ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

২০২১ সালের মধ্যে দেশ নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • / 305
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  ২০২১ সালের মধ্যে দেশ নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, ‘বিগত সাড়ে আট বছরে সাক্ষরতার হার ৪৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আমি আশা করি, ২০২১ সালের মধ্যে দেশ নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে।’

আগামীকাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই আশা প্রকাশ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে এবারের প্রতিপাদ্য ‘সাক্ষরতা অর্জন করি, ডিজিটাল বিশ্ব গড়ি’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা দারিদ্র্যজনিত ঝরেপড়া রোধ করতে উপবৃত্তি কর্মসূচি এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। ফলে প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, আসুন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নীত করি।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিককে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যমান ২৮ শতাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর ও দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৪ এর উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাসংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ অপরিহার্য। ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বাণীতে তিনি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৭ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২১ সালের মধ্যে দেশ নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  ২০২১ সালের মধ্যে দেশ নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, ‘বিগত সাড়ে আট বছরে সাক্ষরতার হার ৪৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আমি আশা করি, ২০২১ সালের মধ্যে দেশ নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে।’

আগামীকাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই আশা প্রকাশ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে এবারের প্রতিপাদ্য ‘সাক্ষরতা অর্জন করি, ডিজিটাল বিশ্ব গড়ি’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা দারিদ্র্যজনিত ঝরেপড়া রোধ করতে উপবৃত্তি কর্মসূচি এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। ফলে প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, আসুন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নীত করি।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিককে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যমান ২৮ শতাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর ও দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৪ এর উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাসংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ অপরিহার্য। ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বাণীতে তিনি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৭ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।