ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

সুইডেন কেন কোরআন পোড়ানোর অনুমতি দেয়

  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩
  • / 264
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সুইডেনে মুষ্টিমেয় কিছু ইসলাম বিরোধী ব্যক্তি সম্প্রতি প্রকাশ্যে কোরআনের অবমাননা করলে, মুসলিম দেশগুলোতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। আর, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশে প্রশ্ন দেখা দেয়- কেন এই ধরনের কাজ করতে দেয়া হয়?

সুইডেনে কোরআন বা অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো বা এসবের অবমাননা নিষিদ্ধ করে, এমন বিশেষ কোনো আইন নেই। আর, অনেক পশ্চিমা দেশের মতো, সুইডেনে কোনো ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননা বিষয়ক আইনও নেই।

সুইডেন কর্তৃপক্ষ কি মুসলিমদের এবং কোরআনকে লক্ষ্যে পরিণত করছে?
একজন মুসলিম ব্যক্তি দৃশ্যত পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তৌরাত ও বাইবেলে আগুন দেয়ার অনুমতি দেয়া হয় কি-না। তিনি শনিবার ইসরাইলের দূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভ করার অনুমতির জন্য আবেদন করেন। আবেদনে তিনি বলেছিলেন যে- ওই স্থানে তিনি তৌরাত ও বাইবেল পোড়াতে চান।

ইসরাইলের সরকারি কর্মকর্তারা এবং ইহুদি সংগঠনগুলো তার এই পরিকল্পিত কাজের নিন্দা জানায় এবং সুইডেনের পুলিশকে এ কাজ বন্ধ করার আহ্বান জানায়। তারপরও, পুলিশ ওই ব্যক্তির অনুরোধের অনুমোদন করে। ওই ব্যক্তি তার পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন এবং বলেন, একজন মুসলিম হিসেবে তিনি কোনো ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো সমর্থন করেন না।

অনেক দেশে ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননা একটি ফৌজদারি অপরাধ। পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৯ সালেও ১৯৮টি দেশের মধ্যে ৭৯টি দেশ এবং অঞ্চলে ব্লাসফেমি নিষিদ্ধ করে আইন বা নীতি ছিল। ওই সব আইন বা নীতিতে ব্লাসফেমিকে ‘কোনো ধর্মের প্রতি অবমাননাকর বলে বিবেচিত বক্তব্য বা ক্রিয়া’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। অন্তত সাতটি দেশে- আফগানিস্তান, ব্রুনাই, ইরান, মৌরিতানিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও সৌদি আরবে ব্লাসফেমির অপরাধে মৃত্যুদণ্ড প্রদান পর্যন্ত বিধান রয়েছে।
সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সুইডেন কেন কোরআন পোড়ানোর অনুমতি দেয়

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সুইডেনে মুষ্টিমেয় কিছু ইসলাম বিরোধী ব্যক্তি সম্প্রতি প্রকাশ্যে কোরআনের অবমাননা করলে, মুসলিম দেশগুলোতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। আর, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশে প্রশ্ন দেখা দেয়- কেন এই ধরনের কাজ করতে দেয়া হয়?

সুইডেনে কোরআন বা অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো বা এসবের অবমাননা নিষিদ্ধ করে, এমন বিশেষ কোনো আইন নেই। আর, অনেক পশ্চিমা দেশের মতো, সুইডেনে কোনো ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননা বিষয়ক আইনও নেই।

সুইডেন কর্তৃপক্ষ কি মুসলিমদের এবং কোরআনকে লক্ষ্যে পরিণত করছে?
একজন মুসলিম ব্যক্তি দৃশ্যত পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তৌরাত ও বাইবেলে আগুন দেয়ার অনুমতি দেয়া হয় কি-না। তিনি শনিবার ইসরাইলের দূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভ করার অনুমতির জন্য আবেদন করেন। আবেদনে তিনি বলেছিলেন যে- ওই স্থানে তিনি তৌরাত ও বাইবেল পোড়াতে চান।

ইসরাইলের সরকারি কর্মকর্তারা এবং ইহুদি সংগঠনগুলো তার এই পরিকল্পিত কাজের নিন্দা জানায় এবং সুইডেনের পুলিশকে এ কাজ বন্ধ করার আহ্বান জানায়। তারপরও, পুলিশ ওই ব্যক্তির অনুরোধের অনুমোদন করে। ওই ব্যক্তি তার পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন এবং বলেন, একজন মুসলিম হিসেবে তিনি কোনো ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো সমর্থন করেন না।

অনেক দেশে ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননা একটি ফৌজদারি অপরাধ। পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৯ সালেও ১৯৮টি দেশের মধ্যে ৭৯টি দেশ এবং অঞ্চলে ব্লাসফেমি নিষিদ্ধ করে আইন বা নীতি ছিল। ওই সব আইন বা নীতিতে ব্লাসফেমিকে ‘কোনো ধর্মের প্রতি অবমাননাকর বলে বিবেচিত বক্তব্য বা ক্রিয়া’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। অন্তত সাতটি দেশে- আফগানিস্তান, ব্রুনাই, ইরান, মৌরিতানিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও সৌদি আরবে ব্লাসফেমির অপরাধে মৃত্যুদণ্ড প্রদান পর্যন্ত বিধান রয়েছে।
সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা
বিডিসংবাদ/এএইচএস