ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে করপোরেট অনুদান ২৭৭ কোটি ডলার: শীর্ষে ইলন মাস্ক উখিয়ায় রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ মৃত্যু: উখিয়া থানার ওসিকে আদালতে তলব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে একমত বাংলাদেশ ও জাপান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ও জাপানের নতুন অংশীদারত্ব জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি আরব থেকে নিরাপদে ফিরলেন আটকে থাকা ৪০ ওমরাহযাত্রী মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে একমত সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান-ইরান মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যের ডাক দিলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ফেনীতে প্রবাসীর কলোনীর ভাড়া তুলে নেওয়ার ঘটনায় তদন্তে পুলিশ ইরানে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে করপোরেট অনুদান ২৭৭ কোটি ডলার: শীর্ষে ইলন মাস্ক

  • আপডেট সময় : ১২:১৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন ৩ নভেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক মাঠে অর্থের ঝনঝনানি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য শীর্ষ ৫০ জন দাতা ও প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৭৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থের বড় অংশই আসছে ধনকুবের, বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক অলাভজনক সংস্থা থেকে, যা ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারণে গভীর প্রভাব ফেলছে। এসব অর্থের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩ নভেম্বরের ভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে বড় অনুদানদাতা ব্যক্তি, অর্থলগ্নিকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় তুলে ধরেছে আল-জাজিরা। তাদের নিজস্ব অর্থদাতাদের পরিচয় প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অর্থের প্রভাব নিয়ে আল-জাজিরার ‘লেটস ফোকাস’ অনুষ্ঠানে সাবেক ফেডারেল নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান ব্র্যাডলি স্মিথের সঙ্গে বিতর্কে লেসিগ বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের কাছে অর্থের উৎস অন্ধকারে থাকে না। এরপর রয়েছেন পণ্য পরিবহনের সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউলাইনের প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ ও রিচার্ড ইউলেইন দম্পতি। ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান সাসকুয়েহানা ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেফ ইয়াস।

রাজনৈতিক অনুদানের বর্তমান চিত্র

আল-জাজিরা কর্তৃক পরিচালিত এফইসি-এর তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, রিপাবলিকানপন্থী দাতারা এখন পর্যন্ত ১৬৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন, যা মোট অনুদানের প্রায় ৬০ শতাংশ।

অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটপন্থী দাতারা দিয়েছেন ৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা মোট অনুদানের ৩০ শতাংশ।

অর্থাৎ রিপাবলিকানপন্থী দাতাদের অনুদান ডেমোক্র্যাটপন্থীদের প্রায় দ্বিগুণ।

বাকি ২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার এসেছে দ্বিদলীয় বা বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ দাতাদের কাছ থেকে। এ তালিকায় রয়েছে ক্রীড়া বাজি ও ক্রিপ্টোকারেন্সির পক্ষে কাজ করা বিভিন্ন গোষ্ঠী। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয়ের আগে একাধিক সংগঠনের হাত ঘুরে আসায় মূল অর্থদাতাকে শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে শীর্ষ অনুদানদাতা

  • ইলন মাস্ক: ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার
  • এলিজাবেথ ও রিচার্ড ইউলেইন: ১৫ কোটি ডলার
  • জেফ ও জ্যানিন ইয়াস: ১১ কোটি ডলার

ডেমোক্র্যাটপন্থী শীর্ষ ব্যক্তিগত দাতা

  • জর্জ সরোস: ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার
  • মাইক ব্লুমবার্গ: ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার
  • রিড হফম্যান ও মিশেল ই: ৪ কোটি ১০ লাখ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫-২৬ নির্বাচনী চক্রে একজন ব্যক্তি ফেডারেল পর্যায়ের কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে সরাসরি প্রতি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ ডলার অনুদান দিতে পারেন। তবে ২০১০ সালে আদালতের দুটি রায়ের পর ‘সুপার পিএসি’ বা স্বতন্ত্র ব্যয়কারী সংগঠনের উত্থান ঘটে, যা অসীম অর্থ ব্যয়ের সুযোগ তৈরি করেছে। লরেন্স লেসিগের মতে, সমস্যা ব্যয়ের পরিমাণ নয়, বরং দাতাদের হাতে অর্থের কেন্দ্রীভবন। এর কারণ, তাঁদের বেশির ভাগ অর্থ সরাসরি প্রার্থীদের প্রচার তহবিলে যায়নি। সুপার পিএসি কী, অর্থের উৎস আড়ালে থাকে কেন। তাঁদের জানা আছে, বিনিময়ে কী করতে হবে।’। গণতন্ত্রে একজন মানুষের যতটা গুরুত্ব থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি, অনুদান দেওয়ার জন্য হাতে ১০ কোটি ডলার না থাকলে সেই গুরুত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।’।

শীর্ষ রিপাবলিকানপন্থী সংগঠন

  • ওয়ান নেশন: ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার
  • আমেরিকার অ্যাকশন নেটওয়ার্ক: ৬ কোটি ৪৩ লাখ ডলার
  • আমেরিকান প্রসপারিটি অ্যালায়েন্স: ৫ কোটি ৭ লাখ ডলার

ডেমোক্র্যাটপন্থী শীর্ষ সংগঠন

  • হাউস মেজরিটি ফরোয়ার্ড: ৯ কোটি ৩৭ লাখ ডলার
  • ইকোনমিক অপরচুনিটি ফান্ড: ৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার

ক্রিপ্টো কোম্পানির বড় অঙ্কের অনুদান

  • কয়েনবেস: ৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলার
  • রিপল: ৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার
  • ফরিস ডিএএক্স (ক্রিপ্টো ডটকম): ৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার

এ ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিল্পগোষ্ঠী কচ ৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার এবং ক্রীড়া বাজি প্রতিষ্ঠান ড্রাফটকিংস ৪ কোটি ৪ লাখ ডলার অনুদান প্রদান করেছে। পাশাপাশি রয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি কোম্পানি ও একটি শিল্পগোষ্ঠী।

নির্বাচনী তহবিলের এই বিশাল প্রবাহ প্রমাণ করে যে, বর্তমানে রাজনীতি এবং করপোরেট স্বার্থ একে অপরের সাথে কতটা নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেছে।

ওয়ান নেশন ও মেজরিটি ফরোয়ার্ডের মতো কিছু বড় অর্থদাতা সংগঠন তাদের দাতাদের পরিচয় আড়াল করে রাখে, যাকে বলা হয় ‘ডার্ক মানি’। সংগঠনটি সিনেটে রিপাবলিকান নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

এই গোপন অনুদান ব্যবস্থা মার্কিন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটারদের প্রভাবকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

ব্র্যাডলি স্মিথ এবং লরেন্স লেসিগের মতো বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাজনীতিবিদদের অর্থের উৎসগুলো আরও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।

২০২৬ সালের এই নির্বাচনী চক্রে চারজন ব্যক্তি প্রত্যেকে ১০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন, যা গত কয়েক দশকের নির্বাচনী ব্যয়কে ছাড়িয়ে গেছে। রাজনৈতিক অলাভজনক সংগঠনগুলো বর্তমানে প্রথাগত রাজনৈতিক দলের চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের লড়াইয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে করপোরেট অনুদান ২৭৭ কোটি ডলার: শীর্ষে ইলন মাস্ক

আপডেট সময় : ১২:১৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন ৩ নভেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক মাঠে অর্থের ঝনঝনানি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য শীর্ষ ৫০ জন দাতা ও প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৭৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থের বড় অংশই আসছে ধনকুবের, বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক অলাভজনক সংস্থা থেকে, যা ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারণে গভীর প্রভাব ফেলছে। এসব অর্থের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩ নভেম্বরের ভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে বড় অনুদানদাতা ব্যক্তি, অর্থলগ্নিকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় তুলে ধরেছে আল-জাজিরা। তাদের নিজস্ব অর্থদাতাদের পরিচয় প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অর্থের প্রভাব নিয়ে আল-জাজিরার ‘লেটস ফোকাস’ অনুষ্ঠানে সাবেক ফেডারেল নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান ব্র্যাডলি স্মিথের সঙ্গে বিতর্কে লেসিগ বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের কাছে অর্থের উৎস অন্ধকারে থাকে না। এরপর রয়েছেন পণ্য পরিবহনের সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউলাইনের প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ ও রিচার্ড ইউলেইন দম্পতি। ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান সাসকুয়েহানা ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেফ ইয়াস।

রাজনৈতিক অনুদানের বর্তমান চিত্র

আল-জাজিরা কর্তৃক পরিচালিত এফইসি-এর তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, রিপাবলিকানপন্থী দাতারা এখন পর্যন্ত ১৬৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন, যা মোট অনুদানের প্রায় ৬০ শতাংশ।

অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটপন্থী দাতারা দিয়েছেন ৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা মোট অনুদানের ৩০ শতাংশ।

অর্থাৎ রিপাবলিকানপন্থী দাতাদের অনুদান ডেমোক্র্যাটপন্থীদের প্রায় দ্বিগুণ।

বাকি ২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার এসেছে দ্বিদলীয় বা বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ দাতাদের কাছ থেকে। এ তালিকায় রয়েছে ক্রীড়া বাজি ও ক্রিপ্টোকারেন্সির পক্ষে কাজ করা বিভিন্ন গোষ্ঠী। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয়ের আগে একাধিক সংগঠনের হাত ঘুরে আসায় মূল অর্থদাতাকে শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে শীর্ষ অনুদানদাতা

  • ইলন মাস্ক: ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার
  • এলিজাবেথ ও রিচার্ড ইউলেইন: ১৫ কোটি ডলার
  • জেফ ও জ্যানিন ইয়াস: ১১ কোটি ডলার

ডেমোক্র্যাটপন্থী শীর্ষ ব্যক্তিগত দাতা

  • জর্জ সরোস: ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার
  • মাইক ব্লুমবার্গ: ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার
  • রিড হফম্যান ও মিশেল ই: ৪ কোটি ১০ লাখ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫-২৬ নির্বাচনী চক্রে একজন ব্যক্তি ফেডারেল পর্যায়ের কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে সরাসরি প্রতি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ ডলার অনুদান দিতে পারেন। তবে ২০১০ সালে আদালতের দুটি রায়ের পর ‘সুপার পিএসি’ বা স্বতন্ত্র ব্যয়কারী সংগঠনের উত্থান ঘটে, যা অসীম অর্থ ব্যয়ের সুযোগ তৈরি করেছে। লরেন্স লেসিগের মতে, সমস্যা ব্যয়ের পরিমাণ নয়, বরং দাতাদের হাতে অর্থের কেন্দ্রীভবন। এর কারণ, তাঁদের বেশির ভাগ অর্থ সরাসরি প্রার্থীদের প্রচার তহবিলে যায়নি। সুপার পিএসি কী, অর্থের উৎস আড়ালে থাকে কেন। তাঁদের জানা আছে, বিনিময়ে কী করতে হবে।’। গণতন্ত্রে একজন মানুষের যতটা গুরুত্ব থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি, অনুদান দেওয়ার জন্য হাতে ১০ কোটি ডলার না থাকলে সেই গুরুত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।’।

শীর্ষ রিপাবলিকানপন্থী সংগঠন

  • ওয়ান নেশন: ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার
  • আমেরিকার অ্যাকশন নেটওয়ার্ক: ৬ কোটি ৪৩ লাখ ডলার
  • আমেরিকান প্রসপারিটি অ্যালায়েন্স: ৫ কোটি ৭ লাখ ডলার

ডেমোক্র্যাটপন্থী শীর্ষ সংগঠন

  • হাউস মেজরিটি ফরোয়ার্ড: ৯ কোটি ৩৭ লাখ ডলার
  • ইকোনমিক অপরচুনিটি ফান্ড: ৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার

ক্রিপ্টো কোম্পানির বড় অঙ্কের অনুদান

  • কয়েনবেস: ৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলার
  • রিপল: ৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার
  • ফরিস ডিএএক্স (ক্রিপ্টো ডটকম): ৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার

এ ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিল্পগোষ্ঠী কচ ৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার এবং ক্রীড়া বাজি প্রতিষ্ঠান ড্রাফটকিংস ৪ কোটি ৪ লাখ ডলার অনুদান প্রদান করেছে। পাশাপাশি রয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি কোম্পানি ও একটি শিল্পগোষ্ঠী।

নির্বাচনী তহবিলের এই বিশাল প্রবাহ প্রমাণ করে যে, বর্তমানে রাজনীতি এবং করপোরেট স্বার্থ একে অপরের সাথে কতটা নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেছে।

ওয়ান নেশন ও মেজরিটি ফরোয়ার্ডের মতো কিছু বড় অর্থদাতা সংগঠন তাদের দাতাদের পরিচয় আড়াল করে রাখে, যাকে বলা হয় ‘ডার্ক মানি’। সংগঠনটি সিনেটে রিপাবলিকান নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

এই গোপন অনুদান ব্যবস্থা মার্কিন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটারদের প্রভাবকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

ব্র্যাডলি স্মিথ এবং লরেন্স লেসিগের মতো বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাজনীতিবিদদের অর্থের উৎসগুলো আরও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।

২০২৬ সালের এই নির্বাচনী চক্রে চারজন ব্যক্তি প্রত্যেকে ১০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন, যা গত কয়েক দশকের নির্বাচনী ব্যয়কে ছাড়িয়ে গেছে। রাজনৈতিক অলাভজনক সংগঠনগুলো বর্তমানে প্রথাগত রাজনৈতিক দলের চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের লড়াইয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে।