স্মৃতি আর গানে মুখর ছিল সারাটা দিন
কেরানীগঞ্জে ঢামেক কে-২৯ ব্যাচের বর্ণাঢ্য বার্ষিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ১১:২১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
- / 234
বিডিসংবাদ প্রতিবেদকঃ
যান্ত্রিক শহরের কোলাহল ছেড়ে খোলামেলা প্রকৃতির সান্নিধ্যে দিনভর আড্ডা, গান আর স্মৃতিচারণে মেতেছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-২৯ (১৯৭০) ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

‘কে-২৯ ফাউন্ডেশন’-এর আয়োজনে আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কেরানীগঞ্জের শরীফ হাউজিং ড্রিম পার্ক এন্ড ফুড কোর্টে অনুষ্ঠিত হলো এই ব্যাচের জাঁকজমকপূর্ণ ‘বার্ষিক মিলনমেলা’।

সকাল থেকেই উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মিলনমেলা প্রাঙ্গণ। দীর্ঘ ৫৬ বছরের পুরনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রবীণ চিকিৎসকরা। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কুশল বিনিময় আর ফেলে আসা ক্যাম্পাসের সোনালি দিনের স্মৃতিচারণে কেটে যায় অনেকটা সময়।

দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সফল বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন ব্যাচেরই প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং শমরিতা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ডা. এ বি এম হারুন। তার নিপুণ তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত। সহপাঠীদের একত্রিত করা থেকে শুরু করে আয়োজনের প্রতিটি ধাপে তার আন্তরিক প্রচেষ্টা উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়ায়।


মিলনমেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সঙ্গীত অনুষ্ঠান। গানের সুরে আর ছন্দে চিকিৎসকরা খুঁজে পান তারুণ্যের উদ্দীপনা। সুরের মূর্ছনার পাশাপাশি ছিল সুস্বাদু খাবারের আয়োজন। দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাস্তার ফাঁকে ফাঁকে চলে হাসি-ঠাট্টা আর খুনসুটি।

অনুষ্ঠানের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে আয়োজন করা হয় বিশেষ ‘রেফেল ড্র’। টানটান উত্তেজনার এই পর্বটি সবাই দারুণ উপভোগ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ‘শরীফ মেলামাইন’-এর সৌজন্যে দেওয়া বিশেষ উপহার সামগ্রী। উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের হাতে এই শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়।

সকাল থেকে শুরু হওয়া আনন্দঘন এই মিলনমেলা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। পড়ন্ত বিকেলে অনুষ্ঠান শেষ হলে এক বুক স্মৃতি আর তৃপ্তি নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান চিকিৎসকরা। বিদায়বেলায় সবার কন্ঠেই ছিল আগামীতে আবারও এমন সুন্দর কোনো দিনে একত্রিত হওয়ার প্রত্যাশা।





















