ইরানের সঙ্গে সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অস্ত্র
- আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 2
পেন্টাগনের সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত চলা চার মাসের সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক ও জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান ও তাদের মিত্রদের লাগাতার হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শত শত অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এই সংঘাতে সরাসরি ১১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং চার শতাধিক সেনা আহত হয়েছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি এফ-১৫ই ও এফ-৩৫এ স্টিলথ যুদ্ধবিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়েছে।
সামরিক ব্যয় ও সরঞ্জামের সংকট
- প্রতিরক্ষা বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চার মাসের এই যুদ্ধে শুধু অস্ত্র বাবদ প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে এবং মোট যুদ্ধের খরচ ছাড়িয়েছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার।
- প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দেশটির অস্ত্রভাণ্ডার অফুরন্ত বলে দাবি করলেও, প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে অস্ত্র ঘাটতি এবং সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের সংকট তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব
শুধু সামরিক ঘাঁটি নয়, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতেও বারবার হামলা চালানো হয়েছে। এসব কূটনৈতিক স্থাপনা মেরামত ও সুরক্ষায় অতিরিক্ত প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। এদিকে চলমান এই সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি এখন প্রায় বন্ধ রয়েছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতি মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধরনের কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

























