ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বজুড়ে নতুন রুটের হিড়িক, বাড়ছে বিমানভাড়ার শঙ্কা ব্যঙ্গাত্মক কমেডি ঘরানা ছাড়ছেন সাচা ব্যারন কোহেন মিশিগানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ‘জিহাদি’ বললেন ট্রাম্প হুতিদের -: রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার দেশের বাজারে আরও কমল স্বর্ণের দাম ট্রাম্পের ইরান নীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওবামার তীব্র সমালোচনা টঙ্গীতে শিশু নিপীড়নের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর বহরে নতুন এয়ারবাস এ৩২১এলআর যোগ করছে কাতার এয়ারওয়েজ নেতানিয়াহুসহ ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তুরস্কে মানবতাবিরোধী মামলার বিচার শুরু

আমনের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে

  • আপডেট সময় : ০১:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২
  • / 229
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশ এ বছর দেশের দ্বিতীয় প্রধান ধানের জাত আমনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে চলেছে উল্লেখ করে কর্মকর্তারা বলছেন যে দেশের প্রধান শস্যের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি হতে পারে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র একজন মুখপাত্র বাসস’কে বলেন, ‘আমরা আশা করছি এ বছর আমন উৎপাদন প্রাক্কলিত উৎপাদনের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি হবে।’
ডিএই’র ফিল্ড সার্ভিস উইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আবদুহু বলেন, আমনের প্রাক্কলিত ফলন ১৬৩ মিলিয়ন টনের বিপরীতে এখন ১৭০ মিলিয়ন টনের বেশি হতে পারে।
সারা দেশে ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে এই প্রধান ফসল কাটার কাজ চলছে এমন সময় তার এ মন্তব্য এসেছে। এদিকে কৃষকরা আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলার কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন।
ডিএই কর্মকর্তারা আভাস দেন যে এ পর্যন্ত ১৮ শতাংশ শস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আমন ফসল মোট ধান উৎপাদনের ৩৮ শতাংশ এবং এর অবস্থান বোরোর পরে, দ্বিতীয়।
আবদুহু এবং ডিএই-তে তার সহকর্মীদের মতে, ঘূর্ণিঝড় আমন উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার বিপরীতে শরৎকালের শেষের দিকে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত ফলন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, গত দুই বছরের তুলনায় হেক্টর প্রতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বেশি ছিল। ‘কিন্তু শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বর্ধিত লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’
ডিএ’র সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুয়ীদ বলেন, তারা গত মাসগুলোতে একটি খরার মতো পরিস্থিতির কারণে আমন উৎপাদন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন ছিলেন, যা একটি ছত্রাক সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত এ জাতীয় পরিস্থিতি রোধ করে।
তিনি বলেন, ‘এটি (ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং) বরং আশীর্বাদ হিসাবে উপস্থিত হয়েছে।’
সরকারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর সামগ্রিক আমন এলাকার কভারেজ ছিল ৫৯.০৬ লাখ হেক্টরের বেশি, যেখানে গত দুই বছরে তা যথাক্রমে ৫৭.২০ লাখ এবং ৫৬.২৫ লাখ হেক্টরের বেশি ছিল না।
এফএও’র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে ৩৭.৪ মিলিয়ন টন এবং ২০২১ সালে ৩৭.৮ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে ছিল।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আমনের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে

আপডেট সময় : ০১:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশ এ বছর দেশের দ্বিতীয় প্রধান ধানের জাত আমনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে চলেছে উল্লেখ করে কর্মকর্তারা বলছেন যে দেশের প্রধান শস্যের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি হতে পারে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র একজন মুখপাত্র বাসস’কে বলেন, ‘আমরা আশা করছি এ বছর আমন উৎপাদন প্রাক্কলিত উৎপাদনের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি হবে।’
ডিএই’র ফিল্ড সার্ভিস উইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আবদুহু বলেন, আমনের প্রাক্কলিত ফলন ১৬৩ মিলিয়ন টনের বিপরীতে এখন ১৭০ মিলিয়ন টনের বেশি হতে পারে।
সারা দেশে ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে এই প্রধান ফসল কাটার কাজ চলছে এমন সময় তার এ মন্তব্য এসেছে। এদিকে কৃষকরা আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলার কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন।
ডিএই কর্মকর্তারা আভাস দেন যে এ পর্যন্ত ১৮ শতাংশ শস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আমন ফসল মোট ধান উৎপাদনের ৩৮ শতাংশ এবং এর অবস্থান বোরোর পরে, দ্বিতীয়।
আবদুহু এবং ডিএই-তে তার সহকর্মীদের মতে, ঘূর্ণিঝড় আমন উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার বিপরীতে শরৎকালের শেষের দিকে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত ফলন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, গত দুই বছরের তুলনায় হেক্টর প্রতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বেশি ছিল। ‘কিন্তু শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বর্ধিত লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’
ডিএ’র সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুয়ীদ বলেন, তারা গত মাসগুলোতে একটি খরার মতো পরিস্থিতির কারণে আমন উৎপাদন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন ছিলেন, যা একটি ছত্রাক সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত এ জাতীয় পরিস্থিতি রোধ করে।
তিনি বলেন, ‘এটি (ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং) বরং আশীর্বাদ হিসাবে উপস্থিত হয়েছে।’
সরকারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর সামগ্রিক আমন এলাকার কভারেজ ছিল ৫৯.০৬ লাখ হেক্টরের বেশি, যেখানে গত দুই বছরে তা যথাক্রমে ৫৭.২০ লাখ এবং ৫৬.২৫ লাখ হেক্টরের বেশি ছিল না।
এফএও’র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে ৩৭.৪ মিলিয়ন টন এবং ২০২১ সালে ৩৭.৮ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে ছিল।

বিডিসংবাদ/এএইচএস