ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় ট্রাক-ভটভটি সংঘর্ষে মাছ ব্যবসায়ী নিহত, আহত ২ অনুমোদন পেলে ক্রসফায়ারেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি ঢাকায় শুরু হলো তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক সৌদির জন্য বড় হুমকি যেভাবে হয়ে উঠল হুথি গোষ্ঠী জাপানের মৈত্রী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ নির্দেশ পেলেই ৯৬ ঘণ্টায় ইরানে বড় হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের সিরাজগঞ্জে ১৬ বছর ধরে সংসার করছে বট ও পাকুড়গাছ চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বজুড়ে নতুন রুটের হিড়িক, বাড়ছে বিমানভাড়ার শঙ্কা

চট্টগ্রামে সাইবার মামলায় জামিন পেলেন বাবুল আক্তারের বাবা ও ভাই

  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩
  • / 144
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

চট্টগ্রামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন আলোচিত মিতু হত্যার আসামি সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের বাবা মো: আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া ও ভাই মো: হাবিবুর রহমান লাবু।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবির শুনানি শেষে জামিনের আদেশ দেন। এদিন আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর রাতে নগরীর খুলশী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর ইনচার্জ পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা।

জামিন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম মওলা মুরাদ। তিনি বলেন, আদালত শুনানি শেষে জামিন দিয়েছেন। তবে কতদিনের জামিন দিয়েছেন, সেটি আদেশ নিয়ে জানতে হবে।

এর আগে সোমবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তারা দুজন জামিন লাভ করেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন তারা। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আত্মসমর্পণ করে ফের জামিনের আবেদন করেন। এ মামলার অপর দুই আসামির মধ্যে বাবুল আক্তারকেও গ্রেফতার দেখানো হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন। অপর আসামি সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন মামলা দায়েরের আগে থেকে পলাতক। তিনি রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাবুল আক্তারসহ অন্য আসামিরা মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এর অংশ হিসেবে ইলিয়াস হোসেনকে দিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ‘স্ত্রী খুন স্বামী জেলে খুনি পেয়েছে তদন্তের দায়িত্ব’ শিরোনামে ফেসবুক ও ইউটিউবে ডকুমেন্টারি ভিডিও প্রচার করছেন।

ভিডিওতে যে বক্তব্য রয়েছে তার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি এবং বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

এর আগে একই ঘটনা এবং একই অভিযোগে গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করেছিলেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। ওই মামলায় ২ জানুয়ারি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল থেকে জামিন নেন দুই আসামি।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

পরে বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। এরপর গত বছরের ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় আরেকটি মামলা করেন মিতুর বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে আছেন তিনি।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে সাইবার মামলায় জামিন পেলেন বাবুল আক্তারের বাবা ও ভাই

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

চট্টগ্রামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন আলোচিত মিতু হত্যার আসামি সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের বাবা মো: আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া ও ভাই মো: হাবিবুর রহমান লাবু।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবির শুনানি শেষে জামিনের আদেশ দেন। এদিন আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর রাতে নগরীর খুলশী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর ইনচার্জ পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা।

জামিন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম মওলা মুরাদ। তিনি বলেন, আদালত শুনানি শেষে জামিন দিয়েছেন। তবে কতদিনের জামিন দিয়েছেন, সেটি আদেশ নিয়ে জানতে হবে।

এর আগে সোমবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তারা দুজন জামিন লাভ করেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন তারা। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আত্মসমর্পণ করে ফের জামিনের আবেদন করেন। এ মামলার অপর দুই আসামির মধ্যে বাবুল আক্তারকেও গ্রেফতার দেখানো হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন। অপর আসামি সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন মামলা দায়েরের আগে থেকে পলাতক। তিনি রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাবুল আক্তারসহ অন্য আসামিরা মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এর অংশ হিসেবে ইলিয়াস হোসেনকে দিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ‘স্ত্রী খুন স্বামী জেলে খুনি পেয়েছে তদন্তের দায়িত্ব’ শিরোনামে ফেসবুক ও ইউটিউবে ডকুমেন্টারি ভিডিও প্রচার করছেন।

ভিডিওতে যে বক্তব্য রয়েছে তার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি এবং বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

এর আগে একই ঘটনা এবং একই অভিযোগে গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করেছিলেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। ওই মামলায় ২ জানুয়ারি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল থেকে জামিন নেন দুই আসামি।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

পরে বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। এরপর গত বছরের ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় আরেকটি মামলা করেন মিতুর বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে আছেন তিনি।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস