ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় আহত আরও এক ভারতীয়র প্রয়াণ ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে মৃত্যুর ঘটনায়

নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলর হলেন নায়িকা পূর্ণিমার বোন

  • আপডেট সময় : ০৭:০০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১
  • / 211
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মঈন উদ্দীন মিয়া, নিউইয়র্ক প্রতিনিধিঃ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শাহানা হানিফ। শাহানার পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি। তিনি সম্পর্কে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমার ফুফাতো বোন। বিষয়টি জাগো নিউজকে অভিনেত্রী পূর্ণিমা নিশ্চিত করেছেন। সেই সঙ্গে বোনের এই জয়ে আনন্দ প্রকাশ করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) নিউইয়র্ক সিটিতে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আজ বুধবার দেয়া হয় ফল। সেখানে জানা যায়, বিপুল ভোটে জিতেছেন শাহানা। প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নিউইয়র্কের সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

শাহানা হানিফ ব্রুকলিনের নির্বাচনী এলাকা ডিস্ট্রিক্ট-৩৯ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৫২ ভোট পেয়ে, যা মোট ভোটের ৮৯.৩ শতাংশ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী ব্রেট ওয়েনকফ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৫২২ ভোট, যা মোট ভোটের ৮ শতাংশ।

পূর্ণিমা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শাহানার জয় আমাদের পরিবারের জন্য অনেক গর্বের একটি বিষয়। অনেক আগে থেকেই সে এর সঙ্গে জড়িত ছিল। এ জন্য অনেক স্ট্রাগলও করেছে। অবশেষে সে এর ফল পেয়েছে। খুব কম বয়সে সে এটা অর্জন করেছে। ওর জন্য দোয়া করবেন সবাই।’

পূর্ণিমা আরও জানান, শাহানা হানিফের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রেই। সর্বশেষ ২০১৬ সালে শাহানা বাংলাদেশে এসেছিলেন। তার এই আসা ছিল মূলত বাংলা শিখতেই। আদর্শলিপি কিনে শিক্ষক রেখে প্রায় ৮-৯ মাস ধরে তিনি বাংলা শেখেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালি কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতেই দেশে এসে এত পরিশ্রম করে বাংলা শিখে যান তিনি। এবার তারই ফল পেলেন। বাঙালিরা তাকে আপন ভেবে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলর হলেন নায়িকা পূর্ণিমার বোন

আপডেট সময় : ০৭:০০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

মঈন উদ্দীন মিয়া, নিউইয়র্ক প্রতিনিধিঃ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শাহানা হানিফ। শাহানার পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি। তিনি সম্পর্কে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমার ফুফাতো বোন। বিষয়টি জাগো নিউজকে অভিনেত্রী পূর্ণিমা নিশ্চিত করেছেন। সেই সঙ্গে বোনের এই জয়ে আনন্দ প্রকাশ করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) নিউইয়র্ক সিটিতে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আজ বুধবার দেয়া হয় ফল। সেখানে জানা যায়, বিপুল ভোটে জিতেছেন শাহানা। প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নিউইয়র্কের সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

শাহানা হানিফ ব্রুকলিনের নির্বাচনী এলাকা ডিস্ট্রিক্ট-৩৯ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৫২ ভোট পেয়ে, যা মোট ভোটের ৮৯.৩ শতাংশ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী ব্রেট ওয়েনকফ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৫২২ ভোট, যা মোট ভোটের ৮ শতাংশ।

পূর্ণিমা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শাহানার জয় আমাদের পরিবারের জন্য অনেক গর্বের একটি বিষয়। অনেক আগে থেকেই সে এর সঙ্গে জড়িত ছিল। এ জন্য অনেক স্ট্রাগলও করেছে। অবশেষে সে এর ফল পেয়েছে। খুব কম বয়সে সে এটা অর্জন করেছে। ওর জন্য দোয়া করবেন সবাই।’

পূর্ণিমা আরও জানান, শাহানা হানিফের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রেই। সর্বশেষ ২০১৬ সালে শাহানা বাংলাদেশে এসেছিলেন। তার এই আসা ছিল মূলত বাংলা শিখতেই। আদর্শলিপি কিনে শিক্ষক রেখে প্রায় ৮-৯ মাস ধরে তিনি বাংলা শেখেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালি কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতেই দেশে এসে এত পরিশ্রম করে বাংলা শিখে যান তিনি। এবার তারই ফল পেলেন। বাঙালিরা তাকে আপন ভেবে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেছে।