ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে সৎ পিতার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 208
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১৪ বছরের এক কিশোরিকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় সৎ পিতা মোতাহারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪।

একই সঙ্গে তার এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ঢাকার কেরানীগঞ্জের মৃত রিফাজের পুত্র মো. মোতাহার (৪১)। তার স্থায়ী ঠিকানা বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার আটমূল ইউনিয়নের কুড়াহার গ্রামে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. মোতাহার ভুক্তভোগী নারীর সৎ পিতা। ভুক্তভোগীর মা রোকসানার সঙ্গে আসামি মোতাহারের দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে তিনি তার মা ও সৎ পিতার সঙ্গে একত্রে বসবাস করতেন। আলাদা ঘরের ব্যবস্থা না থাকায়, সবাই একই ঘরে থাকতেন। সৎ বাবা মোতাহার বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন, তবে ভুক্তভোগী তাতে রাজি হননি।

পরে ২০২১ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক ১০টায় আসামি মোতাহার ভুক্তভোগীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের সময় তিনি ভিকটিমকে হুমকি দেন যে, ঘটনা কাউকে জানালে তাকে হত্যা করবেন। ফলে ভুক্তভোগী প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানাননি। পরবর্তীতে ২২ সেপ্টেম্বর আসামি পুনরায় ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন আসামি মোতাহার।

এ ঘটনার পর একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর মা।

মামলার পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়ার পর আসামি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবুল হাসান।

এ মামলার বিচার চলাকালে মোট ৮ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে সৎ পিতার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১৪ বছরের এক কিশোরিকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় সৎ পিতা মোতাহারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪।

একই সঙ্গে তার এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ঢাকার কেরানীগঞ্জের মৃত রিফাজের পুত্র মো. মোতাহার (৪১)। তার স্থায়ী ঠিকানা বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার আটমূল ইউনিয়নের কুড়াহার গ্রামে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. মোতাহার ভুক্তভোগী নারীর সৎ পিতা। ভুক্তভোগীর মা রোকসানার সঙ্গে আসামি মোতাহারের দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে তিনি তার মা ও সৎ পিতার সঙ্গে একত্রে বসবাস করতেন। আলাদা ঘরের ব্যবস্থা না থাকায়, সবাই একই ঘরে থাকতেন। সৎ বাবা মোতাহার বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন, তবে ভুক্তভোগী তাতে রাজি হননি।

পরে ২০২১ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক ১০টায় আসামি মোতাহার ভুক্তভোগীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের সময় তিনি ভিকটিমকে হুমকি দেন যে, ঘটনা কাউকে জানালে তাকে হত্যা করবেন। ফলে ভুক্তভোগী প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানাননি। পরবর্তীতে ২২ সেপ্টেম্বর আসামি পুনরায় ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন আসামি মোতাহার।

এ ঘটনার পর একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর মা।

মামলার পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়ার পর আসামি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবুল হাসান।

এ মামলার বিচার চলাকালে মোট ৮ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
বিডিসংবাদ/এএইচএস