ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়ার কামচাতকায় ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কাউকে দমন করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় চুরি নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুতিদের হামলা: নিহত ৫ গাজীপুরে ইয়াবাসহ আটক অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ছিনিয়ে নিতে রেলওয়ে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ ও বিজ্ঞানীদের সুযোগ বাড়ানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে আট সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন চাইলেন জ্বালানিমন্ত্রী

ভারতের পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত আসতে পারে ৭ অক্টোবর

  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০
  • / 171
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির জন্য ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে করা এলসির পেঁয়াজের চালানগুলো বাংলাদেশে পাঠানো নিয়ে আগামী ৭ অক্টোবর ভারতের সরকারি সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

হিলি দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে আদালতে রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে খোলা এলসির সংখ্যা ও পরিমাণ জানাতে ভারতীয় রফতানিকারকদের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়।

কলকাতার রফতানিকারক অনিল ঠাকুর জানান, মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এ বিষয়ে দেশটির রফতানিকারকরা গত ২৫ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের আদালতে রিট আবেদন করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত বাণিজ্য মহাপরিচালক বিজয় কুমার স্বাক্ষরিত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সেখানে গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে যেসব এলসি করা হয়েছে তার সংখ্যা এবং তাতে পেঁয়াজের পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভারতের আঞ্চলিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে রফতানিকারকদের বলা হয়। সে অনুযায়ী বাংলাদেশের আমদানিকারকদের করা পেঁয়াজের এলসির কপি ওই দফতরে জমা দেয়া হয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবর এ সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত আসবে বলে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বলেন অনিল ঠাকুর।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মোবারক হোসেন ও মোজাম হোসেন বলেন, ‘গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে এলসি করা পেঁয়াজের চালানগুলো বাংলাদেশে রফতানি করা হবে। এ ব্যাপারে ভারতের রফতানিকারকরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। এ জন্য আমাদের আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

ভারত গত ১৪ সেপ্টেম্বর কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে দেশের অন্যান্য স্থলবন্দরের মতো হিলি স্থলবন্দর দিয়েও ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। মাঝে ১৮ সেপ্টেম্বর এক সিদ্ধান্তে শুধুমাত্র ১৩ সেপ্টেম্বর এলসি করা পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেয় ভারত। পরে সীমান্তে আটকে থাকা ১১ ট্রাকে ২৪৬ মেট্রিক টন পেঁয়াজ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই ছিল পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া।

সূত্র : ইউএনবি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভারতের পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত আসতে পারে ৭ অক্টোবর

আপডেট সময় : ০৯:৪২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির জন্য ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে করা এলসির পেঁয়াজের চালানগুলো বাংলাদেশে পাঠানো নিয়ে আগামী ৭ অক্টোবর ভারতের সরকারি সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

হিলি দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে আদালতে রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে খোলা এলসির সংখ্যা ও পরিমাণ জানাতে ভারতীয় রফতানিকারকদের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়।

কলকাতার রফতানিকারক অনিল ঠাকুর জানান, মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এ বিষয়ে দেশটির রফতানিকারকরা গত ২৫ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের আদালতে রিট আবেদন করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত বাণিজ্য মহাপরিচালক বিজয় কুমার স্বাক্ষরিত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সেখানে গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে যেসব এলসি করা হয়েছে তার সংখ্যা এবং তাতে পেঁয়াজের পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভারতের আঞ্চলিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে রফতানিকারকদের বলা হয়। সে অনুযায়ী বাংলাদেশের আমদানিকারকদের করা পেঁয়াজের এলসির কপি ওই দফতরে জমা দেয়া হয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবর এ সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত আসবে বলে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বলেন অনিল ঠাকুর।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মোবারক হোসেন ও মোজাম হোসেন বলেন, ‘গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে এলসি করা পেঁয়াজের চালানগুলো বাংলাদেশে রফতানি করা হবে। এ ব্যাপারে ভারতের রফতানিকারকরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। এ জন্য আমাদের আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

ভারত গত ১৪ সেপ্টেম্বর কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে দেশের অন্যান্য স্থলবন্দরের মতো হিলি স্থলবন্দর দিয়েও ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। মাঝে ১৮ সেপ্টেম্বর এক সিদ্ধান্তে শুধুমাত্র ১৩ সেপ্টেম্বর এলসি করা পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেয় ভারত। পরে সীমান্তে আটকে থাকা ১১ ট্রাকে ২৪৬ মেট্রিক টন পেঁয়াজ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই ছিল পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া।

সূত্র : ইউএনবি