ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আবারও সিআইপি সম্মাননা পেলেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রাজ্জাক

  • আপডেট সময় : ১০:১৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩
  • / 164
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তৃতীয়বারের মতো বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা পেলেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক। গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে এই সম্মাননা নেন তিনি।

আবদুর রাজ্জাক এর আগেও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৫ ও ২০১৭ সালে ‘সিআইপি’ মর্যাদা পান।

দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপ। ১৯৯৯ সালে এই শিল্পগ্রুপের যাত্রা শুরু হয় মো. আবদুর রাজ্জাকের হাত ধরে। জেএমআই গ্রুপের অধীনে বর্তমানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, বিপণন, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, মুদ্রণ, শিল্পজাত গ্যাস, এলপিজি, এলপিজি সিলিন্ডার ও অটো ট্যাংক তৈরিসহ বিভিন্ন খাতে মোট ৪২টি শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।

প্রায় ২৫ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় জেএমআই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ পেরিয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও চীন থেকে এসেছে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে।

জেএমআই গ্রুপের যাত্রার শুরুতে মাত্র ৫০ জন কর্মী ছিল, যেখানে বর্তমানে মোট কর্মী সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই শিল্পগোষ্ঠীর বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় বর্তমানে ৪০০ টিরও বেশি চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্বাস্থ্যসেবা পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টিই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রস্তুত করা। উৎপাদিত পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকাসহ বিশ্বের ৪০ টিরও বেশি দেশে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আবারও সিআইপি সম্মাননা পেলেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রাজ্জাক

আপডেট সময় : ১০:১৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তৃতীয়বারের মতো বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা পেলেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক। গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে এই সম্মাননা নেন তিনি।

আবদুর রাজ্জাক এর আগেও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৫ ও ২০১৭ সালে ‘সিআইপি’ মর্যাদা পান।

দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপ। ১৯৯৯ সালে এই শিল্পগ্রুপের যাত্রা শুরু হয় মো. আবদুর রাজ্জাকের হাত ধরে। জেএমআই গ্রুপের অধীনে বর্তমানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, বিপণন, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, মুদ্রণ, শিল্পজাত গ্যাস, এলপিজি, এলপিজি সিলিন্ডার ও অটো ট্যাংক তৈরিসহ বিভিন্ন খাতে মোট ৪২টি শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।

প্রায় ২৫ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় জেএমআই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ পেরিয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও চীন থেকে এসেছে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে।

জেএমআই গ্রুপের যাত্রার শুরুতে মাত্র ৫০ জন কর্মী ছিল, যেখানে বর্তমানে মোট কর্মী সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই শিল্পগোষ্ঠীর বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় বর্তমানে ৪০০ টিরও বেশি চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্বাস্থ্যসেবা পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টিই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রস্তুত করা। উৎপাদিত পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকাসহ বিশ্বের ৪০ টিরও বেশি দেশে।