ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সে ১০ জনের একজন অভিবাসী : পরিসংখ্যান সংস্থা

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩
  • / 142
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

২০২১ সালে ফ্রান্সে বসবাসকারী এক-দশমাংশ লোক বিদেশে জন্মগ্রহণ করেছে। এক দশকের মধ্যে অভিবাসনের উপর প্রথম গবেষণায় জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ‘আইএনএসইই’ বৃহস্পতিবার এ কথা জানায়।

২০২১ সালে ফ্রান্সের জনসংখ্যার ১০.৩ শতাংশ বা প্রায় ৭ মিলিয়ন লোক ছিল অভিবাসী, যার অর্থ দাঁড়ায় ‘তারা জন্মসূত্রে বিদেশী’।

এতে বলা হয়, তুলনামূলকভাবে, ১৯৬৮ সালে বিদেশ থেকে ৬.৫ শতাংশ ফরাসি বাসিন্দা এসেছেন।

২০২১ সালে ফ্রান্সে অভিবাসীদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব অর্জন করেছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, অভিবাসী এবং তাদের বংশধররা মূলত সমাজে মিশে গেছে। অনেকের সন্তান ফ্রান্সে জন্ম নিয়েছে।

যদিও অর্ধ শতাব্দী আগে অভিবাসীরা মূলত দক্ষিণ ইউরোপ থেকে এসেছিল, ২০২১ সালে অনেকেই উত্তর আফ্রিকা, সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং এশিয়া থেকে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই বছর ১২ শতাংশেরও বেশি অভিবাসী আলজেরিয়ার, আরো ১২ শতাংশ মরক্কোতে এবং ৪ শতাংশ তিউনিসিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছে।

এতে বলা হয়েছে, ৮ শতাংশের বেশি পর্তুগাল থেকে, চার শতাংশ ইতালি থেকে, তিন শতাংশের বেশি তুরস্ক থেকে এবং প্রায় তিন শতাংশ স্পেন থেকে এসেছে। সমস্ত অভিবাসীদের অর্ধেকের কিছু বেশি ছিল নারী।

অভিবাসীদের বেশিরভাগই রাজধানীসহ বড় শহরে ছুটে গিয়েছিল। যেখানে জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশ পর্যন্ত বিদেশ থেকে এসেছে।

পরিসংখ্যান সংস্থার সিলভি লি মিনেজ বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসন বৃদ্ধি সত্ত্বেও, ফ্রান্স ইউরোপী গড় হিসেবে জার্মানি এবং স্পেনের পিছনে রয়েছে।

সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফ্রান্সে ১০ জনের একজন অভিবাসী : পরিসংখ্যান সংস্থা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

২০২১ সালে ফ্রান্সে বসবাসকারী এক-দশমাংশ লোক বিদেশে জন্মগ্রহণ করেছে। এক দশকের মধ্যে অভিবাসনের উপর প্রথম গবেষণায় জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ‘আইএনএসইই’ বৃহস্পতিবার এ কথা জানায়।

২০২১ সালে ফ্রান্সের জনসংখ্যার ১০.৩ শতাংশ বা প্রায় ৭ মিলিয়ন লোক ছিল অভিবাসী, যার অর্থ দাঁড়ায় ‘তারা জন্মসূত্রে বিদেশী’।

এতে বলা হয়, তুলনামূলকভাবে, ১৯৬৮ সালে বিদেশ থেকে ৬.৫ শতাংশ ফরাসি বাসিন্দা এসেছেন।

২০২১ সালে ফ্রান্সে অভিবাসীদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব অর্জন করেছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, অভিবাসী এবং তাদের বংশধররা মূলত সমাজে মিশে গেছে। অনেকের সন্তান ফ্রান্সে জন্ম নিয়েছে।

যদিও অর্ধ শতাব্দী আগে অভিবাসীরা মূলত দক্ষিণ ইউরোপ থেকে এসেছিল, ২০২১ সালে অনেকেই উত্তর আফ্রিকা, সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং এশিয়া থেকে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই বছর ১২ শতাংশেরও বেশি অভিবাসী আলজেরিয়ার, আরো ১২ শতাংশ মরক্কোতে এবং ৪ শতাংশ তিউনিসিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছে।

এতে বলা হয়েছে, ৮ শতাংশের বেশি পর্তুগাল থেকে, চার শতাংশ ইতালি থেকে, তিন শতাংশের বেশি তুরস্ক থেকে এবং প্রায় তিন শতাংশ স্পেন থেকে এসেছে। সমস্ত অভিবাসীদের অর্ধেকের কিছু বেশি ছিল নারী।

অভিবাসীদের বেশিরভাগই রাজধানীসহ বড় শহরে ছুটে গিয়েছিল। যেখানে জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশ পর্যন্ত বিদেশ থেকে এসেছে।

পরিসংখ্যান সংস্থার সিলভি লি মিনেজ বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসন বৃদ্ধি সত্ত্বেও, ফ্রান্স ইউরোপী গড় হিসেবে জার্মানি এবং স্পেনের পিছনে রয়েছে।

সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস