ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় শুরু হলো তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক সৌদির জন্য বড় হুমকি যেভাবে হয়ে উঠল হুথি গোষ্ঠী জাপানের মৈত্রী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ নির্দেশ পেলেই ৯৬ ঘণ্টায় ইরানে বড় হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের সিরাজগঞ্জে ১৬ বছর ধরে সংসার করছে বট ও পাকুড়গাছ চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বজুড়ে নতুন রুটের হিড়িক, বাড়ছে বিমানভাড়ার শঙ্কা ব্যঙ্গাত্মক কমেডি ঘরানা ছাড়ছেন সাচা ব্যারন কোহেন মিশিগানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ‘জিহাদি’ বললেন ট্রাম্প

ঢাকায় শুরু হলো তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার

  • আপডেট সময় : ০২:৫২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী অষ্টম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার-২০২৬। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বিমান চলাচল খাতে আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ ও ভবিষ্যৎ উপযোগী নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর আলোকপাত করা হচ্ছে। সেমিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, যিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৮ অক্টোবর এ সেমিনার শেষ হবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, বর্তমানে প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বিমান চলাচল খাতে যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তেমনি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও বাড়ছে। এসব প্রতিকূলতা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং কার্যকর নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। তিনি ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রমের সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজনের ফলে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়।

এবারের সেমিনারের প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রম: ভবিষ্যৎ উপযোগী নিরাপত্তাবোধ গড়ে তোলা’। সেমিনারের বিভিন্ন অধিবেশনে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মানব-প্রযুক্তির সমন্বয় এবং উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে নিরাপদ ও টেকসই বিমান চলাচল নিশ্চিত করার কৌশলগুলো নিয়ে মতবিনিময় করছেন।

সেমিনারে ব্রাজিল, চীন, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জর্ডান, মরক্কো, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, কুয়েত, রাশিয়া, সুদান, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জিম্বাবুয়সহ বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার সদস্যরাও এতে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন উড়োজাহাজ সংস্থা এবং ফ্লাইং একাডেমির প্রতিনিধিরা সেমিনারের কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকায় শুরু হলো তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার

আপডেট সময় : ০২:৫২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী অষ্টম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার-২০২৬। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বিমান চলাচল খাতে আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ ও ভবিষ্যৎ উপযোগী নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর আলোকপাত করা হচ্ছে। সেমিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, যিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৮ অক্টোবর এ সেমিনার শেষ হবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, বর্তমানে প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বিমান চলাচল খাতে যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তেমনি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও বাড়ছে। এসব প্রতিকূলতা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং কার্যকর নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। তিনি ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রমের সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজনের ফলে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়।

এবারের সেমিনারের প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রম: ভবিষ্যৎ উপযোগী নিরাপত্তাবোধ গড়ে তোলা’। সেমিনারের বিভিন্ন অধিবেশনে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মানব-প্রযুক্তির সমন্বয় এবং উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে নিরাপদ ও টেকসই বিমান চলাচল নিশ্চিত করার কৌশলগুলো নিয়ে মতবিনিময় করছেন।

সেমিনারে ব্রাজিল, চীন, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জর্ডান, মরক্কো, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, কুয়েত, রাশিয়া, সুদান, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জিম্বাবুয়সহ বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার সদস্যরাও এতে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন উড়োজাহাজ সংস্থা এবং ফ্লাইং একাডেমির প্রতিনিধিরা সেমিনারের কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।