ইরাদ সিদ্দিকী রিমান্ড শেষে কারাগারে

চার দিনের রিমান্ড শেষে চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম জাকির হোসেন টিপু এ আদেশ দেন।

এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে এই আসামির গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরও আগে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ গত ২২ ফেব্রুয়ারি এ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ইরাদ সিদ্দিকী তার ফেসবুকে বলেন, “শেখ হাসিনাকে গুপ্তহত্যা সম্ভব নয় কারণ শেখ হাসিনার চারিদিকে ভারতে বিশেষ নিরাপত্তার চাদর রয়েছে। ভারতীয়রা সরাসরি শেখ হাসিনার নিরাপত্তার বিধান করছে। কারণ শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থেরই প্রতিনিধিত্ব করছেন। শেখ হাসিনাকে গুপ্তহত্যা ছাড়া বাংলাদেশে ভারসাম্য ও গণতন্ত্র ফেরানো সম্ভব নয়।”

একইদিন রাতে অারেকটি স্ট্যাটাসে একটি ছবি পোষ্ট করেন। সেখানে একটি ঘোড়ার ছবি পোস্ট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর পিতাকে বলিয়াদির জমিদারের ঘোড়ার ভৃত্য বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে আরেকটি স্ট্যাটাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবির নিচে মধ্যম আঙ্গুলি প্রদর্শন করে ট্রল করে পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেন, “ভাস্কর্য হাজারো শর্বের প্রতিনিধিত্ব করে।”

অভিযোগে গত বছর অক্টোবর মাসে রাজধানীর কোতয়ালী থানায় এ মামলা করা হয়। এছাড়া একই অভিযোগে ঢাকা সিএমএম আদালতে ২টি এবং গাজীপুর ও বগুড়ায় একটি করে মামলা হয়।