ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ

  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 292
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউরোপে সার্বিয়া ভেঙে বের হওয়া দেশ রিপাবলিক অব কসোভোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১১৩ টি দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ১১৪ তম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিল।

মুসলিম দেশগুলোর জোট ওআইসির ৫৭টি দেশের মধ্যে ৩৬টি দেশ এরই মধ্যে কসভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব বিবেচনায় বাংলাদেশও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে আলাদা রাষ্ট্র সার্বিয়া ভেঙে কসভোর জন্ম ২০০৮ সালে। পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণ পূর্ব এলাকায় ১০ হাজার ৯০৮ বর্গকিলোমিটারের দেশটি স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে বেশ কয়েক বছর।

১৯৯০ সালেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসভো। কিন্তু জাতিগত সংঘর্ষ চলতে থাকে। ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটনে সম্পাদিত এক চুক্তির আওতায় বসনিয়ান যুদ্ধ শেষ হয়, কিন্তু কসভোতে সার্বদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহ কসভোর জনগণকে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। ১৯৯৯ সালের ২৪ এপ্রিল সার্ব বাহিনী কসভো থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ১৯৯৯-এর জুনে ওই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসভোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারিক আদালত ২০১০ সালের ২২ জুলাই কসভোর স্বাধীনতা ঘোষণাকে সমর্থনীয় বলে অভিমত জানায়।

কসভোর এর লোক সংখ্যা ২০ লাখেরও কম। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই মুসলিম। তারা প্রধানত আলবেনিয় ভাষায় কথা বলে।

বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যও কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ইউরোপে সার্বিয়া ভেঙে বের হওয়া দেশ রিপাবলিক অব কসোভোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১১৩ টি দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ১১৪ তম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিল।

মুসলিম দেশগুলোর জোট ওআইসির ৫৭টি দেশের মধ্যে ৩৬টি দেশ এরই মধ্যে কসভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব বিবেচনায় বাংলাদেশও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে আলাদা রাষ্ট্র সার্বিয়া ভেঙে কসভোর জন্ম ২০০৮ সালে। পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণ পূর্ব এলাকায় ১০ হাজার ৯০৮ বর্গকিলোমিটারের দেশটি স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে বেশ কয়েক বছর।

১৯৯০ সালেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসভো। কিন্তু জাতিগত সংঘর্ষ চলতে থাকে। ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটনে সম্পাদিত এক চুক্তির আওতায় বসনিয়ান যুদ্ধ শেষ হয়, কিন্তু কসভোতে সার্বদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহ কসভোর জনগণকে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। ১৯৯৯ সালের ২৪ এপ্রিল সার্ব বাহিনী কসভো থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ১৯৯৯-এর জুনে ওই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসভোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারিক আদালত ২০১০ সালের ২২ জুলাই কসভোর স্বাধীনতা ঘোষণাকে সমর্থনীয় বলে অভিমত জানায়।

কসভোর এর লোক সংখ্যা ২০ লাখেরও কম। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই মুসলিম। তারা প্রধানত আলবেনিয় ভাষায় কথা বলে।

বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যও কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।