ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক সৌদির জন্য বড় হুমকি যেভাবে হয়ে উঠল হুথি গোষ্ঠী জাপানের মৈত্রী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ নির্দেশ পেলেই ৯৬ ঘণ্টায় ইরানে বড় হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের সিরাজগঞ্জে ১৬ বছর ধরে সংসার করছে বট ও পাকুড়গাছ চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বজুড়ে নতুন রুটের হিড়িক, বাড়ছে বিমানভাড়ার শঙ্কা ব্যঙ্গাত্মক কমেডি ঘরানা ছাড়ছেন সাচা ব্যারন কোহেন মিশিগানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ‘জিহাদি’ বললেন ট্রাম্প হুতিদের -: রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার

নারীরা পর্বত সম্পদের সুরক্ষাকারী : পার্বত্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২
  • / 135
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যগত জ্ঞানের ধারক ও বাহক। পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীরা মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। নারীরা হলো পর্বত সম্পদের সুরক্ষাকারী ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা সেবক।

রোববার আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য বিষয়ক সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম।

বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মন্ত্রী বীর বাহাদুর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপের কারণেই দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাহাড় ও সমতলে সমান উন্নয়ন হচ্ছে। পাহাড় এখন আর পিছিয়ে পড়া কোনো জনপদ নয়। ‘পাহাড়ের জুম চাষে নারীদের ভূমিকা অনেক। পাহাড়ি ঝরণা থেকে পানি সংগ্রহ করে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পানির চাহিদা মেটায় পাহাড়ি নারীরা।’

তিনি বলেন, পর্বতের নারীরা কৃষক, ব্যবসায়ী, কারিগর, উদ্যোক্তা ও সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হচ্ছে। পার্বত্যাঞ্চলের অর্থনীতির ভীতকে মজবুত করতে পাহাড়ি গ্রামীণ নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়াও তিনি বলেন, গ্রামীণ নারীদের সম্পদ সুরক্ষা, পরিষেবা এবং সুযোগ সুবিধাগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নারীদের চলার পথকে সুগম করে দিতে হবে। তাহলেই নারীরা ক্ষুধা, অপুষ্টি ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে চালিকা শক্তিতে পরিণত হবে।

বিগত সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘটিত প্রতিটি দুর্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে জানিয়ে বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান পার্বত্য অঞ্চলের জান-মালের নিরাপত্তায় নিরলসভাবে কাজ করেছে।

আমি মনে করি, এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ বলেও জানান বীর বাহাদুর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সময়োচিত উদ্যোগের ফলে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করা সম্ভব হয়েছিল উল্লেখ করে বীর বাহাদুর বলেন, ঐতিহাসিক এ শান্তি চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দুই যুগের সংঘাতময় পরিস্থিতির অবসান ঘটে। এর পর থেকেই পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার ফলে পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নারীরা পর্বত সম্পদের সুরক্ষাকারী : পার্বত্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যগত জ্ঞানের ধারক ও বাহক। পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীরা মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। নারীরা হলো পর্বত সম্পদের সুরক্ষাকারী ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা সেবক।

রোববার আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য বিষয়ক সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম।

বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মন্ত্রী বীর বাহাদুর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপের কারণেই দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাহাড় ও সমতলে সমান উন্নয়ন হচ্ছে। পাহাড় এখন আর পিছিয়ে পড়া কোনো জনপদ নয়। ‘পাহাড়ের জুম চাষে নারীদের ভূমিকা অনেক। পাহাড়ি ঝরণা থেকে পানি সংগ্রহ করে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পানির চাহিদা মেটায় পাহাড়ি নারীরা।’

তিনি বলেন, পর্বতের নারীরা কৃষক, ব্যবসায়ী, কারিগর, উদ্যোক্তা ও সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হচ্ছে। পার্বত্যাঞ্চলের অর্থনীতির ভীতকে মজবুত করতে পাহাড়ি গ্রামীণ নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়াও তিনি বলেন, গ্রামীণ নারীদের সম্পদ সুরক্ষা, পরিষেবা এবং সুযোগ সুবিধাগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নারীদের চলার পথকে সুগম করে দিতে হবে। তাহলেই নারীরা ক্ষুধা, অপুষ্টি ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে চালিকা শক্তিতে পরিণত হবে।

বিগত সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘটিত প্রতিটি দুর্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে জানিয়ে বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান পার্বত্য অঞ্চলের জান-মালের নিরাপত্তায় নিরলসভাবে কাজ করেছে।

আমি মনে করি, এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ বলেও জানান বীর বাহাদুর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সময়োচিত উদ্যোগের ফলে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করা সম্ভব হয়েছিল উল্লেখ করে বীর বাহাদুর বলেন, ঐতিহাসিক এ শান্তি চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দুই যুগের সংঘাতময় পরিস্থিতির অবসান ঘটে। এর পর থেকেই পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার ফলে পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস