ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসরায়েলে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত: একজনের মৃত্যু, আহত একজন ডিজেল সংকট: ইউরোপের মজুত ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর চাপ সংগীতের ৬০ বছর: খুরশীদ আলমের সংবর্ধনায় সুজানা রূপার গান চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ছুটির দিনেও বিক্ষোভ অক্টোবরে তিনটি লঘুচাপের সম্ভাবনা, হতে পারে ঘূর্ণিঝড় জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব: বিমানে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির সময় বাড়ালো মন্ত্রণালয় ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত ফেসবুকের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত সুচিত্রার বিয়ে সম্পন্ন বাংলামোটরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়: বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ আটক চার

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে নব্য স্বৈরাচার আখ্যা দিলেনঃ ডা. শাহাদাত

  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / 285
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে নব্য স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র আজ লুণ্ঠিত, মানবতা বিপন্ন, ভোটাধিকার অবরুদ্ধ, জনগণ আজ একদলীয় স্বৈরশাসনের নির্যাতন-নিপীড়নে পিষ্ট। আইনের শাসন আজ নির্বাসিত, তাই জনগণ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত। দেশের স্বার্থে ও জনগণের স্বার্থে আমাদেরকে আবারও অতীতের ন্যায় দলমত নির্বিশেষে রাজপথে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এবং এই একদলীয় স্বৈরশাসকের কবল থেকে দেশ ও জনগণকে মুক্ত করতে হবে, নাহয় ইতিহাস আমাদেরকে ক্ষমা করবে না।

তিনি আজ বুধবার সকালে স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত “লুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ছাত্রদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল সভাপতি গাজী মুহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় নগরীর লাভ লেইনস্থ মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ডা. শাহাদাত আরও বলেন, পতিত স্বৈরাচার আর নব্য স্বৈরাচার মিলেমিশে আজ একাকার হয়ে গেছে। আশির দশকের ধিকৃত স্বৈরাচার এরশাদ ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। যে স্বপ্ন নিয়ে সেদিন ছাত্রজনতা মিলে তীব্র গণআন্দোলন করে স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটায় তাদের সে স্বপ্ন আজ কেবলই স্বপ্ন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নিহত সকল শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী করে খুনী এরশাদের সাথে আতাত করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের জনগণের সম্মুখে নব্য স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এ দুই স্বৈরাচার মিলে আজ জনগণের নুন্যতম মৌলিক অধিকারটুকুও হরণ করে নিয়েছে। জনগণের উপর নেমে এসেছে নির্যাতনের ষ্ট্রিম রোলার।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আবু সুফিয়ান। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছিল স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটানোর মাধ্যমে। সেদিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি ও মনোবল ছিল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীবৃন্দ। তাই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতাকর্মীদেরকেও আবারও দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই দুই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাজিমুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আর.ইউ.চৌধুরী শাহীন, সাবেক নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, জমির উদ্দিন নাহিদ, বিভিন্ন থানা ওয়ার্ড, কলেজ সমূহ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে নব্য স্বৈরাচার আখ্যা দিলেনঃ ডা. শাহাদাত

আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে নব্য স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র আজ লুণ্ঠিত, মানবতা বিপন্ন, ভোটাধিকার অবরুদ্ধ, জনগণ আজ একদলীয় স্বৈরশাসনের নির্যাতন-নিপীড়নে পিষ্ট। আইনের শাসন আজ নির্বাসিত, তাই জনগণ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত। দেশের স্বার্থে ও জনগণের স্বার্থে আমাদেরকে আবারও অতীতের ন্যায় দলমত নির্বিশেষে রাজপথে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এবং এই একদলীয় স্বৈরশাসকের কবল থেকে দেশ ও জনগণকে মুক্ত করতে হবে, নাহয় ইতিহাস আমাদেরকে ক্ষমা করবে না।

তিনি আজ বুধবার সকালে স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত “লুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ছাত্রদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল সভাপতি গাজী মুহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় নগরীর লাভ লেইনস্থ মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ডা. শাহাদাত আরও বলেন, পতিত স্বৈরাচার আর নব্য স্বৈরাচার মিলেমিশে আজ একাকার হয়ে গেছে। আশির দশকের ধিকৃত স্বৈরাচার এরশাদ ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। যে স্বপ্ন নিয়ে সেদিন ছাত্রজনতা মিলে তীব্র গণআন্দোলন করে স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটায় তাদের সে স্বপ্ন আজ কেবলই স্বপ্ন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নিহত সকল শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী করে খুনী এরশাদের সাথে আতাত করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের জনগণের সম্মুখে নব্য স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এ দুই স্বৈরাচার মিলে আজ জনগণের নুন্যতম মৌলিক অধিকারটুকুও হরণ করে নিয়েছে। জনগণের উপর নেমে এসেছে নির্যাতনের ষ্ট্রিম রোলার।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আবু সুফিয়ান। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছিল স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটানোর মাধ্যমে। সেদিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি ও মনোবল ছিল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীবৃন্দ। তাই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতাকর্মীদেরকেও আবারও দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই দুই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাজিমুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আর.ইউ.চৌধুরী শাহীন, সাবেক নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, জমির উদ্দিন নাহিদ, বিভিন্ন থানা ওয়ার্ড, কলেজ সমূহ উপস্থিত ছিলেন।