ভোলায় অনুষ্ঠিত কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬
- আপডেট সময় : ০৪:৫৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
- / 7
শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই, প্রতিভা বিকাশ এবং পড়ালেখায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ভোলায় আয়োজিত হয়েছে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬। গত শুক্রবার সকালে জেলার দুটি নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৭টি হলে একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ভোলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে।
ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজকে পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের পদচারণায় মুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় এক ধরণের উৎসবমুখর আমেজ লক্ষ্য করা যায়। কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন এবং নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। তারা পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন।
কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতি দেওয়া। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করাই আয়োজকদের প্রধান উদ্দেশ্য। পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও সামর্থ্য সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়ার সুযোগ পায়, যা তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করে বলে জানান অংশগ্রহণকারীরা।
অভিভাবকদের মতে, শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায় বৃদ্ধিতে এ ধরণের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে বড় পরিসরে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথ বিকাশের পাশাপাশি তাদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখাই এই উদ্যোগের মূল দর্শন। জ্ঞান, নৈতিকতা ও যোগ্যতায় সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কিশোরকণ্ঠের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

























