ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবিবাহিতদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি ও মৃত্যুর হার বেশি তথ্য ফাঁসকারীদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত: ট্রাম্প মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজে জড়িত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৪ জেলে কারাগারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী

কাদের নাম গিয়েছিল সার্চ কমিটিতে জানতেন না এরশাদ

  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 359
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্ক নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির তৈরি করে দেওয়া সার্চ কমিটিকে জাতীয় পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাদের নাম প্রস্তাব করেছিল তা জানতেন না দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।

বৃহস্পতিবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি, জেলা কমিটি ও উপজেলা কমিটির যৌথ সভায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, ‘কে এম নুরুল হুদা সিইসি হয়েছেন। খবরের কাগজে এসেছে, ওনার নাম নাকি জাতীয় পার্টি প্রস্তাব করেছিল। আমি জানি না, এটা সত্য না মিথ্যা। প্রচার হয়েছে, জাতীয় পার্টির লিস্টে ওনার নামটা ছিল। আমরা খুশি হয়েছি, আমাদের লিস্ট থেকে একজন সিইসি হয়েছেন।’

‘তবে এটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই’, যোগ করেন এরশাদ।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নবগঠিত ইসির নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হন খান মোহাম্মদ নুরুল হুদা। ওই রাতেই এনটিভির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিইসি হিসেবে নুরুল হুদার নাম সার্চ কমিটির কাছে প্রস্তাব করছিল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-মোজাফফর)। পাশাপাশি জাতীয় পার্টির ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রস্তাবিত তালিকায়ও তাঁর নাম ছিল।

অনুষ্ঠানে এইচ এম এরশাদ আরো বলেন, ‘সৈনিক হওয়া সহজ, জীবন দেওয়া সহজ কিন্তু রাজনীতিবিদ হওয়া সহজ কাজ নয়। জাতীয় পার্টি একমাত্র শক্তি যারা দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।’

একই অনুষ্ঠানে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, দলীয় কর্মীদের দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করতে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হবে। নড়া-চড়া করা যাবে না। না পার্টিতে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।

সভায় ২২ মার্চ উপনির্বাচনের দলীয় প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কাদের নাম গিয়েছিল সার্চ কমিটিতে জানতেন না এরশাদ

আপডেট সময় : ০৩:৩০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বিডিসংবাদ ডেস্ক নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির তৈরি করে দেওয়া সার্চ কমিটিকে জাতীয় পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাদের নাম প্রস্তাব করেছিল তা জানতেন না দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।

বৃহস্পতিবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি, জেলা কমিটি ও উপজেলা কমিটির যৌথ সভায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, ‘কে এম নুরুল হুদা সিইসি হয়েছেন। খবরের কাগজে এসেছে, ওনার নাম নাকি জাতীয় পার্টি প্রস্তাব করেছিল। আমি জানি না, এটা সত্য না মিথ্যা। প্রচার হয়েছে, জাতীয় পার্টির লিস্টে ওনার নামটা ছিল। আমরা খুশি হয়েছি, আমাদের লিস্ট থেকে একজন সিইসি হয়েছেন।’

‘তবে এটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই’, যোগ করেন এরশাদ।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নবগঠিত ইসির নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হন খান মোহাম্মদ নুরুল হুদা। ওই রাতেই এনটিভির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিইসি হিসেবে নুরুল হুদার নাম সার্চ কমিটির কাছে প্রস্তাব করছিল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-মোজাফফর)। পাশাপাশি জাতীয় পার্টির ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রস্তাবিত তালিকায়ও তাঁর নাম ছিল।

অনুষ্ঠানে এইচ এম এরশাদ আরো বলেন, ‘সৈনিক হওয়া সহজ, জীবন দেওয়া সহজ কিন্তু রাজনীতিবিদ হওয়া সহজ কাজ নয়। জাতীয় পার্টি একমাত্র শক্তি যারা দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।’

একই অনুষ্ঠানে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, দলীয় কর্মীদের দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করতে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হবে। নড়া-চড়া করা যাবে না। না পার্টিতে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।

সভায় ২২ মার্চ উপনির্বাচনের দলীয় প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।