ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

গোমতিতে ১৩ বছরের কিশোরীকে প্রলবণ দিয়ে বিয়ের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : ১২:০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০১৭
  • / 530
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতি ইউনিয়নের বান্দরছড়া এলাকায় হুদা মিয়ার বড় ছেলে মো: আবু তাহের রাজু কর্তৃক প্রথম স্ত্রী রেখে ১৩ বছরের এক মেয়েকে বিবাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকার যখন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে গ্রাম পর্যায়ে কাজ করছে তখনেই এ ধরনের কর্মকান্ডে বিপদগামী হয়ে উঠছে সমাজ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গোমতি ইউনিয়নের বান্দরছড়া এলাকার মফিজ মিয়ার মেয়ে মুক্তা আক্তার (১৩) ২ লক্ষ টাকার কাবিন,১ কানি জায়গা ও ২ ভরি স্বর্ণ দেওয়ার প্রলবণ দিয়ে বিবাহ আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্য বিবাহ করে আবু তাহের রাজু। এ ঘটনার জন্য বাল্য বিবাহে সহযোগিতা করে স্থানীয় বান্দরছড়ার জামাল মিয়ার ছেলে আমির হোসেন,মুক্তা আক্তার পিতা মফিজ মিয়া ও তার পিতা মোখলেছ মিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ১০ জুন ২০১৭ তারিখ মুক্তা আক্তার তার বাবা মফিজ মিয়া,হুদা মিয়া তার ছেলে আবু তাহের রাজু মেয়েকে চট্টগ্রাম নিয়ে গিয়ে গোপনে বিবাহ করে। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তার কোন অনুমতি না নিয়ে ১৩ বছরের এক মেয়ে বিয়ে করে।

অভিযোগ আছে, এর আগেও সে একাদিক মেয়েকে বিয়ের প্রলবণ দিয়ে অবৈধ কর্মকান্ডে সর্ম্পক গড়ে তোলাসহ থ্রী পিস,মোবাইল ও নানা গিফ্ট দিয়ে সহজ সরল মেয়েদের সর্বনাশ করা ও নেশা করে মাতলামি করে এই নারী লোভী আবু তাহের রাজু।

সে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের মিসিনঞ্জার পদে কর্মরত আছে বলে জানা যায়। সে কেরানীহাট অফিসের অধিনে কর্মরত থেকে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রথম স্ত্রী এ ঘটনার জন্য স্বামী আবু তাহের রাজু ও তার শ্বাশুড় হুদা মিয়াকে দায়ী করে বলেন, এ ধরনের ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত। তার তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাল্য বিবাহের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোমতিতে ১৩ বছরের কিশোরীকে প্রলবণ দিয়ে বিয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০১৭

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতি ইউনিয়নের বান্দরছড়া এলাকায় হুদা মিয়ার বড় ছেলে মো: আবু তাহের রাজু কর্তৃক প্রথম স্ত্রী রেখে ১৩ বছরের এক মেয়েকে বিবাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকার যখন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে গ্রাম পর্যায়ে কাজ করছে তখনেই এ ধরনের কর্মকান্ডে বিপদগামী হয়ে উঠছে সমাজ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গোমতি ইউনিয়নের বান্দরছড়া এলাকার মফিজ মিয়ার মেয়ে মুক্তা আক্তার (১৩) ২ লক্ষ টাকার কাবিন,১ কানি জায়গা ও ২ ভরি স্বর্ণ দেওয়ার প্রলবণ দিয়ে বিবাহ আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্য বিবাহ করে আবু তাহের রাজু। এ ঘটনার জন্য বাল্য বিবাহে সহযোগিতা করে স্থানীয় বান্দরছড়ার জামাল মিয়ার ছেলে আমির হোসেন,মুক্তা আক্তার পিতা মফিজ মিয়া ও তার পিতা মোখলেছ মিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ১০ জুন ২০১৭ তারিখ মুক্তা আক্তার তার বাবা মফিজ মিয়া,হুদা মিয়া তার ছেলে আবু তাহের রাজু মেয়েকে চট্টগ্রাম নিয়ে গিয়ে গোপনে বিবাহ করে। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তার কোন অনুমতি না নিয়ে ১৩ বছরের এক মেয়ে বিয়ে করে।

অভিযোগ আছে, এর আগেও সে একাদিক মেয়েকে বিয়ের প্রলবণ দিয়ে অবৈধ কর্মকান্ডে সর্ম্পক গড়ে তোলাসহ থ্রী পিস,মোবাইল ও নানা গিফ্ট দিয়ে সহজ সরল মেয়েদের সর্বনাশ করা ও নেশা করে মাতলামি করে এই নারী লোভী আবু তাহের রাজু।

সে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের মিসিনঞ্জার পদে কর্মরত আছে বলে জানা যায়। সে কেরানীহাট অফিসের অধিনে কর্মরত থেকে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রথম স্ত্রী এ ঘটনার জন্য স্বামী আবু তাহের রাজু ও তার শ্বাশুড় হুদা মিয়াকে দায়ী করে বলেন, এ ধরনের ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত। তার তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাল্য বিবাহের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানান।