ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসলাম গ্রহণের পর জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করছি : ফরাসি নওমুসলিম

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২
  • / 208
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

 

ইসলাম গ্রহণ করেছেন ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ সিটির বাসিন্দা এমিল জেহন্ডার (৮৫)। তুরস্কে বেড়াতে দেশটির মুসলিমদের আন্তরিকতা তাকে মুগ্ধ করে। এরই ফলশ্রুতিতে ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি। এরপর অনুভূতি জানিয়ে এমিল জেহন্ডার বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের পর জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করছি।’

তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে। ডেইলি সাবাহর বিস্তারিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এমিল জেহন্ডারের তুর্কি প্রতিবেশী এনভার ও হ্যালিড কোডাত। একদিন এমিল তাদেরকে তুরস্ক ভ্রমণের আগ্রহের কথা জানান এবং তাদেরকে অনুরোধ করেন, তারা যেন তাকে সেখানে নিয়ে যান। ৯ মাস আগে এমিলের স্ত্রী মারা যাওয়ায় তিনি খুব বিষণ্ন ছিলেন। পরে এনভার ও হ্যালিড কোডাতের আমন্ত্রণে তুরস্কে বেড়াতে আসেন এমিল।

কোডাত দম্পতি তুরস্কের ইলাজিগ শহরের বাসিন্দা। প্রথমে তারা ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। এরপর এমিলকে নিয়ে যান নিজের শহরে। এমিল যেখানেই যান সেখানের মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেয়। মানুষের এমন সদাচার ও সুন্দর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে পড়েন তিনি। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কোডাতকে জানান যে তিনি মুসলিম হতে চান।

এমিলের কথা শুনে অভিভূত কোডাত ও এনভার দম্পতি। স্থানীয় প্রাদেশিক ইফতা বিভাগে আবেদন জানান তারা। আনুষ্ঠানিকভাবে এমিলকে কালেমা শাহাদাহ পাঠ করান সহকারি মুফতি উজের কমারত। এরপর ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো তার কাছে তুলে ধরা হয়। তার রাখা হয় এমিন।

তুরস্কভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডেইলি সাবাহকে এমিন জেহন্ডার নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি এখন নতুন করে জীবন শুরু করেছি। একজন মুসলিম হিসেবে এখন আমাকে অনেক কিছু জানতে হবে।’ তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর মুসলিম প্রতিবেশীদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

এমিন জেহন্ডার বলেন, ‘আমার স্ত্রীর মৃত্যুর পর আমি অনেক স্থানে গিয়েছি। সব জায়গায় মুসলিমদের আন্তরিকতা দেখেছি। মুসলিমরা সবার জন্য এক বলে উপলব্ধি করি। এরপর আমিও মুসলিম হতে চাই। আমার প্রতিবেশী মুসলিমরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছি। এ সময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া ফ্রান্সে অবস্থানরত তুর্কিদের পারষ্পরিক সহযোগিতা আমাকে খুবই প্রভাবিত করেছে।’

ইসলাম সম্পর্কে গভীর জ্ঞানার্জনের কথা জানিয়ে জেহন্ডার বলেন, ‘ইসলাম একটি সহানুভূতিশীল ধর্ম। আমি সবেমাত্র মুসলিম হয়েছি। তাই ধীরে ধীরে জানার চেষ্টা করছি। তবে এ সময়ে আমাকে অনেক কিছু জানতে হবে।’

সূত্র : ডেইলি সাবাহ

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইসলাম গ্রহণের পর জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করছি : ফরাসি নওমুসলিম

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

 

ইসলাম গ্রহণ করেছেন ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ সিটির বাসিন্দা এমিল জেহন্ডার (৮৫)। তুরস্কে বেড়াতে দেশটির মুসলিমদের আন্তরিকতা তাকে মুগ্ধ করে। এরই ফলশ্রুতিতে ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি। এরপর অনুভূতি জানিয়ে এমিল জেহন্ডার বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের পর জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করছি।’

তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে। ডেইলি সাবাহর বিস্তারিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এমিল জেহন্ডারের তুর্কি প্রতিবেশী এনভার ও হ্যালিড কোডাত। একদিন এমিল তাদেরকে তুরস্ক ভ্রমণের আগ্রহের কথা জানান এবং তাদেরকে অনুরোধ করেন, তারা যেন তাকে সেখানে নিয়ে যান। ৯ মাস আগে এমিলের স্ত্রী মারা যাওয়ায় তিনি খুব বিষণ্ন ছিলেন। পরে এনভার ও হ্যালিড কোডাতের আমন্ত্রণে তুরস্কে বেড়াতে আসেন এমিল।

কোডাত দম্পতি তুরস্কের ইলাজিগ শহরের বাসিন্দা। প্রথমে তারা ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। এরপর এমিলকে নিয়ে যান নিজের শহরে। এমিল যেখানেই যান সেখানের মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেয়। মানুষের এমন সদাচার ও সুন্দর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে পড়েন তিনি। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কোডাতকে জানান যে তিনি মুসলিম হতে চান।

এমিলের কথা শুনে অভিভূত কোডাত ও এনভার দম্পতি। স্থানীয় প্রাদেশিক ইফতা বিভাগে আবেদন জানান তারা। আনুষ্ঠানিকভাবে এমিলকে কালেমা শাহাদাহ পাঠ করান সহকারি মুফতি উজের কমারত। এরপর ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো তার কাছে তুলে ধরা হয়। তার রাখা হয় এমিন।

তুরস্কভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডেইলি সাবাহকে এমিন জেহন্ডার নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি এখন নতুন করে জীবন শুরু করেছি। একজন মুসলিম হিসেবে এখন আমাকে অনেক কিছু জানতে হবে।’ তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর মুসলিম প্রতিবেশীদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

এমিন জেহন্ডার বলেন, ‘আমার স্ত্রীর মৃত্যুর পর আমি অনেক স্থানে গিয়েছি। সব জায়গায় মুসলিমদের আন্তরিকতা দেখেছি। মুসলিমরা সবার জন্য এক বলে উপলব্ধি করি। এরপর আমিও মুসলিম হতে চাই। আমার প্রতিবেশী মুসলিমরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছি। এ সময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া ফ্রান্সে অবস্থানরত তুর্কিদের পারষ্পরিক সহযোগিতা আমাকে খুবই প্রভাবিত করেছে।’

ইসলাম সম্পর্কে গভীর জ্ঞানার্জনের কথা জানিয়ে জেহন্ডার বলেন, ‘ইসলাম একটি সহানুভূতিশীল ধর্ম। আমি সবেমাত্র মুসলিম হয়েছি। তাই ধীরে ধীরে জানার চেষ্টা করছি। তবে এ সময়ে আমাকে অনেক কিছু জানতে হবে।’

সূত্র : ডেইলি সাবাহ

বিডিসংবাদ/এএইচএস