রমে ৮৩ ও ১১৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন, শর্ত ও কারিগরি সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কর্মসূচিতে চিবা অঞ্চলে একটি এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নাগোয়ায় টয়োটা গাড়ির কারখানা পরিদর্শনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসবে। এছাড়া কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণের মতো খাতে সমঝোতা স্মারক সই অথবা সহযোগিতার ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেও বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

























