ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গাজীপুরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে আগুন জীবনযাত্রার ব্যয় ও শিক্ষাসংকট নিয়ে ফের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ: মোতায়েন ৫ প্লাটুন বিজিবি যুবসমাজই দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ ডব্লিউটিসি ফাইনাল খেলতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ ইসরায়েলে ক্ষমতা ভাগাভাগির গুঞ্জনে তোলপাড়, নাকচ করল রাষ্ট্রপতির কার্যালয় তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে আগুন

  • আপডেট সময় : ০১:২৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের পোশাকশিল্পাঞ্চল আবারো উত্তাল হয়ে উঠেছে। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় শত শত শ্রমিক কাজে যোগ না দিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। আন্দোলনরত শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করলে এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকরা সড়কের পাশে থাকা একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরেই কোনাবাড়ীর বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ট্রাফিক পুলিশ বক্স ছাড়াও শ্রমিকরা বিভিন্ন যানবাহন ভাঙচুর করেছেন এবং আশেপাশের দোকানপাট লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় অনেক কারখানা কর্তৃপক্ষ আজকের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোনাবাড়ী জোনের ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতির মধ্যেই শ্রমিকরা চড়াও হয় এবং ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেয়। গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন, শ্রমিকদের বেতন দাবির বিষয়টি নিয়ে সকাল থেকেই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিজিবিও নামানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত এই অসন্তোষ দ্রুত নিরসনে সরকার, কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অত্যন্ত জরুরি। আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান না পাওয়া গেলে দেশের শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবিকা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে আগুন

আপডেট সময় : ০১:২৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের পোশাকশিল্পাঞ্চল আবারো উত্তাল হয়ে উঠেছে। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় শত শত শ্রমিক কাজে যোগ না দিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। আন্দোলনরত শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করলে এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকরা সড়কের পাশে থাকা একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরেই কোনাবাড়ীর বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ট্রাফিক পুলিশ বক্স ছাড়াও শ্রমিকরা বিভিন্ন যানবাহন ভাঙচুর করেছেন এবং আশেপাশের দোকানপাট লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় অনেক কারখানা কর্তৃপক্ষ আজকের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোনাবাড়ী জোনের ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতির মধ্যেই শ্রমিকরা চড়াও হয় এবং ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেয়। গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন, শ্রমিকদের বেতন দাবির বিষয়টি নিয়ে সকাল থেকেই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিজিবিও নামানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত এই অসন্তোষ দ্রুত নিরসনে সরকার, কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অত্যন্ত জরুরি। আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান না পাওয়া গেলে দেশের শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবিকা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।