ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

গাড়ি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে জবাব চায় শুল্ক গোয়েন্দা

  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 256
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বলছে, কর ফাঁকির অভিযোগ এনে ঢাকায় বিশ্বব্যাংক অফিসের ১৬টি গাড়ির সন্ধান চাওয়া হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা অফিসের তরফ থেকে গাড়িগুলোর সন্ধান চেয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে এ গাড়িগুলো কোথায় আছে এবং কার নামে এগুলো ইস্যু করা হয়েছে। এসব তথ্য জানাতে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসকে সাত দিনের সময় দেয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন বিভিন্ন সময় কর সুবিধার আওতায় যেসব গাড়ি বাংলাদেশে এনেছিলেন বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তা, তার মধ্যে বিলাসবহুল গাড়িও ছিল। কিন্তু তারা বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়ার সময় বিধি না মেনে গাড়িগুলো অন্য ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড: মইনুল খান ধারণা করছেন, শুল্ক ফাঁকি ও ব্যক্তিগতভাবে লাভের উদ্দেশ্যে এ গাড়িগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত প্রায় দেড় মাস যাবৎ এই ১৬টি গাড়ির বিষয়ে তারা তদন্ত করেছেন। এ সময় গাড়ি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে তদন্তকারীরা আইনের ব্যত্যয় চিহ্নিত করেছেন বলে শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তর দাবী করছে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় কর সুবিধা নিয়ে বিদেশ থেকে আনা বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে শুল্ক গোয়েন্দা এবং তদন্ত অধিদপ্তর। এর আগে ঢাকায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কর্মকর্তার গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল।

২০১৬ সালে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের ৪০টি গাড়ি আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গাড়ি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে জবাব চায় শুল্ক গোয়েন্দা

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাংলাদেশের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বলছে, কর ফাঁকির অভিযোগ এনে ঢাকায় বিশ্বব্যাংক অফিসের ১৬টি গাড়ির সন্ধান চাওয়া হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা অফিসের তরফ থেকে গাড়িগুলোর সন্ধান চেয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে এ গাড়িগুলো কোথায় আছে এবং কার নামে এগুলো ইস্যু করা হয়েছে। এসব তথ্য জানাতে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসকে সাত দিনের সময় দেয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন বিভিন্ন সময় কর সুবিধার আওতায় যেসব গাড়ি বাংলাদেশে এনেছিলেন বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তা, তার মধ্যে বিলাসবহুল গাড়িও ছিল। কিন্তু তারা বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়ার সময় বিধি না মেনে গাড়িগুলো অন্য ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড: মইনুল খান ধারণা করছেন, শুল্ক ফাঁকি ও ব্যক্তিগতভাবে লাভের উদ্দেশ্যে এ গাড়িগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত প্রায় দেড় মাস যাবৎ এই ১৬টি গাড়ির বিষয়ে তারা তদন্ত করেছেন। এ সময় গাড়ি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে তদন্তকারীরা আইনের ব্যত্যয় চিহ্নিত করেছেন বলে শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তর দাবী করছে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় কর সুবিধা নিয়ে বিদেশ থেকে আনা বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে শুল্ক গোয়েন্দা এবং তদন্ত অধিদপ্তর। এর আগে ঢাকায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কর্মকর্তার গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল।

২০১৬ সালে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের ৪০টি গাড়ি আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দারা।