ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের হেনস্তার ঘটনায় হিন্দু রক্ষা দলের চারজন গ্রেপ্তার স্থানীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে সংশয় সংসদীয় কমিটির জামালপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু ও এক শিশু রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার ৪ নিরাপত্তা সংকটে রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল কুয়েত এয়ারওয়েজ ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৭ ফ্লাইট বাতিল: ভোগান্তিতে আড়াই হাজার যাত্রী নিউক্লিয়ার ক্লক: সময় পরিমাপে নতুন বৈজ্ঞানিক মাইলফলক অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস: সোবহানা-জ্যোতির ব্যাটে বিশ্বরেকর্ড আমাকে ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায়’ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি ইউরোপের দুই রুটে উড়োজাহাজ ও আসন বিন্যাসে পরিবর্তন এমিরেটসের

দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের হেনস্তার ঘটনায় হিন্দু রক্ষা দলের চারজন গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : ০৭:০০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে নারী আন্দোলনকারী ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর নিজেদের হিন্দু রক্ষা দলের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া এই চারজন হলেন রমন সাইনি (৫০), বিবেকানন্দ ওরফে বিবেক (৩২), কপিল কুমার (২৭) এবং রবীন্দ্র সিং ওরফে গোবিন্দ (৩৫)। শনিবার দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে (ডিডিইউ মার্গ) এ ঘটনা ঘটে।

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পক্ষ থেকে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়। বিক্ষোভের সময় মারধর, ধাক্কাধাক্কি ও হেনস্তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের নজরে আসে। এরপর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর এবং নারীদের ধাক্কা দেওয়া ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেননি। তবে অভিযুক্তরা দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিআর) ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শনিবারের ওই কর্মসূচিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে। পাশাপাশি হামলার সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই পুলিশ সদস্যের গাফিলতি ছিল কি না এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের হেনস্তার ঘটনায় হিন্দু রক্ষা দলের চারজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৭:০০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে নারী আন্দোলনকারী ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর নিজেদের হিন্দু রক্ষা দলের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া এই চারজন হলেন রমন সাইনি (৫০), বিবেকানন্দ ওরফে বিবেক (৩২), কপিল কুমার (২৭) এবং রবীন্দ্র সিং ওরফে গোবিন্দ (৩৫)। শনিবার দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে (ডিডিইউ মার্গ) এ ঘটনা ঘটে।

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পক্ষ থেকে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়। বিক্ষোভের সময় মারধর, ধাক্কাধাক্কি ও হেনস্তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের নজরে আসে। এরপর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর এবং নারীদের ধাক্কা দেওয়া ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেননি। তবে অভিযুক্তরা দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিআর) ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শনিবারের ওই কর্মসূচিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে। পাশাপাশি হামলার সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই পুলিশ সদস্যের গাফিলতি ছিল কি না এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।