ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

কক্সবাজারে সড়ক বিভাগের জমিতে ইয়াবা ব্যবসায়ীর বহুতল ভবন

  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / 356
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ  কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খরুলিয়া এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি অবৈধ দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে জুহুর আলম নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ী। ভবন নিমার্ণে নেওয়া হয়নি কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ বা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও।

ফলে ইমারত নির্মাণ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অবৈধ ভাবে সড়ক বিভাগের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণ নিয়ে এলাকাবাসির মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
সরজমিনে দেখা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূব খরুলিয়া নাপিত পাড়া এলাকায় মহা-সড়কের ব্রিজের পানি চলাচলের মূখ বন্ধ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খালী জায়গায় ঘর নির্মাণ করে যাচ্ছে এ ইয়াবা ব্যবসায়ী। সে পূব খরুলিয়া কোণার পাড়া এলাকার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে।
জুহুর আলম নামের এ ব্যক্তি প্রকাশ্যে সড়কের পাশে অবৈধ ভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসলেও কোন ধরনের বন্ধের উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা জানান,পর্ব খরুলিয়া কোণার পাড়ার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে জুহুর আলম দীর্ঘদিন ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। উক্ত ইয়াবা ব্যবসার টাকার জোরে ইমারত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে অবৈধ ভাবে ঘর নির্মাণ করছে। আমরা এই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় এনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল মুক্ত করার জন্য সরকারের  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরদাবী জানাচ্ছি।
এদিকে অভিযুক্ত জুহুর আলম জানান, দীর্ঘদিন জায়গাটি তাদের দখলে রয়েছে। তাই উক্ত জায়গায় ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিলনা তাই কারও কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। সড়ক বিভাগ থেকে অনুমতি নেওয়ার দাবীও করেন তিনি।
কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়–য়া জানান, সড়ক বিভাগের জায়গার উপর ঘর নির্মাণ করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ নির্মিত ঘর গুড়িয়ে দেয়া হবে।

অন্যদিকে, কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর চেয়ারম্যান লেঃ কর্ণেল ফোরকান আহম্মদ বলেন, কেউ যদি ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে স্থাপনা নির্মাণ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া পাশাপাশি স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজারে সড়ক বিভাগের জমিতে ইয়াবা ব্যবসায়ীর বহুতল ভবন

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ  কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খরুলিয়া এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি অবৈধ দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে জুহুর আলম নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ী। ভবন নিমার্ণে নেওয়া হয়নি কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ বা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও।

ফলে ইমারত নির্মাণ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অবৈধ ভাবে সড়ক বিভাগের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণ নিয়ে এলাকাবাসির মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
সরজমিনে দেখা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূব খরুলিয়া নাপিত পাড়া এলাকায় মহা-সড়কের ব্রিজের পানি চলাচলের মূখ বন্ধ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খালী জায়গায় ঘর নির্মাণ করে যাচ্ছে এ ইয়াবা ব্যবসায়ী। সে পূব খরুলিয়া কোণার পাড়া এলাকার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে।
জুহুর আলম নামের এ ব্যক্তি প্রকাশ্যে সড়কের পাশে অবৈধ ভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসলেও কোন ধরনের বন্ধের উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা জানান,পর্ব খরুলিয়া কোণার পাড়ার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে জুহুর আলম দীর্ঘদিন ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। উক্ত ইয়াবা ব্যবসার টাকার জোরে ইমারত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে অবৈধ ভাবে ঘর নির্মাণ করছে। আমরা এই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় এনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল মুক্ত করার জন্য সরকারের  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরদাবী জানাচ্ছি।
এদিকে অভিযুক্ত জুহুর আলম জানান, দীর্ঘদিন জায়গাটি তাদের দখলে রয়েছে। তাই উক্ত জায়গায় ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিলনা তাই কারও কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। সড়ক বিভাগ থেকে অনুমতি নেওয়ার দাবীও করেন তিনি।
কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়–য়া জানান, সড়ক বিভাগের জায়গার উপর ঘর নির্মাণ করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ নির্মিত ঘর গুড়িয়ে দেয়া হবে।

অন্যদিকে, কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর চেয়ারম্যান লেঃ কর্ণেল ফোরকান আহম্মদ বলেন, কেউ যদি ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে স্থাপনা নির্মাণ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া পাশাপাশি স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হবে।