ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জেএমআই এমডির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে মিথ্যাচার হচ্ছেঃ তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি

  • আপডেট সময় : ০১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০
  • / 375
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ

জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রাজ্জাক জামাত শিবিরের সাথে জড়িত বলে এই নিয়ে সম্প্রতি ফেসবুক ও একটি পত্রিকায় সংবাদ এসেছে। যেগুলো সম্পূর্ণ ভূয়া এবং ভিত্তিহীন তথ্য বলে দাবি করছেন ইউ এস আওয়ামী লীগের নেতা এবং তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি ওসমান গণি । যিনি আবদুর রাজ্জাককে ছোট বেলা থেকেই চিনেন।

এসব বিষয়ে ফেইসবুকে বিস্তারিত লিখেছেন আওয়ামী লীগের ঐ নেতা। পাঠকদের জন্য বিষয়টি হুবুহু তুলে ধরা হল।

“জে এম আই” ৭০০০ কর্মকর্তা কর্মচারীর এই বিশাল কোম্পানি ও মালিকের প্রতি হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে একটি কুচক্রী মহল কর্তৃক মিথ্যাচার রটানো অত‍্যন্ত দু:খজনক ও তার জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি,যা ঘটেছে তা অনিচ্ছাকৃত ভূল। এই ঘঠনা তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্হা করা সরকারের দায়িত্ব এবং তা অবশ‍্যই করা হবে।

আবদুর রাজ্জাক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ১৮তম ব‍্যাচের ছাত্র,আমার ছোটভাই লোকমানের সহপাঠী এবং রুমমেট ছিল। রাজ্জাক আমার ছোট ভাইয়ের মত এবং আমাদের পরিবারের সাথে অত‍্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আসা যাওয়া ছিল রীতিমত,সেই ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত। তার রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টতা ছিল না।কিন্তু চিন্তা চেতনায় সবসময় প্রগতিশীল ও স্বাধীনতার সপক্ষে ছিল। রাজনীতিতে না থাকা সত্বেও এরশাদের স্বৈরশাসনের সময়ে গড়ে উঠা মৌলবাদি ছাত্র শিবিরের হাতে সে অনেক হয়রানির শিকারও হয়েছে।৮৬-তে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের ক্যুতে পালিয়ে আমার ভাই লোকমানের সাথে আমাদের গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল।কারন সে শিবিরের বিরোদ্ধে সোচ্চার ছিল সবসময়।ঐ সময় আমি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলাম।

অত‍্যন্ত দু:খের বিষয় আজ তাকে কিছু অসৎ সাংবাদিক ও পত্রিকা শিবির বলে অপবাদ দিচ্ছে। যা ষড়যন্ত্রমূলক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।ঘঠনা যা ঘটেছে তা মোটেও কারো কাম্য নয়,এটা তদন্তের বিষয়,যেটা সরকারের দায়িত্ব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্হা নেয়া হবে।

দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল আগ্রহের কারণে সে আজ এতদুর এগিয়ে গেছে,কিন্তু দেশের এ ক্রান্তি লগ্নে সে এবং তার চিকিৎসা সামগ্রী প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠাটি যখন ৬০ ভাগ কর্মচারীর অনুপস্থিতি সত্ত্বেও মাত্র ৪০ ভাগ কর্মচারী নিয়ে শ্বাসরোধ‍্যকর পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে থেকে দেশ ও জনগণের সেবায় প্রানপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে,ঠিক তখনই চক্রান্তকারীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার এবং তার কোম্পানিগুলোর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সক্রিয়।

আমি তৃণমূল থেকে একাধারে ৪৪ বৎসর ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামী লীগের একজন নির্যাতিত কর্মী হিসাবে,আমার চোখে এতবড় মিথ‍্যা অপবাদ ও অপপ্রচার কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিনা।আমি অপপ্রচারকারীদে প্রতি আমার ঘৃণা ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।সাথে সাথে দেশের জনগণ ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি ঐসব অসৎ ও মিথ‍্যাচারীদের কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

আজ আমি জোড়ালো কন্ঠে বলতে চাই, রাজ্জাক কখনো শিবির করে নাই, সে একজন স্বাধীনতার পক্ষের লোক এবং শিবির বিরোধী ছিল, যে কোন প্রয়োজনে,বা কারো কোন প্রশ্ন বা আপত্তি থাকলে আমি তার জবাব দিতে,এমনকি এক নাম্বার স্বাক্ষী থাকতেও প্রস্তুত।আরো উল্লেখ্য যে,তার কোম্পানিগুলোতে ৭০০০ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ‍্যে কমপক্ষে ৫০ জন প্রাক্তন ছাত্রলীগ কর্মীও কাজ করে এবং একজনও শিবির কর্মী নাই।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জেএমআই এমডির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে মিথ্যাচার হচ্ছেঃ তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি

আপডেট সময় : ০১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ

জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রাজ্জাক জামাত শিবিরের সাথে জড়িত বলে এই নিয়ে সম্প্রতি ফেসবুক ও একটি পত্রিকায় সংবাদ এসেছে। যেগুলো সম্পূর্ণ ভূয়া এবং ভিত্তিহীন তথ্য বলে দাবি করছেন ইউ এস আওয়ামী লীগের নেতা এবং তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি ওসমান গণি । যিনি আবদুর রাজ্জাককে ছোট বেলা থেকেই চিনেন।

এসব বিষয়ে ফেইসবুকে বিস্তারিত লিখেছেন আওয়ামী লীগের ঐ নেতা। পাঠকদের জন্য বিষয়টি হুবুহু তুলে ধরা হল।

“জে এম আই” ৭০০০ কর্মকর্তা কর্মচারীর এই বিশাল কোম্পানি ও মালিকের প্রতি হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে একটি কুচক্রী মহল কর্তৃক মিথ্যাচার রটানো অত‍্যন্ত দু:খজনক ও তার জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি,যা ঘটেছে তা অনিচ্ছাকৃত ভূল। এই ঘঠনা তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্হা করা সরকারের দায়িত্ব এবং তা অবশ‍্যই করা হবে।

আবদুর রাজ্জাক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ১৮তম ব‍্যাচের ছাত্র,আমার ছোটভাই লোকমানের সহপাঠী এবং রুমমেট ছিল। রাজ্জাক আমার ছোট ভাইয়ের মত এবং আমাদের পরিবারের সাথে অত‍্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আসা যাওয়া ছিল রীতিমত,সেই ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত। তার রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টতা ছিল না।কিন্তু চিন্তা চেতনায় সবসময় প্রগতিশীল ও স্বাধীনতার সপক্ষে ছিল। রাজনীতিতে না থাকা সত্বেও এরশাদের স্বৈরশাসনের সময়ে গড়ে উঠা মৌলবাদি ছাত্র শিবিরের হাতে সে অনেক হয়রানির শিকারও হয়েছে।৮৬-তে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের ক্যুতে পালিয়ে আমার ভাই লোকমানের সাথে আমাদের গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল।কারন সে শিবিরের বিরোদ্ধে সোচ্চার ছিল সবসময়।ঐ সময় আমি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলাম।

অত‍্যন্ত দু:খের বিষয় আজ তাকে কিছু অসৎ সাংবাদিক ও পত্রিকা শিবির বলে অপবাদ দিচ্ছে। যা ষড়যন্ত্রমূলক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।ঘঠনা যা ঘটেছে তা মোটেও কারো কাম্য নয়,এটা তদন্তের বিষয়,যেটা সরকারের দায়িত্ব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্হা নেয়া হবে।

দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল আগ্রহের কারণে সে আজ এতদুর এগিয়ে গেছে,কিন্তু দেশের এ ক্রান্তি লগ্নে সে এবং তার চিকিৎসা সামগ্রী প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠাটি যখন ৬০ ভাগ কর্মচারীর অনুপস্থিতি সত্ত্বেও মাত্র ৪০ ভাগ কর্মচারী নিয়ে শ্বাসরোধ‍্যকর পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে থেকে দেশ ও জনগণের সেবায় প্রানপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে,ঠিক তখনই চক্রান্তকারীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার এবং তার কোম্পানিগুলোর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সক্রিয়।

আমি তৃণমূল থেকে একাধারে ৪৪ বৎসর ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামী লীগের একজন নির্যাতিত কর্মী হিসাবে,আমার চোখে এতবড় মিথ‍্যা অপবাদ ও অপপ্রচার কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিনা।আমি অপপ্রচারকারীদে প্রতি আমার ঘৃণা ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।সাথে সাথে দেশের জনগণ ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি ঐসব অসৎ ও মিথ‍্যাচারীদের কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

আজ আমি জোড়ালো কন্ঠে বলতে চাই, রাজ্জাক কখনো শিবির করে নাই, সে একজন স্বাধীনতার পক্ষের লোক এবং শিবির বিরোধী ছিল, যে কোন প্রয়োজনে,বা কারো কোন প্রশ্ন বা আপত্তি থাকলে আমি তার জবাব দিতে,এমনকি এক নাম্বার স্বাক্ষী থাকতেও প্রস্তুত।আরো উল্লেখ্য যে,তার কোম্পানিগুলোতে ৭০০০ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ‍্যে কমপক্ষে ৫০ জন প্রাক্তন ছাত্রলীগ কর্মীও কাজ করে এবং একজনও শিবির কর্মী নাই।

বিডিসংবাদ/এএইচএস