ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

নতুন ষড়যন্ত্রের মুখে বাংলাদেশ: রক্তাক্ত দাঙ্গার ছায়া

  • আপডেট সময় : ১০:৪১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪
  • / 345
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ

মোঃ জহিরুল হক বশির, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের উপর ভয়াবহ অন্ধকার নেমে আসতে চলেছে। আগামী শুক্রবার শাহবাগ মোড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু নাগরিক ৮ দফা দাবিতে জড়ো হতে যাচ্ছেন। একই সাথে, প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হবে। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র যা দেশের নিরাপত্তাকে এলোমেলো করে দিতে পারে।

এই চক্রান্তের পিছনে রয়েছে তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্রের সরাসরি অর্থায়ন যেখানে ৫০-৬০ হাজার লোকের এই জমায়েত থেকে পরাজিত শক্তির একটি অংশ দেশের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। তারা এমন এক ভয়ানক পরিকল্পনা সাজিয়েছে যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে রক্তাক্ত অধ্যায়ে ঠেলে দিতে পারে।

সমাবেশের অংশ থেকে পরিকল্পিতভাবে উত্তেজনা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র হয়েছে। সেদিন হিন্দুদের একটি মিছিল থেকে মসজিদকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা- যেহেতু ওইদিন শুক্রবার, মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকবে। এমন একটি সময়ে, উত্তেজিত মুসল্লিদের মনোভাবকে ব্যবহার করে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার ভয়ানক খেলা শুরু হতে পারে, যার ফলে ১৩-১৫ জনের মৃত্যুর ষড়যন্ত্র ইতিমধ্যেই করা হয়েছে।

আরও ভয়ংকর হলো, উগ্রবাদী হিন্দু সংগঠনগুলো সেই ঘটনাকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অবসান ঘটানোর আহ্বান জানাবে। দুর্গাপূজা উদযাপন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তারা বাংলাদেশকে সংখ্যালঘুদের জন্য একেবারে অনিরাপদ প্রমাণ করার চেষ্টা করবে।

ইতোমধ্যে এই ষড়যন্ত্র সফল করার জন্য দেশের ভেতরে বড় অঙ্কের টাকা ঢুকে গেছে।, ২৭ জন স্বেচ্ছাসেবী সনাতন ধর্মাবলম্বীকে আত্মঘাতী হামলার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তাদের লক্ষ্য, প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে বিভ্রান্ত হয়ে দেশের শত্রুদের পরিকল্পনাকে সফল করা। যদি এই ষড়যন্ত্র সফল হয়, তবে বাংলাদেশ এমন এক বিপদের সম্মুখীন হবে, যা জাতিকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

এই মুহূর্তে, রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি জনগণের সর্বাত্মক সচেতনতা প্রয়োজন। হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়কে এই ষড়যন্ত্র থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে, নাহলে দেশ এক ভয়ানক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নতুন ষড়যন্ত্রের মুখে বাংলাদেশ: রক্তাক্ত দাঙ্গার ছায়া

আপডেট সময় : ১০:৪১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪

প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ

মোঃ জহিরুল হক বশির, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের উপর ভয়াবহ অন্ধকার নেমে আসতে চলেছে। আগামী শুক্রবার শাহবাগ মোড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু নাগরিক ৮ দফা দাবিতে জড়ো হতে যাচ্ছেন। একই সাথে, প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হবে। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র যা দেশের নিরাপত্তাকে এলোমেলো করে দিতে পারে।

এই চক্রান্তের পিছনে রয়েছে তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্রের সরাসরি অর্থায়ন যেখানে ৫০-৬০ হাজার লোকের এই জমায়েত থেকে পরাজিত শক্তির একটি অংশ দেশের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। তারা এমন এক ভয়ানক পরিকল্পনা সাজিয়েছে যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে রক্তাক্ত অধ্যায়ে ঠেলে দিতে পারে।

সমাবেশের অংশ থেকে পরিকল্পিতভাবে উত্তেজনা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র হয়েছে। সেদিন হিন্দুদের একটি মিছিল থেকে মসজিদকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা- যেহেতু ওইদিন শুক্রবার, মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকবে। এমন একটি সময়ে, উত্তেজিত মুসল্লিদের মনোভাবকে ব্যবহার করে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার ভয়ানক খেলা শুরু হতে পারে, যার ফলে ১৩-১৫ জনের মৃত্যুর ষড়যন্ত্র ইতিমধ্যেই করা হয়েছে।

আরও ভয়ংকর হলো, উগ্রবাদী হিন্দু সংগঠনগুলো সেই ঘটনাকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অবসান ঘটানোর আহ্বান জানাবে। দুর্গাপূজা উদযাপন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তারা বাংলাদেশকে সংখ্যালঘুদের জন্য একেবারে অনিরাপদ প্রমাণ করার চেষ্টা করবে।

ইতোমধ্যে এই ষড়যন্ত্র সফল করার জন্য দেশের ভেতরে বড় অঙ্কের টাকা ঢুকে গেছে।, ২৭ জন স্বেচ্ছাসেবী সনাতন ধর্মাবলম্বীকে আত্মঘাতী হামলার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তাদের লক্ষ্য, প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে বিভ্রান্ত হয়ে দেশের শত্রুদের পরিকল্পনাকে সফল করা। যদি এই ষড়যন্ত্র সফল হয়, তবে বাংলাদেশ এমন এক বিপদের সম্মুখীন হবে, যা জাতিকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

এই মুহূর্তে, রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি জনগণের সর্বাত্মক সচেতনতা প্রয়োজন। হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়কে এই ষড়যন্ত্র থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে, নাহলে দেশ এক ভয়ানক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে।