ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭
  • / 315
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সফল ভাবে এমডিজি অর্জন করে পুরষ্কৃত হয়েছে। এসডিজি অর্জনে সফল ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে । ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করতে সক্ষম হবে।

মন্ত্রী মঙ্গলবার জেনেভায় অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ গ্লোবাল রিভিউ অফ এইড ফর ট্রেড-২০১৭ এর “এইড এন্ড ইনক্লুসিভ ট্রেড: ফাইনেন্সিং ট্রেড কানেকটিভিটি এন্ড দি এসডিজি’স শীর্ষক হাই লেভেল বিষয় ভিত্তিক সেশনে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর এবং এলডিসি ভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্য সমক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বানিজ্য সম্পর্কিত সকল সংস্থাকে একত্রিত করে পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুেদ্ধর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে শুণ্য হাতে যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৯০ সালে গড়ে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ শতাংশের কম, ২০১০ থেকে ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬.৪ শতাংশে। চলতি অর্থ বছরে এ প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২৪ ভাগ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফল বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে এসডিজি অর্জনের পথ সুগম হবে। এতে বাংলাদেশের দারিদ্র বিমোচন, নারী-পুরুষের সমতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ এসডিজি অর্জনের খাত গুলো দ্রুত এগিয়ে যাবে। আরো দুইটি অর্থাৎ ৮ম এবং ৯ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফল বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চাহিদার ৬ ভাগের বেশি তৈরী পোশাক রপ্তানি করে বিশে^র মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানি কারক দেশের স্থান দখল করে আছে। রপ্তানির অন্যান্য সম্ভাবনাময় সেক্টরগুলো হলো তথ্য প্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ, ঔষধ, সিরামিক, ফার্নিচার ও ইলেক্ট্রনিক্স। কৃষি খাতেও বিপুল সম্ভবনা রয়েছে। হিমায়িত ও সামদ্রিক মাছ রপ্তানিতে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম। সেবা খাতেও বাংলাদেশ বিদেশে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে, বর্তমানে রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।কেদ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৪.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ এখন দেশের বড় বড় প্রকল্প নিজ অর্থায়নে বাস্তবায়নে সক্ষম। বাসস।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সফল ভাবে এমডিজি অর্জন করে পুরষ্কৃত হয়েছে। এসডিজি অর্জনে সফল ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে । ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করতে সক্ষম হবে।

মন্ত্রী মঙ্গলবার জেনেভায় অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ গ্লোবাল রিভিউ অফ এইড ফর ট্রেড-২০১৭ এর “এইড এন্ড ইনক্লুসিভ ট্রেড: ফাইনেন্সিং ট্রেড কানেকটিভিটি এন্ড দি এসডিজি’স শীর্ষক হাই লেভেল বিষয় ভিত্তিক সেশনে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর এবং এলডিসি ভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্য সমক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বানিজ্য সম্পর্কিত সকল সংস্থাকে একত্রিত করে পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুেদ্ধর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে শুণ্য হাতে যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৯০ সালে গড়ে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ শতাংশের কম, ২০১০ থেকে ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬.৪ শতাংশে। চলতি অর্থ বছরে এ প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২৪ ভাগ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফল বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে এসডিজি অর্জনের পথ সুগম হবে। এতে বাংলাদেশের দারিদ্র বিমোচন, নারী-পুরুষের সমতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ এসডিজি অর্জনের খাত গুলো দ্রুত এগিয়ে যাবে। আরো দুইটি অর্থাৎ ৮ম এবং ৯ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফল বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চাহিদার ৬ ভাগের বেশি তৈরী পোশাক রপ্তানি করে বিশে^র মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানি কারক দেশের স্থান দখল করে আছে। রপ্তানির অন্যান্য সম্ভাবনাময় সেক্টরগুলো হলো তথ্য প্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ, ঔষধ, সিরামিক, ফার্নিচার ও ইলেক্ট্রনিক্স। কৃষি খাতেও বিপুল সম্ভবনা রয়েছে। হিমায়িত ও সামদ্রিক মাছ রপ্তানিতে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম। সেবা খাতেও বাংলাদেশ বিদেশে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে, বর্তমানে রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।কেদ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৪.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ এখন দেশের বড় বড় প্রকল্প নিজ অর্থায়নে বাস্তবায়নে সক্ষম। বাসস।