ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজার শিশুদের সহায়তায় এক লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করলেন হামজা চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের আগেই ইরানি হামলার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা পাবনায় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে দুই নেতাকে মৃত্যুর ঘটনায় পাবনায় গরুর হাটের ইজারাদার ও তার ভাগ্নেকে লক্ষ্য করে গুলি দেশজুড়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে কঠোর নীতিমালা জারি অনুমোদন জটিলতায় ১ নভেম্বরে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ তিনটি আইন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আইনমন্ত্রীকে অ্যামনেস্টির চিঠি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নারিতায় আটকা প্রধানমন্ত্রীর বিমান নালিতাবাড়ীতে ৩ কোটির পিসি গার্ডার ব্রিজের উদ্বোধন করলেন এমপি ফাহিম

পাবনায় গরুর হাটের ইজারাদার ও তার ভাগ্নেকে লক্ষ্য করে গুলি

  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া গরুর হাটের দখল ও ইজারা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতরা হলেন পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার হাজী আব্দুস সালাম (৫৫) এবং তার ভাগ্নে মো. রিপন হোসেন (৩৭)। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাটের ভেতরে অবস্থিত ইজারাদারের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত রিপন হোসেন আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি এবং পাবনা সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তাদের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার ধর্মগ্রাম গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আব্দুস সালাম ও রিপন হোসেন হাটের টিনশেড সেমিপাকা কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। এসময় একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত অতর্কিতে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে দুজনেই বুকে গুলিবিদ্ধ হন। দুর্বৃত্তরা ঘটনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এরপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হাটের আধিপত্য বিস্তার ও ইজারাসংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশরাফ জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশ মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও দোষীদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে জোরালো তদন্ত চলছে এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

উল্লেখ্য যে, পুষ্পপাড়া এই হাটে অতীতেও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালের ৩১ মে রাতে একই স্থানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের চার কর্মী সুলতান, ফজলু, সালাম ও রফিকুল নিহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং একজন পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দীর্ঘ সময় পর আবারও এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় গরুর হাটের ইজারাদার ও তার ভাগ্নেকে লক্ষ্য করে গুলি

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া গরুর হাটের দখল ও ইজারা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতরা হলেন পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার হাজী আব্দুস সালাম (৫৫) এবং তার ভাগ্নে মো. রিপন হোসেন (৩৭)। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাটের ভেতরে অবস্থিত ইজারাদারের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত রিপন হোসেন আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি এবং পাবনা সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তাদের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার ধর্মগ্রাম গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আব্দুস সালাম ও রিপন হোসেন হাটের টিনশেড সেমিপাকা কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। এসময় একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত অতর্কিতে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে দুজনেই বুকে গুলিবিদ্ধ হন। দুর্বৃত্তরা ঘটনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এরপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হাটের আধিপত্য বিস্তার ও ইজারাসংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশরাফ জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশ মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও দোষীদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে জোরালো তদন্ত চলছে এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

উল্লেখ্য যে, পুষ্পপাড়া এই হাটে অতীতেও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালের ৩১ মে রাতে একই স্থানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের চার কর্মী সুলতান, ফজলু, সালাম ও রফিকুল নিহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং একজন পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দীর্ঘ সময় পর আবারও এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।