ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা নিয়ে ক্রেমলিনে অস্বস্তি

  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩
  • / 168
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এতোদিন ইউক্রেন যুদ্ধ ইউক্রেনের ভূখণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। রাশিয়ার হামলার মুখে পশ্চিমা বিশ্ব থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম চাইতে গিয়ে ইউক্রেনের নেতৃত্ব বার বার আশ্বাস দিয়ে এসেছে যে শুধু অধিকৃত এলাকা থেকে রুশ হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করতেই সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে হামলা বা দখলদারির কোনো পরিকল্পনা নেই। গত কয়েক দিনের ঘটনাবলি সেই দাবিকে কিছুটা হলেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

ইউক্রেন সীমান্তের কাছে রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে সাম্প্রতিক হামলার জন্য কে দায়ী, সে বিষয়ে বিভ্রান্তি এখনো কাটছে না। রাশিয়ার দু’টি ক্রেমলিন বিরোধী গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেছে। ইউক্রেনও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে রুশ নাগরিকদের এই কার্যকলাপের সাথে কিয়েভের কোনো সম্পর্ক নেই।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৫ মাস আগে যুদ্ধ শুরু হবার পর থেকে সীমান্তের কাছে রাশিয়ার ভূখণ্ডের উপর বিচ্ছিন্ন হামলা ঘটেছে। তবে বেলগোরোদের মতো বড় আকারের ঘটনা আগে ঘটেনি।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষকেই হামলার জন্য দায়ী করেছে। ওই দেশের সামরিক গুপ্তচর সংস্থা ‘চরম দক্ষিণপন্থি রুশ উগ্রবাদী’ গোষ্ঠীকে মদত দিচ্ছে বলে মস্কো অভিযোগ করে আসছে। তবে জোরালো সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বিদ্রোহীদের নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়েছে বলেও রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ দাবি করছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী সংঘর্ষে ৭০ জন ইউক্রেনীয় যোদ্ধা নিহত ও তাদের অনেক যান ধ্বংস হয়েছে। বাকিদেরও ইউক্রেনের সীমান্তে কোণঠাসা করে হত্যা করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরে সংলগ্ন নয়টি গ্রামের মানুষকে উদ্ধার করে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

‘জাতীয়তাবাদী’ বিদ্রোহীদের দমন করতে মঙ্গলবার মাঝরাতে অভিযান শেষ হয়েছে বলে রাশিয়া জানিয়েছে। নিজস্ব ভূখণ্ডে বিমান বাহিনী ও কামান ব্যবহার করার প্রয়োজন হওয়ায় রাশিয়ায় অস্বস্তি বাড়ছে।

বেলগোরোদে হামলার জন্য দায় স্বীকার করা অন্যতম গোষ্ঠী ‘রাশিয়ান ভলেন্টিয়ার কর্পস’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আশা প্রকাশ করেছে যে কোনো একদিন তাদের পালিয়ে যেতে হবে না। সদ্য সমাপ্ত অভিযানে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়নি বলেও এই গোষ্ঠী দাবি করছে। ‘ফ্রিডম অফ রাশিয়া লিজিয়ন’ নামের দ্বিতীয় গোষ্ঠী দাবি করছে যে এই অভিযানে তারা রাশিয়ার এক রাইফেল কারখানার ক্ষতি ও রুশ বাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার নির্বাসিত বিরোধী নেত্রী ইলিা পোনোমারিয়ভের নেতৃত্বে এই গোষ্ঠীর দাবি তারা ভ্লাদিমির পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেন ভিত্তিক রুশ জাতীয়তাবাদী নেতা ডেনিস কাপুস্টিন গত ১৭ মে জানিয়েছিলেন, যে তার ‘রাশিয়ান ভলেন্টিয়ার কর্পস’ গোষ্ঠী পোনোমারিয়ভের গোষ্ঠীর সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা নিয়ে ক্রেমলিনে অস্বস্তি

আপডেট সময় : ০৫:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এতোদিন ইউক্রেন যুদ্ধ ইউক্রেনের ভূখণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। রাশিয়ার হামলার মুখে পশ্চিমা বিশ্ব থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম চাইতে গিয়ে ইউক্রেনের নেতৃত্ব বার বার আশ্বাস দিয়ে এসেছে যে শুধু অধিকৃত এলাকা থেকে রুশ হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করতেই সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে হামলা বা দখলদারির কোনো পরিকল্পনা নেই। গত কয়েক দিনের ঘটনাবলি সেই দাবিকে কিছুটা হলেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

ইউক্রেন সীমান্তের কাছে রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে সাম্প্রতিক হামলার জন্য কে দায়ী, সে বিষয়ে বিভ্রান্তি এখনো কাটছে না। রাশিয়ার দু’টি ক্রেমলিন বিরোধী গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেছে। ইউক্রেনও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে রুশ নাগরিকদের এই কার্যকলাপের সাথে কিয়েভের কোনো সম্পর্ক নেই।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৫ মাস আগে যুদ্ধ শুরু হবার পর থেকে সীমান্তের কাছে রাশিয়ার ভূখণ্ডের উপর বিচ্ছিন্ন হামলা ঘটেছে। তবে বেলগোরোদের মতো বড় আকারের ঘটনা আগে ঘটেনি।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষকেই হামলার জন্য দায়ী করেছে। ওই দেশের সামরিক গুপ্তচর সংস্থা ‘চরম দক্ষিণপন্থি রুশ উগ্রবাদী’ গোষ্ঠীকে মদত দিচ্ছে বলে মস্কো অভিযোগ করে আসছে। তবে জোরালো সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বিদ্রোহীদের নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়েছে বলেও রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ দাবি করছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী সংঘর্ষে ৭০ জন ইউক্রেনীয় যোদ্ধা নিহত ও তাদের অনেক যান ধ্বংস হয়েছে। বাকিদেরও ইউক্রেনের সীমান্তে কোণঠাসা করে হত্যা করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরে সংলগ্ন নয়টি গ্রামের মানুষকে উদ্ধার করে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

‘জাতীয়তাবাদী’ বিদ্রোহীদের দমন করতে মঙ্গলবার মাঝরাতে অভিযান শেষ হয়েছে বলে রাশিয়া জানিয়েছে। নিজস্ব ভূখণ্ডে বিমান বাহিনী ও কামান ব্যবহার করার প্রয়োজন হওয়ায় রাশিয়ায় অস্বস্তি বাড়ছে।

বেলগোরোদে হামলার জন্য দায় স্বীকার করা অন্যতম গোষ্ঠী ‘রাশিয়ান ভলেন্টিয়ার কর্পস’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আশা প্রকাশ করেছে যে কোনো একদিন তাদের পালিয়ে যেতে হবে না। সদ্য সমাপ্ত অভিযানে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়নি বলেও এই গোষ্ঠী দাবি করছে। ‘ফ্রিডম অফ রাশিয়া লিজিয়ন’ নামের দ্বিতীয় গোষ্ঠী দাবি করছে যে এই অভিযানে তারা রাশিয়ার এক রাইফেল কারখানার ক্ষতি ও রুশ বাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার নির্বাসিত বিরোধী নেত্রী ইলিা পোনোমারিয়ভের নেতৃত্বে এই গোষ্ঠীর দাবি তারা ভ্লাদিমির পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেন ভিত্তিক রুশ জাতীয়তাবাদী নেতা ডেনিস কাপুস্টিন গত ১৭ মে জানিয়েছিলেন, যে তার ‘রাশিয়ান ভলেন্টিয়ার কর্পস’ গোষ্ঠী পোনোমারিয়ভের গোষ্ঠীর সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

বিডিসংবাদ/এএইচএস