ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাহির মামলায় শাওনকে অব্যাহতি

  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 273
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে স্ত্রী দাবি করা তার বন্ধু শাহরিয়ার ইসলাম শাওনকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোহরাব মিয়া ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ মে সিলেটের ব্যবসায়ী অপুর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মাহি। বিয়ের একদিনের মাথায় বেরিয়ে আসে আগেও একবার বিয়ে করেছিলেন মাহি। শাহরিয়ার ইসলাম শাওন মাহির স্বামী দাবি করে তাদের (শাওন-মাহি) অন্তরঙ্গ ও বিয়ের কিছু ছবি ফেসবুকে আপলোড করেন। পরে ২৮ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন নায়িকা মাহি।

চলচ্চিত্র জগতে মাহিয়া মাহি বলে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম শারমিন আক্তার নিপা। মামলায় তিনি বাদী হিসেবে প্রকৃত নামটি ব্যবহার করেছেন।

তিনি মামলায় অভিযোগ করেন, শাওন নামে এক যুবক ফেসবুকে তার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি আপলোড করেছে। এতে করে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে শাহরিয়ার ছাড়া তার কয়েকজন বন্ধুও জড়িত বলে তার ধারণা। বিয়ে ভেঙে দেয়ার উদ্দেশ্যে এসব ছবি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

মামলাটি ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম (সিটি) সেলের কাছে স্থানান্তর করা হয়। ২৯ মে মাহির প্রথম স্বামী পরিচয় দেয়া শাওনকে দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে গ্রেফতার করে সিটি ইউনিট।

পরে তাকে আদালতে হাজির করে দু’দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। মিন্টো রোডে সিটি ইউনিটের কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পরে ওই বছরের ৫ জুন মাহির বাবা ও শাওনের বাবার মধ্যে একটি আপসনামা হয়। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে মাহির উত্তরার বাসায় উভয় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ওই আপসনামা সই হয়।

পরে মাহির স্বামী দাবিদার শাওনকে বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম জামিন দেন। আদালতে দুইজনের পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার কথা বলা হলে জামিন পান শাওন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে শাওন জানিয়েছেন, তারা একসঙ্গে উত্তরায় স্কুলে পড়তেন। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ২০১৫ সালের ১৫ মে বাড্ডার কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করেন তারা। শাওন বিয়ের কাগজপত্রও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপন করেছেন। তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিগুলো ফেসবুকে স্ত্রী মাহির অনুমতি নিয়েই আপলোড করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগে কখনও মাহির আপত্তি ছিল না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মাহির মামলায় শাওনকে অব্যাহতি

আপডেট সময় : ১১:৫৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে স্ত্রী দাবি করা তার বন্ধু শাহরিয়ার ইসলাম শাওনকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোহরাব মিয়া ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ মে সিলেটের ব্যবসায়ী অপুর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মাহি। বিয়ের একদিনের মাথায় বেরিয়ে আসে আগেও একবার বিয়ে করেছিলেন মাহি। শাহরিয়ার ইসলাম শাওন মাহির স্বামী দাবি করে তাদের (শাওন-মাহি) অন্তরঙ্গ ও বিয়ের কিছু ছবি ফেসবুকে আপলোড করেন। পরে ২৮ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন নায়িকা মাহি।

চলচ্চিত্র জগতে মাহিয়া মাহি বলে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম শারমিন আক্তার নিপা। মামলায় তিনি বাদী হিসেবে প্রকৃত নামটি ব্যবহার করেছেন।

তিনি মামলায় অভিযোগ করেন, শাওন নামে এক যুবক ফেসবুকে তার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি আপলোড করেছে। এতে করে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে শাহরিয়ার ছাড়া তার কয়েকজন বন্ধুও জড়িত বলে তার ধারণা। বিয়ে ভেঙে দেয়ার উদ্দেশ্যে এসব ছবি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

মামলাটি ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম (সিটি) সেলের কাছে স্থানান্তর করা হয়। ২৯ মে মাহির প্রথম স্বামী পরিচয় দেয়া শাওনকে দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে গ্রেফতার করে সিটি ইউনিট।

পরে তাকে আদালতে হাজির করে দু’দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। মিন্টো রোডে সিটি ইউনিটের কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পরে ওই বছরের ৫ জুন মাহির বাবা ও শাওনের বাবার মধ্যে একটি আপসনামা হয়। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে মাহির উত্তরার বাসায় উভয় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ওই আপসনামা সই হয়।

পরে মাহির স্বামী দাবিদার শাওনকে বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম জামিন দেন। আদালতে দুইজনের পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার কথা বলা হলে জামিন পান শাওন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে শাওন জানিয়েছেন, তারা একসঙ্গে উত্তরায় স্কুলে পড়তেন। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ২০১৫ সালের ১৫ মে বাড্ডার কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করেন তারা। শাওন বিয়ের কাগজপত্রও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপন করেছেন। তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিগুলো ফেসবুকে স্ত্রী মাহির অনুমতি নিয়েই আপলোড করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগে কখনও মাহির আপত্তি ছিল না।