ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিপার স্বপ্ন ১৭ মণ ওজনের ষাঁড়

  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
  • / 157
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

খামারের গাভী থেকে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে আড়াই বছর আগে জন্ম দেয়া বিশালদেহী বাছুরের নাম ‘স্বপ্ন’ রেখেছিলেন নিপা আকতার (২৫)। এরপর অনেক বড় স্বপ্ন নিয়েই এই ষাঁড় বাছুরটি লালন পালন করেছেন তিনি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌর শহরের চন্দ্রবাড়ী এল¬াকার মালেয়শিয়া প্রবাসী আবুল কাশেমের কন্যা নিপা আকতার (২৫) নিজ খামারে দুটো ষাড় পরম মমতায় লালন পালন করছেন। একটি শাহিওয়াল জাতের এক বছর বয়সী ‘নবাব’ এবং অপরটি ২ দাঁত বয়সী ফ্রিজিয়ান জাতের ‘স্বপ্ন’। এবারের কোরবানী ঈদে ১৭ মণ ওজনের ষাঁড় স্বপ্ন’কে বিক্রি করেতে চান তিনি।
নিপা জানান, বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় অনেক কষ্টে খড়, কাঁচা ঘাস, ভুষি, খুদের ভাত এবং ফলমূল খাইয়ে ষাড়টি বড় করেছেন তিনি। প্রতিদিন এটির পিছনে ব্যয় করেছেন ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা। দিনে তিন চার বার গোসল করানো হয়। মা-মেয়ে মিলে এটির যত্মে কোন ত্রুটি রাখেননি। তাদের এই গরুটিকে দেখতে এখন প্রতিদিন ভীড় জমায় এলাকাবাসী। দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে বাজার মূল্য অনুযায়ী ষাড়টি বিক্রি করতে চান নিপা।
গরুটি বিক্রির কথা ভাবলেই চোখে কষ্টের জল চলে আসে নিপার। তারপরও বিক্রি করতে হবে ষাঁড়টি। স্থানীয় যুবক উবায়দুল¬াহ বলেন, আমার জানা মতে এটা গোপালপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় গরুর একটা। কাকা প্রবাসে থাকায় খৈল, ভুষি, খুদসহ যা কিছু দরকার সব আমি এনে দিতাম। প্রানি সম্পদ বিভাগ থেকে লোকজন এসেছিল, ফিতায় মেপে এটার ওজন ১৭ মণ পর্যন্ত ধার্য্য করেছেন তারা।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শরিফ আব্দুল বাসেত বলেন, কোরবানী উপলক্ষে গোপালপুরে সাড়ে ৬ হাজার গরু এবং ৮ হাজার ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত রয়েছে। যা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় ৪ গুন বেশি। চন্দ্রবাড়ি এলাকার খামারি নিপার ওই ষাঁড়টির বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হয়েছে। ষাঁড়টি স্টেরয়েড হরমোন বহির্ভূত প্রাকৃতিক খাদ্যের দ্বারা লালন পালন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিপার স্বপ্ন ১৭ মণ ওজনের ষাঁড়

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

খামারের গাভী থেকে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে আড়াই বছর আগে জন্ম দেয়া বিশালদেহী বাছুরের নাম ‘স্বপ্ন’ রেখেছিলেন নিপা আকতার (২৫)। এরপর অনেক বড় স্বপ্ন নিয়েই এই ষাঁড় বাছুরটি লালন পালন করেছেন তিনি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌর শহরের চন্দ্রবাড়ী এল¬াকার মালেয়শিয়া প্রবাসী আবুল কাশেমের কন্যা নিপা আকতার (২৫) নিজ খামারে দুটো ষাড় পরম মমতায় লালন পালন করছেন। একটি শাহিওয়াল জাতের এক বছর বয়সী ‘নবাব’ এবং অপরটি ২ দাঁত বয়সী ফ্রিজিয়ান জাতের ‘স্বপ্ন’। এবারের কোরবানী ঈদে ১৭ মণ ওজনের ষাঁড় স্বপ্ন’কে বিক্রি করেতে চান তিনি।
নিপা জানান, বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় অনেক কষ্টে খড়, কাঁচা ঘাস, ভুষি, খুদের ভাত এবং ফলমূল খাইয়ে ষাড়টি বড় করেছেন তিনি। প্রতিদিন এটির পিছনে ব্যয় করেছেন ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা। দিনে তিন চার বার গোসল করানো হয়। মা-মেয়ে মিলে এটির যত্মে কোন ত্রুটি রাখেননি। তাদের এই গরুটিকে দেখতে এখন প্রতিদিন ভীড় জমায় এলাকাবাসী। দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে বাজার মূল্য অনুযায়ী ষাড়টি বিক্রি করতে চান নিপা।
গরুটি বিক্রির কথা ভাবলেই চোখে কষ্টের জল চলে আসে নিপার। তারপরও বিক্রি করতে হবে ষাঁড়টি। স্থানীয় যুবক উবায়দুল¬াহ বলেন, আমার জানা মতে এটা গোপালপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় গরুর একটা। কাকা প্রবাসে থাকায় খৈল, ভুষি, খুদসহ যা কিছু দরকার সব আমি এনে দিতাম। প্রানি সম্পদ বিভাগ থেকে লোকজন এসেছিল, ফিতায় মেপে এটার ওজন ১৭ মণ পর্যন্ত ধার্য্য করেছেন তারা।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শরিফ আব্দুল বাসেত বলেন, কোরবানী উপলক্ষে গোপালপুরে সাড়ে ৬ হাজার গরু এবং ৮ হাজার ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত রয়েছে। যা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় ৪ গুন বেশি। চন্দ্রবাড়ি এলাকার খামারি নিপার ওই ষাঁড়টির বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হয়েছে। ষাঁড়টি স্টেরয়েড হরমোন বহির্ভূত প্রাকৃতিক খাদ্যের দ্বারা লালন পালন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।

বিডিসংবাদ/এএইচএস