রোহিঙ্গাদের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে জাতিসংঘ মহাসচিব ১ জুলাই ঢাকা আসছেন
- আপডেট সময় : ০৩:৫২:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুন ২০১৮
- / 284
Bundesaussenminister Frank-Walter Steinmeier, SPD, beim Treffen mit Vertretern von Nichtregierungsorganisationen im Internationalen Club Berlin, 04.11.2015. Copyright: Michael Gottschalk/photothek.net [Tel. +493028097440 - www.photothek.net - Jegliche Verwendung nur gegen Honorar und Beleg. Urheber-/Agenturvermerk wird nach Paragraph13 UrhG ausdruecklich verlangt! Es gelten ausschliesslich unsere AGB.]
বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্থনি গুতেরেস বাংলাদেশ সফরে আগামী ১ জুলাই ঢাকা আসছেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি রোহিঙ্গাদের মর্যাদাসহ স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে স্বদেশে ফিরে যাওয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র সেন্ট ফানে ডুজারিক এ কথা জানান।
গত অক্টোবরের পর থেকে প্রায় ৭ লাখের অধিক রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে তাদের আবাস ভূমি ছেড়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের সেনাসদস্যদের বর্বরোচিত হত্যাকান্ড এবং নির্যাতনের মুখে তারা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আজ বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা সরাসরি দেখতে আগামী ১ জুলাই ঢাকা আসছেন। তিনি বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ প্রেসিডেন্ট ড. জিম ইয়াং কিমের সঙ্গে যৌথ সফরে আসছেন। তারা ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানে নিরাপদে তাদের আবাস ভূমিতে ফিরে যাবার ক্ষেত্রে অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। তিনি বলেন, তারা ২০১৭ সালের পর থেকে রেহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মহানুভবতা তুলে ধরবেন। তাদের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে সহায়তা কতটা প্রয়োজন তাও তুলে ধরবেন।
তাদের ঢাকা সফরে আসার লক্ষ্য হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের জন্য মধ্য মেয়াদি পরিকল্পনা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে আরো আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি এবং সংকট নিরসনের উপায় খুজে বের করতে জাতিসংঘ ও বিশ্ব ব্যাংকের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা।
জাতিসংঘ মহাসচিব এবং বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পদস্থ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তারা রোহিঙ্গা শিবির পরিদশর্নে ২ জুলাই কক্সবাজারে যাবেন। তাদের সঙ্গে জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপপো গ্রান্ডি এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের নির্বাহী পরিচালক ড. নাটালিয়া কানেমও থাকবেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ৩ জুলাই নিউইয়র্ক ফিরে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।






















