ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

২০২২ সালে ৬৭ সাংবাদিক কাজ করতে গিয়ে নিহত

  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২
  • / 155
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, হাইতিতে বিশৃঙ্খলা এবং মেক্সিকোতে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান সহিংসতার কারণে আগের বছরের তুলনায় ২০২২ সালে ৩০ শতাংশ বেশি সাংবাদিক কাজ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ জার্নালিস্টস (আইএফজে) জানিয়েছে যে এই বছর এখনো পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬৭ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন, যেই সংখ্যাটি আগের বছর ছিল ৪৭ জন।

ব্রাসেলস ভিত্তিক এই সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ৩৭৫ জন সাংবাদিক তাদের কাজের জন্য কারাবন্দি অবস্থায় রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই রয়েছেন চীন, মিয়ানমার ও তুরস্কে। গত বছরের প্রতিবেদনে ৩৬৫ জন সাংবাদিকের কারাবন্দি থাকার হিসাব দেয়া হয়েছিল।

নিহত গণমাধ্যমকর্মীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় সংস্থাটি সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তারা সাংবাদিক ও স্বাধীন সাংবাদিকতাকে সুরক্ষা দিতে আরো জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আইএফজে’র তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে এই বছর অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন- মোট ১২ জন। তাদের বেশিরভাগই ইউক্রেনীয় ছিলেন তবে তাদের মধ্যে অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও রয়েছেন, যেমন আমেরিকান ডকুমেন্টারি ফিল্ম নির্মাতা ব্রেন্ট রেনো। এগুলোর বেশিরভাগ মৃত্যুই যুদ্ধের শুরুর বিশৃঙ্খল সপ্তাহগুলোতে হয়, যদিও লড়াই চলতে থাকায় সাংবাদিকদের প্রতি ঝুঁকি অব্যাহত রয়েছে।

আইএফজে বলেছে, মেক্সিকোতে অপরাধী সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসের শাসন এবং হাইতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়াও নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। মেক্সিকোর সাংবাদিকদের জন্য ২০২২ সালটি সবচেয়ে ভয়াবহ বছরগুলোর একটি ছিল। কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে বর্তমানে মেক্সিকোকেই সংবাদদাতাদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পাকিস্তানে এই বছরের রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে সংস্থাটি দেশটিতে পাঁচজন সাংবাদিকের মৃত্যুর ঘটনা নথিবদ্ধ করে। এছাড়াও, কলম্বিয়ায় সাংবাদিকদের প্রতি নতুন হুমকির বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএফজে। ফিলিপাইনে নতুন নেতৃত্ব সত্ত্বেও সেখানে সাংবাদিকদের প্রতি অব্যাহত বিপদের বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

আইএফজে আল জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ-র গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটিও উল্লেখ করেছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময়ে আবু আকলেহ প্যালেস্টাইনের একটি শরণার্থী শিবিরে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। আরব অঞ্চলের এই সংবাদমাধ্যমটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে আবু আকলেহ-র মৃত্যুর তদন্ত করতে এই সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।
সূত্র : ভয়েস অফ আমেরিকা

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২০২২ সালে ৬৭ সাংবাদিক কাজ করতে গিয়ে নিহত

আপডেট সময় : ১২:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, হাইতিতে বিশৃঙ্খলা এবং মেক্সিকোতে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান সহিংসতার কারণে আগের বছরের তুলনায় ২০২২ সালে ৩০ শতাংশ বেশি সাংবাদিক কাজ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ জার্নালিস্টস (আইএফজে) জানিয়েছে যে এই বছর এখনো পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬৭ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন, যেই সংখ্যাটি আগের বছর ছিল ৪৭ জন।

ব্রাসেলস ভিত্তিক এই সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ৩৭৫ জন সাংবাদিক তাদের কাজের জন্য কারাবন্দি অবস্থায় রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই রয়েছেন চীন, মিয়ানমার ও তুরস্কে। গত বছরের প্রতিবেদনে ৩৬৫ জন সাংবাদিকের কারাবন্দি থাকার হিসাব দেয়া হয়েছিল।

নিহত গণমাধ্যমকর্মীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় সংস্থাটি সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তারা সাংবাদিক ও স্বাধীন সাংবাদিকতাকে সুরক্ষা দিতে আরো জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আইএফজে’র তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে এই বছর অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন- মোট ১২ জন। তাদের বেশিরভাগই ইউক্রেনীয় ছিলেন তবে তাদের মধ্যে অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও রয়েছেন, যেমন আমেরিকান ডকুমেন্টারি ফিল্ম নির্মাতা ব্রেন্ট রেনো। এগুলোর বেশিরভাগ মৃত্যুই যুদ্ধের শুরুর বিশৃঙ্খল সপ্তাহগুলোতে হয়, যদিও লড়াই চলতে থাকায় সাংবাদিকদের প্রতি ঝুঁকি অব্যাহত রয়েছে।

আইএফজে বলেছে, মেক্সিকোতে অপরাধী সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসের শাসন এবং হাইতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়াও নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। মেক্সিকোর সাংবাদিকদের জন্য ২০২২ সালটি সবচেয়ে ভয়াবহ বছরগুলোর একটি ছিল। কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে বর্তমানে মেক্সিকোকেই সংবাদদাতাদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পাকিস্তানে এই বছরের রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে সংস্থাটি দেশটিতে পাঁচজন সাংবাদিকের মৃত্যুর ঘটনা নথিবদ্ধ করে। এছাড়াও, কলম্বিয়ায় সাংবাদিকদের প্রতি নতুন হুমকির বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএফজে। ফিলিপাইনে নতুন নেতৃত্ব সত্ত্বেও সেখানে সাংবাদিকদের প্রতি অব্যাহত বিপদের বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

আইএফজে আল জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ-র গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটিও উল্লেখ করেছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময়ে আবু আকলেহ প্যালেস্টাইনের একটি শরণার্থী শিবিরে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। আরব অঞ্চলের এই সংবাদমাধ্যমটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে আবু আকলেহ-র মৃত্যুর তদন্ত করতে এই সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।
সূত্র : ভয়েস অফ আমেরিকা

বিডিসংবাদ/এএইচএস