ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

রামপালবিরোধী হরতালে চড়াও পুলিশ

  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 253
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের দাবিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে আধাবেলা হরতাল চলছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে হরতাল সমর্থকরা শাহবাগে মিছিল বের করে। মিছিলটি শাহবাড় মোড়ে অবস্থান নিতে গেলে তাদের ওপর টিয়ারশেল, জলকামান ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে পুলিশ।

এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। হরতালকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

পুলিশও জলকামান থেকে গরম পানি, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়লে এক পর্যায়ে শাহবাগ ছেড়ে হরতাল সমর্থকরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির দিকে পিছু হটে।

পরে তারা আরও কয়েক দফা শাহবাগে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ একইভাবে টিয়ারশেল, জলকামান ও রাবার বুলেট দিয়ে তাদের হটিয়ে দেয়।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেশ কয়েকজন হরতাল সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পরে সকাল ৯টার দিকে পিকেটাররা টিএসসি এবং শাহবাগের রাস্তার মাঝামাঝি অবস্থান নিয়ে হরতালের সমর্থনে স্লোগান দেন।

পুলিশও শাহবাগ মোড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।

তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ না করে যে কোনো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

হরতালের কারণে শাহবাগ এলাকায় যানবাহন তেমন একটা চলাচল করছে না। এর প্রভাবে অন্যান্য সড়কেও যানবাহনের কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে সকালে হরতালের সমর্থনে পল্টন মোড় ও এর আশপাশের এলাকায় মিছিল করেছে জাতীয় কমিটির নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ সবাইকে হরতাল পালনের আহবান জানান।

এতে বলা হয়, গত ৭ বছর ধরে সুন্দরবনবিনাশী রামপাল কয়লা প্রকল্প বাতিলসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যা সমাধানের জন্য ৭ দফা বাস্তবায়নে আমরা লংমার্চ, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, মহাসমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু সরকার এই প্রকল্প বাতিল না করে উল্টো সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে হরতাল পালনের কর্মসূচি দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রামপালবিরোধী হরতালে চড়াও পুলিশ

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৭

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের দাবিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে আধাবেলা হরতাল চলছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে হরতাল সমর্থকরা শাহবাগে মিছিল বের করে। মিছিলটি শাহবাড় মোড়ে অবস্থান নিতে গেলে তাদের ওপর টিয়ারশেল, জলকামান ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে পুলিশ।

এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। হরতালকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

পুলিশও জলকামান থেকে গরম পানি, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়লে এক পর্যায়ে শাহবাগ ছেড়ে হরতাল সমর্থকরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির দিকে পিছু হটে।

পরে তারা আরও কয়েক দফা শাহবাগে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ একইভাবে টিয়ারশেল, জলকামান ও রাবার বুলেট দিয়ে তাদের হটিয়ে দেয়।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেশ কয়েকজন হরতাল সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পরে সকাল ৯টার দিকে পিকেটাররা টিএসসি এবং শাহবাগের রাস্তার মাঝামাঝি অবস্থান নিয়ে হরতালের সমর্থনে স্লোগান দেন।

পুলিশও শাহবাগ মোড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।

তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ না করে যে কোনো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

হরতালের কারণে শাহবাগ এলাকায় যানবাহন তেমন একটা চলাচল করছে না। এর প্রভাবে অন্যান্য সড়কেও যানবাহনের কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে সকালে হরতালের সমর্থনে পল্টন মোড় ও এর আশপাশের এলাকায় মিছিল করেছে জাতীয় কমিটির নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ সবাইকে হরতাল পালনের আহবান জানান।

এতে বলা হয়, গত ৭ বছর ধরে সুন্দরবনবিনাশী রামপাল কয়লা প্রকল্প বাতিলসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যা সমাধানের জন্য ৭ দফা বাস্তবায়নে আমরা লংমার্চ, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, মহাসমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু সরকার এই প্রকল্প বাতিল না করে উল্টো সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে হরতাল পালনের কর্মসূচি দিয়েছি।