খালেদা জিয়া একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় এড়াতে পারেন না : হানিফ
- আপডেট সময় : ০৪:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭
- / 357
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলার দায় এড়াতে পারেন না।
তিনি বলেন, ‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার সাথে বিএনপি সরাসরি জড়িত। আর তৎকালীন সরকার প্রধান হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া এ হামলার দায় এড়াতে পারেন না।’
আজ সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা উপলক্ষে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এর আয়োজন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. জুলফিকার রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)’র সভাপতি ডা. ইকবাল আর্সনাল।
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সাথে নেপথ্য নায়কের ভূমিকায় থাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিচার হওয়া উচিত।’
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় জিয়াউর রহমানের মরনোত্তর বিচার করে জাতির কাছে তার মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি।
হানিফ বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি পাকিস্তানী প্রেতাত্মারা তৎপর হয়ে উঠেছে। ১৯৭৫ সালের মতো আবারো তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে রুখে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত রয়েছে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।
এ হামলায় শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতরভাবে আহত হন। গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার একটি কানের সম্পূর্ণ ও অপর কানের আংশিকভাবে শ্রবণশক্তি হারান। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা মানববর্ম তৈরি করে তাদের প্রিয় নেত্রীর জীবন বাঁচান।
শেখ হাসিনা এ হামলা থেকে বেঁচে গেলেও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ দলীয় নেতা-কমী প্রাণ হারান ও কয়েকশ’ নেতা-কর্মী মারাত্মকভাবে আহত হন। এখনো তারা শরীরে গ্রেনেডের স্পিন্টার বহন করে দুর্বিসহ যন্ত্রনার মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করছেন।


























